Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> ভাবনা

বাবার ক্যামেরায় ফ্রিদা কাহলো

সুদীপ্ত সালাম

সুদীপ্ত সালাম

প্রকাশ : ০৬ জুলাই ২০২৬, ১৭: ৫৮
বাবার ক্যামেরায় ফ্রিদা কাহলো

একটি দেশের জাতীয় সাংস্কৃতিক ইতিহাসে একই সঙ্গে বাবা ও মেয়ে অবিস্মরণীয় অবদান রেখেছেন এমন ঘটনা ভীষণ বিরল। বাবা ছিলেন পথিকৃৎ আলোকচিত্রী, আর কন্যা হলেন বিশ্বখ্যাত চিত্রশিল্পী। আবার এই দুজনের মধ্যকার যে নিবিড় ভালোবাসার সম্পর্ক, তাও অনুধাবন করার মতো। বলছি মেক্সিকান আলোকচিত্রী কার্ল ভিলহেল্ম কাহলো ও তার মেয়ে চিত্রশিল্পী ফ্রিদা কাহলোর কথা।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

চিত্রশিল্পী হিসেবে বিশ্বজোড়া খ্যাতি পেলেও ক্যামেরা ছিল ফ্রিদার কাছে খেলনার মতো। চোখ খুলেই দেখেছেন বাল্বের ঝাঁঝাল আলো, ক্যামেরা নামের ইয়া বড় জাদুর বাক্স ও ঘরের একপাশে স্টুডিও–যেন এক টুকরো কল্পনার জগৎ। তার বাবা কার্ল ভিলহেল্ম কাহলো (১৮৭১-১৯৪১) মেক্সিকান ফটোগ্রাফির ইতিহাসে কিংবদন্তিতুল্য। গোটা ফটোগ্রাফি দুনিয়ায় তিনি গিয়ারমো কাহলো নামে পরিচিত। ছবি আঁকা শেখার আগে ফ্রিদার হাতেখড়ি ক্যামেরা দিয়ে। বাবাই তাকে ক্যামেরার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। আবার বাবাই তাকে ক্যামেরার পেছন থেকে সামনে আনেন। বাবার ক্যামেরার গুরুত্বপূর্ণ সাবজেক্ট হয়ে ওঠেন ফ্রিদা।

ফ্রিদা কাহলোর আঁকা তার বাবার ছবি
ফ্রিদা কাহলোর আঁকা তার বাবার ছবি

ফ্রিদা ছিলেন তার সময়ের সবচেয়ে বেশি ক্যামেরায় ধরাপড়া নারীদের একজন। তার গাম্ভীর্য, আবেদনময়তা, সাজ, তার ব্যতিক্রমধর্মী পোশাক–ছবিগুলোকে তার সময় থেকে এগিয়ে রেখেছে। এখনো ছবিগুলো অনুকরণীয়। গিয়ারমো কাহলো ছাড়াও ফ্রিদার ছবি অনেকেই তুলেছেন। তাদের মধ্যে আছেন নিকোলাস ম্যুরে, ম্যানুয়েল আলভারেজ ব্রাভো, লোলা ম্যানুয়েল আলভারেজ ব্রাভো, জিজেল ফ্রোয়েন্ড, জুলিয়েন লেভি, টিনা মুদাতি, ইসামু নোগুচিসহ আরো অনেকে। কিন্তু বাবার ক্যামেরার সামনে বারবার দাঁড়াতে গিয়েই তার আলোকচিত্রের শক্তি ও প্রভাব সম্পর্কে গভীর উপলব্ধি হয়।

উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী ছবি তুলতেন কেমন?Upendra.jpg

১৯২৫ সালে মাত্র ১৮ বছর বয়সে ফ্রিদা ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হন। তখন প্রাণ বেঁচে গেলেও শরীরের বিভিন্ন অংশ ক্ষতবিক্ষত হয়। হারান সন্তানধারণ ক্ষমতাও। দুর্ঘটনার পর বাবার ক্যামেরার সামনে আসা নিয়ে ফ্রিদার একটি বিখ্যাত উক্তি আছে, তিনি বলেছিলেন, “দুর্ঘটনার পর বাবা যখন আমার ছবি তুলেছিল, তখন বুঝতে পেরেছিলাম–আমার চোখে যন্ত্রণার এক রণক্ষেত্র ফুটে উঠেছে। তখন থেকেই আমি ক্যামেরার লেন্সের দিকে সোজাসুজি তাকাতে শুরু করি–হাসি ও দ্বিধা ছাড়াই; শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আমি যে একজন হার না মানা যোদ্ধা, তাই প্রমাণ করার শপথ নিয়েছিলাম।”

