Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> প্রবাস

আমেরিকার মতো মেক্সিকোও জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব প্রদান করে

বিডিজেন ডেস্ক

প্রকাশ : ২৪ জুন ২০২৬, ১৬: ২৯
আমেরিকার মতো মেক্সিকোও জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব প্রদান করে

আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের মতো মেক্সিকোও তার ভূখণ্ডে জন্মগ্রহণকারী শিশুদের স্বয়ংক্রিয়ভাবে নাগরিকত্ব প্রদান করে। আমেরিকায় জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব সীমিত করার জন্য প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রচেষ্টার প্রেক্ষাপটে বিষয়টি নতুন করে গুরুত্ব পেয়েছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

বার্তা সংস্থা এপি/ইউএনবি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

ট্রাম্প বারবার দাবি করেছেন, আমেরিকাই বিশ্বের একমাত্র দেশ যেখানে দেশের মাটিতে জন্ম নেওয়া শিশুদের স্বয়ংক্রিয়ভাবে নাগরিকত্ব দেওয়া হয়। তিনি অবৈধভাবে অবস্থানকারী বা অস্থায়ী বৈধ মর্যাদাসম্পন্ন অভিভাবকদের সন্তানদের এ অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে চান।

তবে বাস্তবে বিশ্বের প্রায় তিন ডজন দেশ জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের নিশ্চয়তা দেয়। এর মধ্যে অধিকাংশই আমেরিকা মহাদেশের দেশ, যেমন— মেক্সিকো, কানাডা, ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, ভেনেজুয়েলা ও হন্ডুরাস।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে আইনি বিতর্ক

২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারি, দ্বিতীয় মেয়াদের প্রথম দিনেই ট্রাম্প জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব সীমিত করার একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন। তার প্রশাসনের অভিবাসনবিরোধী নীতির অংশ হিসেবে নেওয়া এই পদক্ষেপের সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে বর্তমানে বিতর্ক চলছে।

আমেরিকার সুপ্রিম কোর্ট অব দ্য ইউনাইটেড স্টেটস শিগগিরই এ বিষয়ে রায় দিতে পারে।

এপ্রিল মাসে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লিখেছিলেন, আমেরিকাই ‘বিশ্বের একমাত্র দেশ’ যেখানে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব দেওয়া হয়।

হাইতির এক অভিবাসীর অভিজ্ঞতা

হাইতি থেকে আসা অভিবাসী ভিভিয়ান পেতি ফ্রেরের মতে, মেক্সিকোর এই নীতি তার পরিবারের ভবিষ্যৎ বদলে দিয়েছে।

তিনি ২০১৯ সালে হাইতি ছেড়ে ব্রাজিল হয়ে পানামার জঙ্গল পাড়ি দিয়ে মেক্সিকোতে পৌঁছান। তার লক্ষ্য ছিল শেষ পর্যন্ত আমেরিকায় থাকা স্বজনদের কাছে যাওয়া। কিন্তু পরে তিনি মেক্সিকোতেই থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

দুই বছর আগে তার নাতনি অ্যালেক্সকা মেক্সিকোতে জন্মগ্রহণ করে এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে মেক্সিকান নাগরিকত্ব লাভ করে।

বর্তমানে তিনি টিজুয়ানায় লাকু লাখায় (Lakou Lakay) নামে একটি সফল রেস্তোরাঁ পরিচালনা করছেন। হাইতিয়ান ক্রেওল ভাষায় ‘লাকু লাখায়’ অর্থ ‘বাড়ি’। এ ছাড়া, তিনি স্প্যানিশ ভাষায় দক্ষতা অর্জন করেছেন এবং সমাজকর্ম বিষয়ে উচ্চশিক্ষাও নিচ্ছেন।

তার মতে, মেক্সিকান নাগরিকত্ব তার নাতনিকে হাইতির পাসপোর্টের তুলনায় আরও বেশি সুযোগ ও আন্তর্জাতিক ভ্রমণের সুবিধা দেবে।

অভিবাসী পরিবারগুলোর জন্য সুবিধা

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালে মেক্সিকোতে অভিবাসীদের ঢল নামার সময় দেশটিতে পৌঁছানো হাইতিয়ান নারীদের অন্তত ১০ শতাংশ গর্ভবতী ছিলেন।

বর্তমানে মেক্সিকোতে কয়েক হাজার হাইতিয়ান বসবাস করলেও, অ-নাগরিক বাবা-মায়ের ঘরে জন্ম নেওয়া কত শিশু মেক্সিকান নাগরিকত্ব পেয়েছে তার কোনো সরকারি পরিসংখ্যান নেই।

