জাওয়াদ খালিদ

একটি ভয়াবহ যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে বিশ্ব। যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে সপ্তাহব্যাপী উত্তেজনা একটি বিপর্যয়কর আঞ্চলিক সংঘাতের রূপ নেওয়ার অবস্থা তৈরি হয়েছিল। সেখানে পাকিস্তান এক অপ্রত্যাশিত অথচ প্রভাবশালী কূটনৈতিক শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
সুসংহত পর্দার আড়ালের যোগাযোগ এবং প্রতিদ্বন্দ্বী মিত্রদের মধ্যে সতর্ক ভারসাম্য বজায় রাখার মাধ্যমে ইসলামাবাদ চরম অবিশ্বাসী দুই পক্ষকে একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে আনতে সক্ষম হয়েছে। এর ফলে সাম্প্রতিক বছরগুলোর অন্যতম বড় ভূ-রাজনৈতিক সংকট সম্ভবত এড়ানো সম্ভব হলো।
পাকিস্তানের জন্য একে একটি বিশাল কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে গণ্য করা যায়। এই সাফল্য বৈশ্বিক মঞ্চে দেশটির ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে এবং উল্লেখযোগ্য কূটনৈতিক প্রভাব এনে দিয়েছে। এটি এমন এক বিজয়, যা অবশ্যই প্রশংসার দাবি রাখে।
মাত্র কয়েক বছর আগেও পাকিস্তান আন্তর্জাতিকভাবে প্রায় বিচ্ছিন্ন অবস্থায় ছিল। এমনকি যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মতো ঘনিষ্ঠ মিত্রদের সঙ্গেও দেশটির সম্পর্কের টানাপোড়েন চলছিল।
তবে আজ দৃশ্যপট সম্পূর্ণ ভিন্ন। পাকিস্তান এখন অত্যন্ত ইতিবাচক কারণে বিশ্বমঞ্চের পাদপ্রদীপে উঠে এসেছে। দেশটির নিরলস কূটনৈতিক তৎপরতা অবশেষে সফল হয়েছে এবং তারা আন্তর্জাতিক মহলে বেশ প্রশংসা অর্জন করেছে।
দেশের অভ্যন্তরেও এই সাফল্য এক বিশেষ গর্বের সঞ্চার করেছে। অনেক পাকিস্তানির কাছে এটি বিশ্ব রাজনীতিতে পাকিস্তানের একটি বিরল ও ইতিবাচক ভূমিকার বহিঃপ্রকাশ। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে, এটি দেশটির সাম্প্রতিক কূটনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
মধ্যস্থতার এই প্রচেষ্টায় ইসলামাবাদ নেতৃত্ব দিলেও অন্যান্য পক্ষের, বিশেষ করে চীনের গঠনমূলক ভূমিকা স্বীকার করা অত্যন্ত জরুরি। বেইজিং এই পুরো প্রক্রিয়ায় ইসলামাবাদের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করেছে। গত মাসের শেষভাগে তারা একটি যৌথ পাঁচ-দফা প্রস্তাব পেশ করে, যেখানে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি, বেসামরিক নাগরিক ও অবকাঠামোর সুরক্ষা এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি সংকটময় মুহূর্তে ইরানকে আলোচনার টেবিলে নিয়ে আসার জন্য চীনের অবদানের স্বীকৃতি দিয়েছেন।
বিশ্বের নজর এখন পাকিস্তানের দিকে। তবে এখন দেশটিকে নিজের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতির ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। ইসলামাবাদের এই কূটনৈতিক সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা অনেকটাই নির্ভর করবে দেশটি কতটা কার্যকরভাবে তার অভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করতে পারে তার ওপর।

একটি ভয়াবহ যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে বিশ্ব। যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে সপ্তাহব্যাপী উত্তেজনা একটি বিপর্যয়কর আঞ্চলিক সংঘাতের রূপ নেওয়ার অবস্থা তৈরি হয়েছিল। সেখানে পাকিস্তান এক অপ্রত্যাশিত অথচ প্রভাবশালী কূটনৈতিক শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
সুসংহত পর্দার আড়ালের যোগাযোগ এবং প্রতিদ্বন্দ্বী মিত্রদের মধ্যে সতর্ক ভারসাম্য বজায় রাখার মাধ্যমে ইসলামাবাদ চরম অবিশ্বাসী দুই পক্ষকে একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে আনতে সক্ষম হয়েছে। এর ফলে সাম্প্রতিক বছরগুলোর অন্যতম বড় ভূ-রাজনৈতিক সংকট সম্ভবত এড়ানো সম্ভব হলো।
পাকিস্তানের জন্য একে একটি বিশাল কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে গণ্য করা যায়। এই সাফল্য বৈশ্বিক মঞ্চে দেশটির ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে এবং উল্লেখযোগ্য কূটনৈতিক প্রভাব এনে দিয়েছে। এটি এমন এক বিজয়, যা অবশ্যই প্রশংসার দাবি রাখে।
মাত্র কয়েক বছর আগেও পাকিস্তান আন্তর্জাতিকভাবে প্রায় বিচ্ছিন্ন অবস্থায় ছিল। এমনকি যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মতো ঘনিষ্ঠ মিত্রদের সঙ্গেও দেশটির সম্পর্কের টানাপোড়েন চলছিল।
তবে আজ দৃশ্যপট সম্পূর্ণ ভিন্ন। পাকিস্তান এখন অত্যন্ত ইতিবাচক কারণে বিশ্বমঞ্চের পাদপ্রদীপে উঠে এসেছে। দেশটির নিরলস কূটনৈতিক তৎপরতা অবশেষে সফল হয়েছে এবং তারা আন্তর্জাতিক মহলে বেশ প্রশংসা অর্জন করেছে।
দেশের অভ্যন্তরেও এই সাফল্য এক বিশেষ গর্বের সঞ্চার করেছে। অনেক পাকিস্তানির কাছে এটি বিশ্ব রাজনীতিতে পাকিস্তানের একটি বিরল ও ইতিবাচক ভূমিকার বহিঃপ্রকাশ। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে, এটি দেশটির সাম্প্রতিক কূটনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
মধ্যস্থতার এই প্রচেষ্টায় ইসলামাবাদ নেতৃত্ব দিলেও অন্যান্য পক্ষের, বিশেষ করে চীনের গঠনমূলক ভূমিকা স্বীকার করা অত্যন্ত জরুরি। বেইজিং এই পুরো প্রক্রিয়ায় ইসলামাবাদের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করেছে। গত মাসের শেষভাগে তারা একটি যৌথ পাঁচ-দফা প্রস্তাব পেশ করে, যেখানে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি, বেসামরিক নাগরিক ও অবকাঠামোর সুরক্ষা এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি সংকটময় মুহূর্তে ইরানকে আলোচনার টেবিলে নিয়ে আসার জন্য চীনের অবদানের স্বীকৃতি দিয়েছেন।
বিশ্বের নজর এখন পাকিস্তানের দিকে। তবে এখন দেশটিকে নিজের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতির ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। ইসলামাবাদের এই কূটনৈতিক সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা অনেকটাই নির্ভর করবে দেশটি কতটা কার্যকরভাবে তার অভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করতে পারে তার ওপর।