সুজয়েন্দ্র দাস

পশ্চিমবঙ্গের ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন একেবারে দরজায় কড়া নাড়ছে। এটি রাজ্যের ১৭তম বিধানসভা নির্বাচন, যেখানে মোট ২৯৪টি আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। সর্বশেষ নির্বাচন হয়েছিল ২০২১ সালের মে মাসে। সেই নির্বাচনে ভোটারের যে সংখ্যা ছিল বর্তমানে তা বেড়ে প্রায় ৬ কোটিতে পৌঁছেছে বলে অনুমান করা হচ্ছে– যার মধ্যে প্রায় ৩ কোটি পুরুষ এবং ৩ দশমিক ৩৩ কোটি নারী ভোটার। এই বিপুল বৃদ্ধির কারণ নিয়েই স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে।
২০২১ সালের পর ২০২৪ সালে ভারত ও বাংলাদেশ– উভয় দেশেই পার্লামেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। যদিও এটি সরাসরি এই আলোচনার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, তবুও ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা পরিস্থিতিকে প্রভাবিত করে। ভৌগোলিকভাবে কাছাকাছি হওয়ায় পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ। বাংলাদেশের অস্থিরতার সময় বিপুল সংখ্যক মানুষ পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশ করে, যার ফলে এবারের ভোটার তালিকা তৈরিতে নতুন করে গণনা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বাংলাদেশ থেকে আগত মানুষের পাশাপাশি বিহার, উত্তরপ্রদেশ এবং দক্ষিণ ভারতের কিছু রাজ্য থেকে আগত স্থায়ী বাসিন্দারাও এই নির্বাচনে ভোটার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত। ২০২৫ সালের শেষের দিকে ভারতের নির্বাচন কমিশন ‘স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন’ (এসআইআর) কার্যক্রম চালু করে, যা ছিল একটি ব্যাপক ভোটার তালিকা হালনাগাদ প্রক্রিয়া। অনেকেই এই শব্দটির সঙ্গে পরিচিত নন। এসআইআর মূলত বাড়ি বাড়ি গিয়ে যাচাইয়ের মাধ্যমে ভোটার তালিকা হালনাগাদ করা, যাতে নির্বাচন সুষ্ঠু ও নির্ভুলভাবে পরিচালিত হয়। এটি ‘পিপলস রিপ্রেজেন্টেশন অ্যাক্ট, ১৯৫০’-এর ধারা ২১(৩) এবং সংবিধানের ৩২৪ অনুচ্ছেদের আওতায় পরিচালিত হয়।
এই প্রক্রিয়ায় প্রায় ২০ লাখ ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে, মূলত প্রয়োজনীয় নথিপত্রের অভাবে। পশ্চিমবঙ্গ একটি অভিবাসনপ্রবণ রাজ্য হওয়ায় একদিকে যেমন নতুন ভোটার যুক্ত হয়েছে, অন্যদিকে অনেকের নাম বাদ পড়েছে। একইসঙ্গে অনেক বাঙালি জীবিকার সন্ধানে দেশের অন্যত্র চলে যাওয়ায় ভোটার তালিকায় পরিবর্তন এসেছে।

