Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> মতামত

অধিকারীর অনধিকার চর্চা আর মমতার নির্মম পরাজয়

সৈয়দ ইজাজ আহসান

প্রকাশ : ২৩ মে ২০২৬, ১৮: ৫৫
অধিকারীর অনধিকার চর্চা আর মমতার নির্মম পরাজয়

সদ্য সমাপ্ত হলো পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যসভা নির্বাচন। বিজেপির নেতৃত্বদানকারী শুভেন্দু অধিকারী ভূমিধস বিজয়ের মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রীর পদ অলংকৃত করেছেন। এতে হিন্দুত্ববাদীদের আনন্দের সীমা নেই। বহুদিনের রাজনৈতিক পরিকল্পনা, কৌশল ও সাংগঠনিক প্রস্তুতি এই বিজয়ের পেছনে কাজ করেছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

মুখ্যমন্ত্রীর পদে বসেই তিনি সংখ্যালঘু, বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের মুসলিমদের প্রতি কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। শুরু থেকেই মুসলিমদের প্রতি তার বিদ্বেষপূর্ণ মনোভাব বিভিন্ন বক্তব্য ও কর্মকাণ্ডে প্রকাশ পেয়েছে। বিজেপির রাজনীতির অন্যতম প্রধান কৌশল হিসেবে মুসলিমবিদ্বেষ ও সাম্প্রদায়িক বিভাজনের বিষয়টি বহুদিন ধরেই আলোচিত। এই বিভাজনমূলক রাজনীতি একদিকে কট্টর হিন্দু ভোটকে সুসংহত করে, অন্যদিকে মুসলিম জনগোষ্ঠীকে কোণঠাসা করে রাজনৈতিক সুবিধা আদায়ের চেষ্টা চালায়।

বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র হিসেবে পরিচিত একটি দেশে এ ধরনের সাম্প্রদায়িক রাজনীতির উত্থান অনেকের কাছেই বিস্ময়কর। মুসলিমবিদ্বেষকে রাজনৈতিক ‘তুরুপের তাস’ হিসেবে ব্যবহার করে একদিকে ভোটব্যাংক শক্তিশালী করা হচ্ছে, অন্যদিকে বিপুলসংখ্যক মানুষকে, বিশেষত মুসলিমদের, ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। পাশাপাশি তাদের ‘পুশব্যাক’-এর হুমকি দিয়ে বাংলাদেশকে চাপের মুখে রাখার কৌশলও দেখা যাচ্ছে।

প্রশ্ন হচ্ছে—এই মানুষগুলোর অপরাধ কী? তারা মুসলিম—এটাই কি তাদের একমাত্র অপরাধ? ভারতের মুসলিমরা নিজেদের ভারতীয় বলেই মনে করে। তারা কখনো নিজেদের বাংলাদেশি বা পাকিস্তানি হিসেবে পরিচয় দেয় না। ভারতীয় চলচ্চিত্র, সাহিত্য, শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য থেকে শুরু করে রাষ্ট্রীয় উন্নয়নের প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে মুসলিমদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। তাজমহল, দিল্লির লালকেল্লা, টিপু সুলতানের প্রাসাদ—এসব স্থাপত্য কেবল মুসলিম ঐতিহ্য নয়, ভারতের জাতীয় গৌরব ও পর্যটনের প্রধান আকর্ষণ।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনেও অসংখ্য মুসলিম আত্মত্যাগ করেছেন। মুসলিমদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া ভারতের স্বাধীনতা অর্জন আরও দীর্ঘায়িত হতে পারত। স্বাধীনতার আগে মুসলিমদের একাংশের মধ্যে এই আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল যে, অখণ্ড ভারতে তারা সংখ্যাগুরু ব্রাহ্মণ্যবাদী আধিপত্যের অধীনে নিপীড়নের শিকার হতে পারেন। সেই প্রেক্ষাপটে ভারত ভেঙ্গে পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্ম হয়।

কিন্তু ১৯৪৭ সালে ভারত ভাগের সময় ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় লাখো মানুষ নিহত ও বাস্তুচ্যুত হয়। দুই রাষ্ট্রের সীমারেখা নিয়েও নানা বিতর্ক ছিল। মুসলিম অধ্যুষিত অনেক অঞ্চল ভারতের অংশ হয়ে যায়—যেমন কাশ্মীর, হায়দরাবাদ, মুর্শিদাবাদ, আসাম ও মেঘালয়ের কিছু এলাকা। এসব অঞ্চলের মুসলিমরা যুগ যুগ ধরে সেখানে বসবাস করলেও আজ তারা নানা বৈষম্য ও নিপীড়নের অভিযোগ তুলছে।

ভারতের বিভিন্ন স্থানে মুসলিম পরিচয় প্রকাশ করতেও অনেকে ভয় পান—এমন অভিযোগও প্রায়ই শোনা যায়। বিষয়টি গভীর ও বিস্তৃত; সংক্ষেপে সব আলোচনা সম্ভব নয়।

