
তুরস্কে মাসিক উপবৃত্তিসহ স্নাতকোত্তর পিএইচডির সুযোগ
চলতি বছরের ১৫ মে পর্যন্ত এই স্কলারশিপের আবেদন করা যাবে। আবেদনকারীকে ইউনিভার্সিটির অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে প্রয়োজনীয় শর্তাবলি মেনে আবেদন করতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষার জন্য যারা যেতে চান, তাদের কাছে ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্য থাকবে পছন্দের দিক থেকে প্রথমে। এই ফ্লোরিডাতেই বিনা খরচে উচ্চশিক্ষার সুযোগ দিচ্ছে মায়ামি বিশ্ববিদ্যালয়। প্রতি বছর তারা ‘স্ট্যাম্প’ নামের স্কলারশিপ দিয়ে থাকে। এর আওতায় বিদেশি শিক্ষার্থীরা স্নাতক ও স্নাতকোত্তরে পড়তে যেতে পারেন মায়ামিতে।
আগে জেনে নিন সুবিধাগুলো
স্নাতকের চার বছরের পুরোটা সময় সম্পূর্ণ টিউশন ফি বহন করা হবে। দেওয়া হবে থাকা–খাওয়ার সব খরচ। স্কলারশিপের যোগ্য বলে বিবেচিত হওয়া প্রতিটি শিক্ষার্থী পাবেন একটি করে উন্নত প্রযুক্তিসম্পন্ন ল্যাপটপ। ১২ হাজার ডলারের একটি উপবৃত্তি (প্রায় ১৪ লাখ ১০ হাজার ৮৮৫ টাকা) প্রদান করবে। সাথে থাকছে স্বাস্থ্যবীমা। এ ছাড়া শিক্ষার্থীরা গবেষণাসহ অন্যান্য ক্ষেত্রের জন্য বিভিন্ন ধরনের ভাতা পাবেন। থাকছে বিভিন্ন বিষয়ে পড়ার সুযোগ।
আবেদনে লাগবে যে যোগ্যতা
মায়ামি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করতে হবে। এসিটি ও এসএটি স্কোর জমা দিতে হবে। উচ্চ মাধ্যমিকে ভালো ফলাফল চাওয়া হয়। ইংরেজি দক্ষতার সনদ দেখাতে হবে। আইইএলটিএসে ন্যূনতম ৬.৫ অথবা টোয়েফল আইবিটিতে কমপক্ষে ৮০ লাগবে। আবেদনকারীদের অবশ্যই মায়ামি বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করে অ্যাডমিশন নিশ্চিত করতে হবে।
কখন কীভাবে আবেদন করবেন
প্রতি বছর একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক বিদেশি শিক্ষার্থীকে দেওয়া হয় এই স্কলারশিপ। আবেদনের পরও কয়েকটি ধাপ পার করতে হয়। সাধারণত স্নাতক ও স্নাতকোত্তরে পড়াশোনার জন্য আবেদন চাওয়া হয় বছরের মাঝামাঝি সময়। এরপর শেষ ধাপে সাক্ষাৎকার নিয়ে পরের বছরের মার্চের দিকে ঘোষণা করা হয় বৃত্তিপ্রাপ্তদের নাম।
আবেদনের বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন এখানে।

তুরস্কে মাসিক উপবৃত্তিসহ স্নাতকোত্তর পিএইচডির সুযোগ
চলতি বছরের ১৫ মে পর্যন্ত এই স্কলারশিপের আবেদন করা যাবে। আবেদনকারীকে ইউনিভার্সিটির অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে প্রয়োজনীয় শর্তাবলি মেনে আবেদন করতে হবে।

আইইএলটিএস ছাড়াই যেসব বিশ্ববিদ্যালয় স্কলারশিপ দেয়
বিদেশে উচ্চশিক্ষা থেকে শুরু করে চাকরির আবেদনে পূর্বশর্ত হিসেবে আইইএলটিএস স্কোরের কথা উল্লেখ করা থাকে। তবে আন্তর্জাতিক ভালো মানের কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে এই পরীক্ষার সনদ ছাড়াও পড়াশোনা করা সম্ভব।

বাংলাদেশসহ চার দেশের শিক্ষার্থী ভিসা যাচাই কঠোর করল অস্ট্রেলিয়ার হোম অ্যাফেয়ার্স
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি ২০২৬) অস্ট্রেলিয়ার ফেডারেল সরকার দক্ষিণ এশিয়ার চার দেশকে (বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও ভুটান) স্টুডেন্ট ভিসার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ঝুঁকির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে।

গুলশানের ওয়েস্টিনে অস্ট্রেলিয়া এডুকেশন এক্সপো অনুষ্ঠিত
জ্যান নামের একজন শিক্ষার্থী বিডিজেনকে বলেন, বর্তমানে আমি নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছি। এখানে বিবিএ শেষ করে অস্ট্রেলিয়াতে এমবিএ করতে চাই। তবে এমবিএ করার ক্ষেত্রে কোন বিশ্ববিদ্যালয় কি ধরনের স্কলারশিপ দিচ্ছে এসব তথ্য জানার জন্য এসেছি।