রাজনৈতিক দিক থেকে দেখা যায়, ২৯৪ আসনের মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেস প্রায় ২১৬টি আসনে জয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। বাকি আসনগুলো বিজেপি ও সিপিআই(এম)-এর মধ্যে ভাগ হতে পারে, বিশেষ করে গ্রামীণ অঞ্চলে। তবে শুধুমাত্র পরিসংখ্যান নয়, ভোটারদের মধ্যে এক ধরনের বিভ্রান্তিও লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা অঞ্চলভেদে ভিন্ন।
রাজ্যের মোট জনসংখ্যা প্রায় ১১ কোটি, যার মধ্যে কলকাতার জনসংখ্যা প্রায় ৬৮ লাখ। কলকাতা এখন বহুভাষিক ও বহু ধর্মাবলম্বীর শহর হিসেবে গড়ে উঠেছে, যেখানে বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত মানুষ স্থায়ীভাবে বসবাস করছে।
নির্বাচন দুটি ধাপে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা– ২৩ এপ্রিল উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গে এবং ২৯ এপ্রিল কলকাতা, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং নদিয়া জেলায়। ফলাফল নিয়ে বিশ্লেষণে দেখা যায়, শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস আবারও ক্ষমতায় ফিরতে পারে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে। যদিও সরকারের কিছু উন্নয়নমূলক কাজ রয়েছে, তবে নানা অনৈতিক কর্মকাণ্ড উন্নয়নের গতিকে ব্যাহত করেছে।
২০২৪ সালে দুর্গাপূজার আগে আরজি কর হাসপাতালে তরুণ চিকিৎসক মৌমিতা দেবনাথের হত্যাকাণ্ড রাজ্যজুড়ে ক্ষোভের সৃষ্টি করে। এই ঘটনায় ডা. সন্দীপ ঘোষের নাম জড়ায় এবং তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এই ঘটনা রাজ্যের ভাবমূর্তি দেশ ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করে।
তবে লক্ষ্মীর ভান্ডার, দুয়ারে সরকার, স্বাস্থ্য সাথীর মতো প্রকল্প দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মধ্যে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। রাজ্যের সাক্ষরতার হার প্রায় ৬৫% হওয়ায় এই ধরনের প্রকল্প ভোটারদের প্রভাবিত করছে। এই সুবিধাগুলো দীর্ঘমেয়াদে কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।
ভোটের মনস্তত্ত্ব বিশ্লেষণে দেখা যায়, অশিক্ষিত বা কম শিক্ষিত জনগোষ্ঠী তৃণমূলের প্রতি বেশি ঝুঁকতে পারে। তবে এবার বিজেপি তুলনামূলকভাবে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলতে পারে। যেমন দক্ষিণ কলকাতার রাসবিহারী কেন্দ্রে তৃণমূলের দেবাশিস কুমার ও বিজেপির স্বপন দাসগুপ্তর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা তীব্র হতে পারে। তবে সংগঠনগত দুর্বলতার কারণে বিজেপি এখনও সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাতে পুরোপুরি সক্ষম হয়নি।
সামগ্রিকভাবে তৃণমূলের জয়ের সম্ভাবনা প্রবল হলেও, ২০৩১ সালের নির্বাচনে তাদের অবস্থান দুর্বল হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। শিক্ষা, শিল্প ও প্রযুক্তি খাতে উন্নয়ন কমে যাওয়ার সম্ভাবনাও উল্লেখ করা হয়েছে। বর্তমানে ভোটের লড়াই অনেকটাই ৫০-৫০ অবস্থায় রয়েছে। বুদ্ধিজীবী মহল অসন্তুষ্ট, তবে দরিদ্র জনগোষ্ঠী সরকারি ভাতার কারণে সন্তুষ্ট।
সব মিলিয়ে, ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন একটি জটিল ও অনিশ্চিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। শেষ পর্যন্ত ফলাফল কী হবে, তা জানতে অপেক্ষা করা ছাড়া উপায় নেই।
লেখক: কলামিস্ট, কলকাতা (ভারত)

পশ্চিমবঙ্গের ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন একেবারে দরজায় কড়া নাড়ছে। এটি রাজ্যের ১৭তম বিধানসভা নির্বাচন, যেখানে মোট ২৯৪টি আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। সর্বশেষ নির্বাচন হয়েছিল ২০২১ সালের মে মাসে। সেই নির্বাচনে ভোটারের যে সংখ্যা ছিল বর্তমানে তা বেড়ে প্রায় ৬ কোটিতে পৌঁছেছে বলে অনুমান করা হচ্ছে– যার মধ্যে প্রায় ৩ কোটি পুরুষ এবং ৩ দশমিক ৩৩ কোটি নারী ভোটার। এই বিপুল বৃদ্ধির কারণ নিয়েই স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে।
২০২১ সালের পর ২০২৪ সালে ভারত ও বাংলাদেশ– উভয় দেশেই পার্লামেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। যদিও এটি সরাসরি এই আলোচনার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, তবুও ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা পরিস্থিতিকে প্রভাবিত করে। ভৌগোলিকভাবে কাছাকাছি হওয়ায় পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ। বাংলাদেশের অস্থিরতার সময় বিপুল সংখ্যক মানুষ পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশ করে, যার ফলে এবারের ভোটার তালিকা তৈরিতে নতুন করে গণনা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বাংলাদেশ থেকে আগত মানুষের পাশাপাশি বিহার, উত্তরপ্রদেশ এবং দক্ষিণ ভারতের কিছু রাজ্য থেকে আগত স্থায়ী বাসিন্দারাও এই নির্বাচনে ভোটার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত। ২০২৫ সালের শেষের দিকে ভারতের নির্বাচন কমিশন ‘স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন’ (এসআইআর) কার্যক্রম চালু করে, যা ছিল একটি ব্যাপক ভোটার তালিকা হালনাগাদ প্রক্রিয়া। অনেকেই এই শব্দটির সঙ্গে পরিচিত নন। এসআইআর মূলত বাড়ি বাড়ি গিয়ে যাচাইয়ের মাধ্যমে ভোটার তালিকা হালনাগাদ করা, যাতে নির্বাচন সুষ্ঠু ও নির্ভুলভাবে পরিচালিত হয়। এটি ‘পিপলস রিপ্রেজেন্টেশন অ্যাক্ট, ১৯৫০’-এর ধারা ২১(৩) এবং সংবিধানের ৩২৪ অনুচ্ছেদের আওতায় পরিচালিত হয়।
এই প্রক্রিয়ায় প্রায় ২০ লাখ ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে, মূলত প্রয়োজনীয় নথিপত্রের অভাবে। পশ্চিমবঙ্গ একটি অভিবাসনপ্রবণ রাজ্য হওয়ায় একদিকে যেমন নতুন ভোটার যুক্ত হয়েছে, অন্যদিকে অনেকের নাম বাদ পড়েছে। একইসঙ্গে অনেক বাঙালি জীবিকার সন্ধানে দেশের অন্যত্র চলে যাওয়ায় ভোটার তালিকায় পরিবর্তন এসেছে।