Advertisement
Advertisement
Advertisement

ক্যামেরা ও ক্যানভাসের ফ্রিদাকে বুঝতে এই উক্তিটি ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। ক্যামেরায় তোলা তার ছবিগুলো–প্রধানত বাবা গিয়ারমো কাহলোর তোলা ছবিগুলো (ছোটবেলার ছবিগুলো বাদে) এবং ফ্রিদার সেল্ফ-পোর্ট্রেটগুলোতে সত্য-সুন্দর ফ্রিদাকে পাওয়া যায়। একই সঙ্গে তার দৃঢ়তা ও একাকীত্ব ছবিগুলোতে স্পষ্ট। সেল্ফ-পোর্ট্রেট নিয়ে ফ্রিদা বলেছিলেন, “আমি সেল্ফ-পোর্ট্রেট আঁকি, কারণ আমি প্রায়ই একা…আর নিজেকে সবচেয়ে ভালো চিনি।” অন্য কারো চেনায় ভুল থাকতে পারে, শিল্পী যখন নিজেকে চেনেন এবং সেই চেনা ছবিকে ক্যানভাসে তুলে আনেন, তখন তা সত্য ও সুন্দর না হয়ে পারে না। বাবা গিয়ারমোও আদরের কন্যাকে চিনতে ভুল করেননি। তিনি তার ক্যামেরায় লড়াকু ও বেদনার্ত ফ্রিদাকে যথাযথভাবে ধরতে পেরেছিলেন।

গিয়ারমো কাহলোর সেল্ফ-পোর্ট্রেট
গিয়ারমো কাহলোর সেল্ফ-পোর্ট্রেট

সড়ক দুর্ঘটনার পর ফ্রিদার জীবন বদলে যায়। পুরোদমে ছবি আঁকা শুরু করেন। যদিও “সরাসরি সে দুর্ঘটনার কোনো ছবি ফ্রিদা কখনো আঁকেননি, বরং রঙের উজ্জ্বলতা ও পুষ্পের বর্ণিল ঔজ্জ্বল্যে ঢেকে রেখেছেন তাকে। এতে বেদনার সুর মিলেছে বটে, কিন্তু তার আভা মেলায়নি।” এই বেদনার সুর বাবার তোলা ছবিগুলোতেও ধরা পড়েছে। ফ্রিদার ভাষায়, ছবিগুলোতে হাসি নেই, দ্বিধা-দ্বন্দ্বও নেই। তবে দৃঢ়তা আছে। নিজের এই প্রতিকৃতি তিনি যে সচেতনভাবেই তৈরি করেছেন, তা আগে উল্লেখ করা তার উক্তি থেকেই স্পষ্ট। এই পাথরের মতো ঠান্ডা পোজ শুধু যে তার পোর্ট্রেট ফটোগ্রাফগুলোতে দেখা যায়, তা নয়। গিয়ারমোর তোলা ১৯২৬ সালের ৭ ফেব্রুয়ারির একটি গ্রুপ ছবিতেও আমরা ফ্রিদার একই অবতার দেখতে পাই। ক্যামেরায় যে লুক তিনি দিচ্ছিলেন, সেল্ফ-পোর্ট্রেটগুলোতে সেই একই লুক আমরা দেখি, সঙ্গে প্রতীক হিসেবে যুক্ত করছিলেন নানা অনুষঙ্গ। যেন আলোকচিত্রের সীমাবদ্ধতাকে ‘মনের মাধুরী’ দিয়ে পরিপূর্ণ করে নিয়েছিলেন।

বার্ট্রান্ড রাসেল ৯৫ বছর বয়সে কেন সিনেমা করতে রাজি হলেন?Russell_1.jpg

ফ্রিদার পুরো জীবন কেটেছে শারীরিক ও মানসিক কষ্ট ও বঞ্চনায়–১৯১৩ সালে পোলিওর কারণে ডান পা বিকৃত হয়ে যায়, ১৯২৫ সালে সড়ক দুর্ঘটনা, ১৯৩০ সালে গর্ভপাত, ১৯৩২ সালে ক্যানসার আক্রান্ত মায়ের মৃত্যু, জান দিয়ে যাকে ভালোবাসতেন সেই দিয়েগো রিভেরোর প্রতারণা ও শারীরিক নির্যাতন, ১৯৩৯-এ বিবাহবিচ্ছেদ, ১৯৫৩ সালে ডান পা কেটে ফেলা…।

