
জেদ্দায় প্রবাসীদের সঙ্গে পুলিশের ডিআইজি ইকবালের মতবিনিময়
মতবিনিময়কালে ইকবাল হোসেন শামীম বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার পেছনে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সহিদুল আলম স্বপন, জেনেভা, সুইজারল্যান্ড

সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় নিয়োজিত বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মরণে ‘জুলাই বিয়ন্ড বর্ডার’ প্রদর্শনী এবং ‘রেমিট্যান্সযোদ্ধা দিবস পালিত হয়েছে।
গত ৫ আগষ্ট (মঙ্গলবার) সারা দিনব্যাপী এক অনাড়ম্বর আয়োজনের মাধ্যমে স্মরণ করা হয়েছে ২০২৪ সালের ঐতিহাসিক জুলাই-আগস্ট ছাত্র-নেতৃত্বাধীন গণঅভ্যুত্থানকে। একইসঙ্গে উদ্যাপন করা হয়েছে ‘জুলাই বিয়ন্ড বর্ডার্স’ ও ‘রেমিট্যান্সযোদ্ধা দিবস’। যা প্রবাসী বাংলাদেশিদের অবদান এবং বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের তরুণ নেতৃত্বের উত্থানকে সম্মান জানায়।

মিশনের মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নেন সুইজারল্যান্ডের বিভিন্ন শহর থেকে আগত প্রবাসী বাংলাদেশি ও কমিউনিটির বিভিন্ন স্তরের প্রতিনিধিরা। এ ছাড়া, মিশনের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
স্বৈরতান্ত্রিক শাসনের অবসান ঘটিয়ে বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরিয়ে আনা, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় কাঠামোতে গুণগত পরিবর্তন এবং বৈষম্য দূরীকরণের লক্ষ্যে যারা অকাতরে জীবন দিয়েছে তাদেরকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ এবং মাইলস্টোন ট্র্যাজিডির স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে গণঅভ্যুত্থানে শহিদ ও আহতদের স্মরণে পবিত্র কোরান থেকে তিলওয়াত ও মোনাজাত করেন মিশনের প্রাক্তন কর্মচারী আবু বকর মোল্লা।
প্রধান উপদেষ্টার প্রদত্ত বাণী পাঠ করে শোনান দূতালয়ের কাউন্সেলর জনাব ফজলে লোহানী বাবু। তিনি প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের ওপর একটি সার্বিক চিত্র তুলে ধরেন।
এরপর জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের ওপর নির্মিত কয়েকটি নির্বাচিত প্রামান্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। তথ্যচিত্রে স্বৈর শাসনের বিভিন্ন নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরা হয়। এ ছাড়াও ছিল গণঅভ্যুত্থানের নির্বাচিত ছবি প্রর্দশনী।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন শাহদাত হুসাইন, রবিউল আউয়াল, সহিদুল আলম স্বপন এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পক্ষ থেকে ইউরো অঞ্চল তথা সুইজারল্যান্ডের কো-অর্ডিনেটর তাইজুল ইসলাম শামিম।
জুলাই-আগষ্ট গণঅভ্যুত্থানের বিভিন্ন দিক এবং পটভূমি তুলে ধরে বক্তারা বলেন, ফ্যাসিবাদ প্রতিরোধে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান যেমন ইতিহাসে স্থান করে নিয়েছে, তেমনি বর্তমান প্রেক্ষাপটেও রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সকল শ্রেণির ঐক্যবদ্ধ এবং দায়িত্বশীল ভূমিকা অপরিহার্য।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সুইজারল্যান্ডে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত এবং জেনেভায় জাতিসংঘ কার্যালয়ে স্থায়ী প্রতিনিধি তারেক মো. আরিফুল তাঁর বক্তব্যে বিদেশে বেড়ে ওঠা বাংলাদেশি তরুণদের দেশ গঠনে তাদের ভূমিকার প্রশংসা করেন। জুলাই‑আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে শহিদদের শ্রদ্ধা জানিয়ে রাষ্ট্রদূত বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গড়ার আহ্বান করেন।
তিনি সুইজারল্যান্ডে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে অবদানের কথা উল্লেখ করে তাদের ভূয়সী প্রশংসা করেন। প্রবাসীদের বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠানোর গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা ও উৎসাহ সৃষ্টি করার আহ্বান জানিয়ে একটি ন্যায়বিচারভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্র গড়তে প্রবাসী রেমিটেন্সযোদ্ধাদের সরকারের পক্ষ থেকে সবাইকে ধন্যবাদ জানান। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন দূতাবাস কর্মকর্তা মাসুদ পারভেজ।

এ ছাড়া, সকালে মিশন প্রাঙ্গণে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন কর্তৃক আয়োজিত ‘২০২৪ সালের ছাত্র-নেতৃত্বাধীন জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের স্মারক’ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করেন জেনেভাভিত্তিক বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, রাষ্ট্রদূত ও স্থায়ী প্রতিনিধিবৃন্দ। প্রদর্শনীতে ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার রক্তাক্ত গণজাগরণের স্মৃতি ও প্রেক্ষাপট উপস্থাপন করা হয়। রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, গণজাগরণ ও জনগণের অদম্য প্রত্যয় এ প্রদর্শনীর মূল বিষয়বস্তু হয়ে ওঠে।
অনুষ্ঠান শেষে অতিথিদের জন্য নৈশভোজের আয়োজন করা হয়।

জেদ্দায় প্রবাসীদের সঙ্গে পুলিশের ডিআইজি ইকবালের মতবিনিময়
মতবিনিময়কালে ইকবাল হোসেন শামীম বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার পেছনে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ওআইসির নারীবিষয়ক সম্মেলনে যোগ দিতে ইসলামাবাদে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী
বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলকে ইসলামাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানান পাকিস্তান সরকারের আইন ও বিচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যরিস্টার আকিল মালিক এবং পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান।

ডালাসে হুমায়ূন আহমেদের ‘জ্বীন কফিল’ মঞ্চায়ন, দর্শকদের ব্যাপক সাড়া
ফরহাদ হোসেনের নির্দেশনায় দুই দিনব্যাপী হাউসফুল দর্শকের সামনে মঞ্চস্থ হলো হুমায়ূন আহমেদের জ্বীন কফিল! উপস্থিত ছিলেন বিপাশা আহমেদ এবং নূহাশ হুমায়ূন।

আঙ্কারায় বাংলাদেশ-তুরস্ক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারে পরামর্শমূলক বৈঠক
পরামর্শ সভায় বাংলাদেশ-তুরস্ক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারের বিভিন্ন কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে ছিল নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি, দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণ, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) জোরদার।