রাজনৈতিক দিক থেকে দেখা যায়, ২৯৪ আসনের মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেস প্রায় ২১৬টি আসনে জয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। বাকি আসনগুলো বিজেপি ও সিপিআই(এম)-এর মধ্যে ভাগ হতে পারে, বিশেষ করে গ্রামীণ অঞ্চলে। তবে শুধুমাত্র পরিসংখ্যান নয়, ভোটারদের মধ্যে এক ধরনের বিভ্রান্তিও লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা অঞ্চলভেদে ভিন্ন।
রাজ্যের মোট জনসংখ্যা প্রায় ১১ কোটি, যার মধ্যে কলকাতার জনসংখ্যা প্রায় ৬৮ লাখ। কলকাতা এখন বহুভাষিক ও বহু ধর্মাবলম্বীর শহর হিসেবে গড়ে উঠেছে, যেখানে বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত মানুষ স্থায়ীভাবে বসবাস করছে।
নির্বাচন দুটি ধাপে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা– ২৩ এপ্রিল উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গে এবং ২৯ এপ্রিল কলকাতা, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং নদিয়া জেলায়। ফলাফল নিয়ে বিশ্লেষণে দেখা যায়, শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস আবারও ক্ষমতায় ফিরতে পারে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে। যদিও সরকারের কিছু উন্নয়নমূলক কাজ রয়েছে, তবে নানা অনৈতিক কর্মকাণ্ড উন্নয়নের গতিকে ব্যাহত করেছে।
২০২৪ সালে দুর্গাপূজার আগে আরজি কর হাসপাতালে তরুণ চিকিৎসক মৌমিতা দেবনাথের হত্যাকাণ্ড রাজ্যজুড়ে ক্ষোভের সৃষ্টি করে। এই ঘটনায় ডা. সন্দীপ ঘোষের নাম জড়ায় এবং তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এই ঘটনা রাজ্যের ভাবমূর্তি দেশ ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করে।
তবে লক্ষ্মীর ভান্ডার, দুয়ারে সরকার, স্বাস্থ্য সাথীর মতো প্রকল্প দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মধ্যে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। রাজ্যের সাক্ষরতার হার প্রায় ৬৫% হওয়ায় এই ধরনের প্রকল্প ভোটারদের প্রভাবিত করছে। এই সুবিধাগুলো দীর্ঘমেয়াদে কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।
ভোটের মনস্তত্ত্ব বিশ্লেষণে দেখা যায়, অশিক্ষিত বা কম শিক্ষিত জনগোষ্ঠী তৃণমূলের প্রতি বেশি ঝুঁকতে পারে। তবে এবার বিজেপি তুলনামূলকভাবে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলতে পারে। যেমন দক্ষিণ কলকাতার রাসবিহারী কেন্দ্রে তৃণমূলের দেবাশিস কুমার ও বিজেপির স্বপন দাসগুপ্তর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা তীব্র হতে পারে। তবে সংগঠনগত দুর্বলতার কারণে বিজেপি এখনও সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাতে পুরোপুরি সক্ষম হয়নি।
সামগ্রিকভাবে তৃণমূলের জয়ের সম্ভাবনা প্রবল হলেও, ২০৩১ সালের নির্বাচনে তাদের অবস্থান দুর্বল হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। শিক্ষা, শিল্প ও প্রযুক্তি খাতে উন্নয়ন কমে যাওয়ার সম্ভাবনাও উল্লেখ করা হয়েছে। বর্তমানে ভোটের লড়াই অনেকটাই ৫০-৫০ অবস্থায় রয়েছে। বুদ্ধিজীবী মহল অসন্তুষ্ট, তবে দরিদ্র জনগোষ্ঠী সরকারি ভাতার কারণে সন্তুষ্ট।
সব মিলিয়ে, ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন একটি জটিল ও অনিশ্চিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। শেষ পর্যন্ত ফলাফল কী হবে, তা জানতে অপেক্ষা করা ছাড়া উপায় নেই।
লেখক: কলামিস্ট, কলকাতা (ভারত)

এনডিএ-বহির্ভূত সদস্যদের নারী বিলের পক্ষে ভোট দিতে প্রলোভন, চাপ বা অন্য কোনো উপায়ে বাধ্য করতে সরকারপক্ষের ব্যর্থতা জাতীয় রাজনীতিতে একটি নির্ণায়ক মুহূর্ত। বিরোধীরা তাদের ভোট ধরে রাখতে পেরেছেন। এটা প্রমাণ করে দিচ্ছে যে মোদি-প্রণীত অজেয়–এই আভা বিলীন হচ্ছে।

বিএনপি সরকারের বয়স মাত্র দুই মাস। এই স্বল্প সময়ের কার্যক্রম দিয়ে সরকারের সাফল্য ব্যর্থতা নিরূপন করা যায় না। তদুপরি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার কয়েক দিনের মধ্যে ইরান–যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ শুরু হলো, যার প্রচণ্ড অভিঘাত বাংলাদেশে এসেও পড়েছে। অতএব, সরকার আরও কিছুটা ছাড় বা গ্রেস পিরিয়ড পেতে পারে।