ফ্রিদার বাবা গিয়ারমোর মৃত্যু হয় ১৯৪১ সালে। মৃত্যুর আগপর্যন্ত তিনি তার প্রিয় মেয়ের পাশে বটবৃক্ষের মতো দাঁড়িয়ে ছিলেন। ১৯৩২ সালে ফ্রিদা যখন তার স্বামীর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান, তখন চিঠির মাধ্যমে তিনি মেয়ের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখেছিলেন। সেসময় ফ্রিদাকে লেখা গিয়ারমোর কয়েকটি চিঠির কিছু অংশ তুলে ধরলে আমরা বাবা ও মেয়ের সম্পর্কটা কেমন ছিল, তা বুঝতে পারব।

গিয়ারমো কাহলোর তোলা ছবিতে পরিবারের অন্যান্যদের সঙ্গে ফ্রিদা
গিয়ারমো কাহলোর তোলা ছবিতে পরিবারের অন্যান্যদের সঙ্গে ফ্রিদা

১৯৩৩ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি তিনি লিখেছেন, “মানুষের প্রতি আমার আগ্রহ কম, আমি মেলামেশাও কম করি, তোমার যদি মনে হয় এই প্রবণতা তুমি আমার কাছ থেকে পেয়েছ–তাহলে তোমার ধারণা হয়তো সঠিক। কিন্তু আমি মন থেকে, অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, তাতে তুমি অনেক কিছু পেয়েছ। তোমার তথাকথিত বন্ধু থাকবে না, যারা প্রায়ই প্রতারণার আশ্রয় নেয়, তাদের দূরে রাখাই ভালো। তবে তোমার শত্রুও থাকবে না। এই দুটির মধ্যে কোনটি বেশি মূল্যবান, আমি সত্যিই জানি না।...মানুষের সঙ্গে অযথা জড়িয়ে না পড়াই সবচেয়ে ভালো। যদিও কখনো কখনো জড়িয়ে পড়া ছাড়া কোনো উপায় থাকে না। আর তখন ভোগান্তি পোহাতে হয় আর্থিকভাবে, নয়তো মানসিকভাবে।”

১৯৩২ সালের ৮ আগস্ট লিখেছিলেন, “গত রাতে জানতে পারলাম, তোমার স্বামীর কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত তুমি আর মেক্সিকোতে ফিরতে পারবে না। এই সংবাদে আমি একই সঙ্গে খুশি ও ব্যথিত। স্বামীর সঙ্গেই আছ বলে খুশি। আর ব্যথিত, কারণ আমার ফ্রিদুচাকে বুকে জড়িয়ে ধরে চুমু দিতে দীর্ঘ সময় আমাকে অপেক্ষা করতে হবে।”

আর্ট নিয়েও কথা হতো এই দুই ধীমান দৃশ্যশিল্পীর মধ্যে। ১৯৩৩ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি বাবা মেয়েকে বলছেন, “এখন আবার যখন শিল্পকলা চর্চায় ফিরতে চাই, তখন নিজের গালে চড় দিতে ইচ্ছে করে। কারণ, তুমি তো জানো–রং, তুলি ইত্যাদি হাতে নিয়ে কোনো ছবি হুবহু নকল করা এক ব্যাপার, আর নিজের কল্পনা দিয়ে একটি ছবি সৃষ্টি করার প্রতিভা থাকা এবং সেই ছবিটিকে মাথা থেকে হাতে, হাত থেকে তুলি হয়ে ক্যানভাসে ফুটিয়ে তোলা একেবারে ভিন্ন ব্যাপার।…আমি ভীষণ নির্বোধ, এজন্যই আমার মেজাজ বিগড়ে থাকে, গভীর বিষণ্নতায় ভুগি।”

ফ্রিদার কাছেও তার বাবা ছিলেন মহীরুহ, আশ্রয়স্থল। ১৯৫১ সালে তিনি বাবার একটি পোর্ট্রেট এঁকেছিলেন, সেই পোর্ট্রেটের নিচে তুলিতে লিখেছিলেন, “আমি আমার বাবা, ভিলহেল্ম কাহলোর প্রতিকৃতি এঁকেছি। তিনি ছিলেন হাঙ্গেরীয়-জার্মান বংশোদ্ভূত, পেশায় একজন শিল্পী ও আলোচিত্রী। তিনি ছিলেন উদার প্রকৃতির, প্রখর বুদ্ধিমান ও বিনয়ী। তিনি ছিলেন অসীম সাহসী। টানা ৬০ বছর মৃগী রোগে ভুগেছেন; কিন্তু কখনো থমকে যাননি। শুধু তাই নয়, তিনি হিটলারের বিরুদ্ধেও দৃঢ়ভাবে অবস্থান নিয়েছিলেন। অগাধ ভালোবাসা ও শ্রদ্ধায়–তার কন্যা, ফ্রিদা।”