এবার আসা যাক এর রাজনৈতিক পরিণতির প্রসঙ্গে। ভারতের মণিপুর রাজ্য দীর্ঘদিন ধরেই অস্থির। সেখানেও বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকার রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিংয়ের বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক পক্ষপাতের অভিযোগ উঠেছে। তার সরকারের আচরণ মেইতেই ও কুকি জনগোষ্ঠীর মধ্যে সংঘাত বাড়িয়েছে বলে সমালোচকেরা মনে করেন। ফলে বিচ্ছিন্নতাবাদী প্রবণতাও জোরালো হচ্ছে।

ইতিহাস বলছে, সংখ্যাগুরুদের আধিপত্য ও সংখ্যালঘুদের ওপর নিপীড়ন রাষ্ট্র ভাঙনের পথ তৈরি করতে পারে। এ কারণেই ভারত ভাগ হয়ে পাকিস্তান হয়েছিল, আবার পাকিস্তান ভেঙে বাংলাদেশ জন্ম নিয়েছিল। আজ ভারতের কাশ্মীর, পাঞ্জাব ও পূর্বাঞ্চলের কিছু রাজ্যে অসন্তোষ ক্রমশ বাড়ছে। কিন্তু হিন্দুত্ববাদী রাজনীতিতে বিভোর ক্ষমতাসীনদের মধ্যে সেই বাস্তবতা উপলব্ধির প্রবণতা খুব একটা দেখা যাচ্ছে না।

নিজ দেশের মানুষের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া যে রাজনৈতিক আত্মঘাতিতার নামান্তর, তা ইতিহাস বহুবার প্রমাণ করেছে।

বাংলাদেশের আরেক প্রতিবেশী মিয়ানমারের উদাহরণও প্রাসঙ্গিক। প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ দেশটি আজ অস্তিত্ব সংকটে। সেখানে যুগ যুগ ধরে বসবাসকারী রোহিঙ্গাদের উচ্ছেদ করা হয়েছে মূলত তাদের ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে। অথচ বাংলাদেশে এখনো মগসহ বিভিন্ন মিয়ানমারীয় জাতিগোষ্ঠী বসবাস করছে। এমনকি ভারত থেকে আসা বহু মুসলিম ও হিন্দুও বাংলাদেশে নাগরিকত্ব নিয়ে বসবাস করছে। স্বাধীনতার পর বিপুলসংখ্যক বিহারি বাংলাদেশে আটকা পড়লেও পরবর্তীকালে তাদের নাগরিকত্ব দেওয়া হয়। এটিই সভ্য রাষ্ট্রের স্বাভাবিক আচরণ।

আজকের আমেরিকান বা অস্ট্রেলিয়ানদের পূর্বপুরুষও বহিরাগত ছিলেন। দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণবাদবিরোধী নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা ক্ষমতায় এসে শ্বেতাঙ্গদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নিতে পারতেন, কিন্তু তিনি তা করেননি। কারণ তিনি জানতেন, প্রতিহিংসা নয়—সহাবস্থানই রাষ্ট্রকে টিকিয়ে রাখে। এখানেই ম্যান্ডেলার সঙ্গে উগ্র জাতীয়তাবাদী রাজনীতিকদের মৌলিক পার্থক্য।

যুক্তরাষ্ট্র অবৈধ ভারতীয় অভিবাসীদের শিকল পরিয়ে দেশে ফেরত পাঠিয়েছে—এ নিয়ে ভারতীয় রাজনীতিতে ক্ষোভ দেখা গেছে। কিন্তু একই সঙ্গে প্রশ্ন ওঠে, ভারতে অবস্থানরত বিভিন্ন রাজনৈতিক গোষ্ঠীর নেতাকর্মীদের প্রতি আচরণ কেন ভিন্ন হবে? মুসলিমদের ক্ষেত্রেই কেন কঠোরতা বেশি দেখা যায়?

অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরাজয়ের কারণ নিয়েও বিশ্লেষণ চলছে। দীর্ঘ ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকলেও পশ্চিমবঙ্গে দৃশ্যমান শিল্পায়ন বা বেকারত্ব সমস্যার কার্যকর সমাধান তিনি দেখাতে পারেননি—এমন অভিযোগ রয়েছে। যদিও তিনি ব্যক্তিগতভাবে সাদামাটা জীবনযাপন করেন, তার দলের বিরুদ্ধে দুর্নীতির নানা অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত। এর সঙ্গে সামাজিক নিরাপত্তাহীনতা, বিশেষ করে আর জি কর মেডিকেল কলেজের ঘটনাকে কেন্দ্র করে জনমনে ক্ষোভ ও অনাস্থা তৈরি হয়, যা নির্বাচনে প্রভাব ফেলেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এবার বাংলাদেশের প্রসঙ্গে আসা যাক। নদীর পানি বন্ধ, ভিসা সীমিতকরণ, সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া, ‘পুশব্যাক’-এর হুমকি—এসব কূটনৈতিক চাপ প্রয়োগের কৌশল বাংলাদেশকে আরও বেশি চীন ও পাকিস্তানের দিকে ঠেলে দিতে পারে। এতে ভারতবিরোধী মনোভাব বাড়বে এবং ইসলামপন্থি দলগুলো রাজনৈতিকভাবে আরও শক্তিশালী হতে পারে।