মেক্সিকোর আইন অনুযায়ী, জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব পাওয়া শিশুর বাবা-মাও স্থায়ী বাসিন্দার মর্যাদা পাওয়ার সুযোগ পান। টিজুয়ানার বহু হাইতিয়ান পরিবার এই সুবিধা গ্রহণ করেছে।

আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের ইতিহাস

আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের অধিকার সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনীর মাধ্যমে সুরক্ষিত। গৃহযুদ্ধের পর সাবেক দাসদের নাগরিকত্ব নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে এই সংশোধনী গৃহীত হয়েছিল।

পরবর্তীতে উনিশ শতকের শেষভাগে সুপ্রিম কোর্টের এক রায়ে অভিবাসীদের সন্তানদের ক্ষেত্রেও এ অধিকার সম্প্রসারিত হয়। ওই রায়ে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে জন্ম নেওয়া প্রায় প্রত্যেক ব্যক্তিই নাগরিক, তাদের বাবা-মায়ের আইনি অবস্থান যাই হোক না কেন।

ডমিনিকান প্রজাতন্ত্রের ভিন্ন পথ

অন্যদিকে ডমিনিকান প্রজাতন্ত্র ২০০৭ সালে অবৈধ অভিবাসীদের সন্তানদের জন্য জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বাতিল করে। পরে ২০১৩ সালে এ সিদ্ধান্ত ১৯২৯ সাল পর্যন্ত পূর্ববর্তী সময়ে জন্ম নেওয়া ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও প্রয়োগ করা হয়।

সেন্টার ফর মাইগ্রেশন স্টাডিজ অব নিউইয়র্কের তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক সমালোচনার মুখে ২০১৪ সালে আইন পাস হলেও এক দশকের বেশি সময় পরও প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার মানুষ রাষ্ট্রহীন অবস্থায় রয়ে গেছে।

বর্তমানে মেক্সিকান নাগরিকত্ব পাওয়ার প্রক্রিয়ায় থাকা ভিভিয়ান পেতি ফ্রেরে হাইতিয়ান ব্রিজ অ্যালায়েন্সের সঙ্গে কাজ এবং মেক্সিকোতে বসবাসরত হাইতিয়ান অভিবাসীদের পক্ষে সোচ্চার ভূমিকা পালন করছেন।

তিনি বলেন, অভিবাসীদের সন্তানেরা প্রায়ই অসাধারণ সাফল্য অর্জন করে। ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক অভিবাসন বিষয়ক উচ্চতর পড়াশোনা করারও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

বিষয়: বিদেশিআর্জেন্টিনাভেনেজুয়েলাযুক্তরাষ্ট্রআমেরিকাকানাডানাগরিকত্বমেক্সিকোব্রাজিলবিদেশি নাগরিক
সর্বশেষ
  • ১

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

  • ২

    মহাখালীতে পরিত্যক্ত ভবনে আগুন

  • ৩

    রাজধানীর ধানমন্ডিতে ভবনে আগুন

  • ৪

    হংকংয়ের বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব বাংলাদেশের

  • ৫

    মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

সম্পর্কিত
  • সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়

    সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়

    ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।

  • টরন্টোয় বজ্রঝড় ও বন্যায় বিপর্যস্ত প্রবাসীসহ হাজার হাজার মানুষ

    টরন্টোয় বজ্রঝড় ও বন্যায় বিপর্যস্ত প্রবাসীসহ হাজার হাজার মানুষ

    বজ্রঝড়ে প্রবাসী বাংলাদেশিসহ হাজার হাজার মানুষের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

  • অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সরকারে প্রথম বাংলাদেশি নারী ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত

    অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সরকারে প্রথম বাংলাদেশি নারী ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত

    দুই দশকের বেশি সময় আগে এলিজা আজাদ শিক্ষার্থী হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় আসেন। পরবর্তী সময়ে তিনি অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান ক্ষমতাসীন দল লেবার পার্টির রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন।

  • নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন

    নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন

    নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নিউইয়র্কে প্রায় ৩ লাখ বাংলাদেশি বসবাস করলেও বাংলাদেশ সোসাইটির সদস্য হয়েছেন প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ। সদস্য হতে ২০ ডলার চাঁদা দিতে হয়েছে। এ হিসাবে সদস্য চাঁদা থেকেই সংগঠনটির আয় হয়েছে প্রায় ৭ লাখ ডলার।