ফ্রিদার বিশ্বখ্যাত হয়ে ওঠার ক্ষেত্রে হয়তো গিয়ারমোর ক্যামেরা খুব বেশি কাজে আসেনি। কিন্তু ফ্রিদার ফ্রিদা হয়ে ওঠার পেছনে রয়েছে, বাবা গিয়ারমোর অব্যাহত ভালোবাসা, অনুপ্রেরণা ও সমর্থন।

তথ্যসূত্র:

  • দ্য ইকোনমিস্ট, ৮ অক্টোবর ২০২৫
  • ছয় জাদুকর, হাসান ফেরদৌস
  • মিউজিয়াম অফ মডার্ন আর্ট-এর ওয়েবসাইট
  • দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট, ১৩ জানুয়ারি ২০১৭
  • ভিক্টোরিয়া অ্যান্ড অ্যালবার্ট মিউজিয়াম-এর ওয়েবসাইট
  • ন্যাশনাল মিউজিয়াম অব উইমেন ইন দ্য আর্টস-এর ওয়েবসাইট
  • রাইটার্স থিয়েটার-এর ওয়েবসাইট
  • দ্য গার্ডিয়ান, ১৩ জুন ২০২১
বিষয়: চিত্রকর্মছবিচিত্রশিল্পীমেক্সিকোসড়ক দুর্ঘটনাফটোগ্রাফিক্যামেরাসংস্কৃতিআলোকচিত্রফ্রিদা কাহলোআলোকচিত্রী
সর্বশেষ
  • ১

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

  • ২

    মহাখালীতে পরিত্যক্ত ভবনে আগুন

  • ৩

    রাজধানীর ধানমন্ডিতে ভবনে আগুন

  • ৪

    হংকংয়ের বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব বাংলাদেশের

  • ৫

    মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

সম্পর্কিত
  • মব দেশে বাড়ছে, বিদেশে কি রপ্তানিও হচ্ছে?

    মব দেশে বাড়ছে, বিদেশে কি রপ্তানিও হচ্ছে?

    আমাদের দেশে মব আর নতুন কোনো বিষয় নয়। বরং দিনকে দিন কিছুটা স্বাভাবিক ঘটনা হয়ে উঠছে যেন। কখনও বাড়ে, কখনও একটু কমে- কিন্তু মব বিদায় হচ্ছে না কোনোভাবেই। উল্টো যেন মব রপ্তানির দেশে পরিণত হচ্ছে আমাদের এই বাংলাদেশ! ভাবে? চলুন, আলোচনার ভেতরে ঢোকা যাক। শুরুতেই বর্তমানে দেশের ভেতরে মব কি অবস্থায় আছ

  • সাক্ষরতার সংখ্যায় অগ্রগতি, জীবনের পরীক্ষায় কত দূর?

    সাক্ষরতার সংখ্যায় অগ্রগতি, জীবনের পরীক্ষায় কত দূর?

    মানুষের অধিকার, মর্যাদা ও উন্নয়নের জন্য সাক্ষরতার গুরুত্ব তুলে ধরতে ইউনেসকো ১৯৬৬ সালে ৮ সেপ্টেম্বরকে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস ঘোষণা করে। বিশ্বজুড়ে এর উদযাপন শুরু হয় ১৯৬৭ সালে; আর স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭২ সালে।

  • রংপুরে ৪ খুন: ব্যর্থ আসলে কারা?

    রংপুরে ৪ খুন: ব্যর্থ আসলে কারা?

    ২৩ আগস্ট রাতে সাবেক স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর পুরো পরিবারের শেষ হয়ে যাওয়ার খবরটা প্রথম শুনে বুঝিনি যে এই ঘটনা সামনে অনেক চমক তৈরি করে রেখেছে। হত্যা রহস্য উন্মোচনের জন্য গোলকধাঁধা অপেক্ষা করছে–কে জানত? রাতে ঘুমিয়ে সকালে উঠেই শুনি দুই আসামি ধরা পড়েছে, এমনকি হত্যার দায়ও স্বীকার করে নিয়েছেন

  • সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের বিরোধিতা কেন?

    সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের বিরোধিতা কেন?

    গত রোববার জাতীয় সংসদে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ আইন পাস হয়েছে। এর মধ্যে বহুলালোচিত ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল ২০২৬’ এবং ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল ২০২৬’ নিয়ে পরে আলোচনা করার ইচ্ছা আছে। এখানে ‘সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) বিল ২০২৬’ নিয়ে কথা বলব। এই আইনের উদ্দেশ্য–বাবা–মা সন্তানকে সম্পত্তি লিখে দেওয়া