তিস্তা প্রকল্প নিয়ে দীর্ঘসূত্রতা বাংলাদেশকে বিকল্প অংশীদারের দিকে ঝুঁকতে বাধ্য করছে, যার বড় সুবিধাভোগী হতে পারে চীন। চিকিৎসা ভিসা বন্ধ করেও বাংলাদেশকে চাপে রাখার চেষ্টা করা হয়েছে বলে অনেকে মনে করেন। কিন্তু এর ফলে বাংলাদেশের মানুষ চীন, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুরসহ বিকল্প চিকিৎসা গন্তব্যের দিকে ঝুঁকছে। একইভাবে গরু আমদানি বন্ধ হওয়ায় বাংলাদেশের ডেইরি শিল্প ও খামার খাত বরং আরও স্বনির্ভর হয়েছে।

আন্তর্জাতিক রাজনীতিতেও দেখা গেছে, অতিরিক্ত শক্তি প্রদর্শন অনেক সময় উল্টো ফল বয়ে আনে। ইরানকে দুর্বল করতে গিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকান প্রভাবই প্রশ্নের মুখে পড়েছে।

সবশেষে বলা যায়, বিজেপি ভারতের বেকারত্ব, বৈষম্য ও অর্থনৈতিক সমস্যার কার্যকর সমাধান করতে পারবে কি না, তা সময়ই বলবে। তবে সাম্প্রদায়িকতা ও উগ্র হিন্দুত্ববাদ যদি রাষ্ট্রনীতির কেন্দ্রে চলে আসে, তাহলে তা ভারতের অখণ্ডতার জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠতে পারে।

ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়—নিজ দেশের জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে কোনো রাষ্ট্র দীর্ঘদিন টিকে থাকতে পারেনি। তাই সতর্ক হওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

(মতামত লেখকের নিজস্ব)

লেখকের ইমেইল: [email protected], ফেসবুক: Syed Ahsan

বিষয়: মুক্ত মতপশ্চিমবঙ্গভারতমুক্ত আলোচনাবাংলাদেশ
সর্বশেষ
  • ১

    ময়মনসিংহে পেট্রোল ঢেলে যুবককে পুড়িয়ে হত্যা

  • ২

    খুলনায় আওয়ামী লীগের ২ সদস্য গ্রেপ্তার

  • ৩

    বিদ্যুৎ খাতে নেই সুসংবাদ, পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কা

  • ৪

    বাব আল-মান্দেবের গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপ দখলে নিল হুতিরা

  • ৫

    বরিশালের সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

সম্পর্কিত
  • ডেগ বাণিজ্য এবং ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার

    ডেগ বাণিজ্য এবং ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার

    ডিসি সারওয়ার আলমের মতো অফিসার কম, তবে শূন্য নয়। তিনি নিজেই একটা ব্র্যান্ড। সুতরাং তাকে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার মতো কিছু নেই। তিনি এক সময় ভেজাল বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে বহু অসাধু ব্যবসায়ীকে জেলে পুরেছেন।

  • কিংবদন্তির জন্ম

    কিংবদন্তির জন্ম

    পেলে জানে হাজার মাইল দূরে তার বাবা অন্যের টেলিভিশনের সামনে দাঁড়িয়ে ছেলের খেলা দেখছেন। অথবা রেডিওতে ধারাবিবরণী শুনছেন। পেলের মনে আছে আট বছর আগে কীভাবে তার বাবা কেঁদেছিলেন। সে তার বাবাকে এবারও কাঁদাতে চায়, তবে এবার যেন সেই অশ্রু হয় আনন্দের। গর্বের। স্বপ্ন পূরণের।

  • বাংলাদেশ থেকে জেদ্দা: ২৮ বছরের এক প্রবাসযাত্রায় মানুষের পাশে থাকার গল্প

    বাংলাদেশ থেকে জেদ্দা: ২৮ বছরের এক প্রবাসযাত্রায় মানুষের পাশে থাকার গল্প

    প্রবাসজীবনের প্রথম দিকের সংগ্রাম তাকে শিখিয়েছে ধৈর্য, সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা এবং শৃঙ্খলার গুরুত্ব, যা পরবর্তী সময়ে তার নেতৃত্বের মূল ভিত্তি হয়ে দাঁড়ায়।

  • চলে গেছেন খামেনি, ইরান থামেনি: নতুন বাস্তবতা ও শান্তি চুক্তির পূর্বাপর

    চলে গেছেন খামেনি, ইরান থামেনি: নতুন বাস্তবতা ও শান্তি চুক্তির পূর্বাপর

    ইতিহাস বলছে, মধ্যপ্রাচ্যের কোনো সংকটই একটি চুক্তির মাধ্যমে স্থায়ীভাবে শেষ হয়নি। বর্তমান সমঝোতাও তার ব্যতিক্রম হবে কি না, তা সময়ই বলে দেবে। তবে একটি বিষয় স্পষ্ট—এই যুদ্ধের পর মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতি আগের অবস্থায় আর ফিরবে না।