Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> জীবনচরচা

কেন কর্মীরা বদলাচ্ছে, আর বসদের কীভাবে বদলাতে হবে

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ০২ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৯: ৪৩
কেন কর্মীরা বদলাচ্ছে, আর বসদের কীভাবে বদলাতে হবে

আজকের কর্মজগতে একটি কথাই সবচেয়ে বেশি শোনা যায়-“এখন আর কেউ কঠোর পরিশ্রম করতে চায় না। বড় বড় কোম্পানির নেতারা অভিযোগ করেন, নতুন প্রজন্ম কাজের জন্য ততটা ‘ক্ষুধার্ত’ নয়। অথচ যখন নিয়োগ চলছে, তখন সেই কোম্পানিগুলোই আগের মতো উচ্চাভিলাষী, সর্বস্ব দিয়ে কাজ করা কর্মীদের খুঁজে বেড়ায়। কিন্তু বাস্তবতা হলো- নতুন প্রজন্ম চাকরিতে যোগ দিয়েই তাদের অধিকার, প্রত্যাশা আর সীমারেখার কথা স্পষ্ট বলে দেয়। তারা চায় নমনীয়তা, ব্যক্তিজীবনের ভারসাম্য এবং নিজের শর্তে কাজ করার সুযোগ।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

এতে ম্যানেজার ও বসেরা বিভ্রান্ত হচ্ছেন। কারণ পুরোনো চাকরি সংস্কৃতিতে ‘আগে কঠোর পরিশ্রম, পরে স্বাধীনতা’- এই ছিল নীতি। কিন্তু এখন পরিস্থিতি পাল্টে গেছে। সাম্প্রতিক চাকরি ছাঁটাইয়ের পরও কর্মীরা নিজেদের মূল্য কমতে দিচ্ছে না। নমনীয়তা, মানসিক স্বাস্থ্যের সুবিধা, রিমোট কাজের সুযোগ–এসব চাকরির বিজ্ঞাপনই প্রমাণ করে প্রত্যাশা বদলে গেছে।

বিগত বছরগুলোতে কাজের সংস্কৃতি অনেক বদলেছে। ছবি: ফ্রিপিক
বিগত বছরগুলোতে কাজের সংস্কৃতি অনেক বদলেছে। ছবি: ফ্রিপিক

মানুষ আসলে বদলায়নি, বদলেছে কাজের ধরন

মানুষ সবসময়ই চেয়েছে কাজের সঙ্গে নিজেদের যুক্ত রাখতে, বড় কাজে অবদান রাখতে, অর্থপূর্ণ কিছু তৈরি করতে। কিন্তু এখন তারা বুঝতে পারছে, জীবন কেবল অফিসের চার দেওয়ালের ভেতর আটকা নয়। কোভিড-১৯ মহামারি আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে, জীবন আর কাজের ভারসাম্য বলতে কী বোঝায়। আগে প্রশ্ন ছিল, ‘জীবনকে কীভাবে কাজের মধ্যে ফিট করাব?’ এখন পরিস্থিতি উল্টে গেছে। এখন বেশিরভাগ কর্মীরা কাজকে জীবনের মধ্যে ফিট করাতে চায়।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

গার্টনারের সাম্প্রতিক জরিপ বলছে, ৬৫% মানুষ মহামারির পর কাজের ভূমিকা নতুনভাবে ভাবতে শিখেছে। তারা চায় আরও মানবিক কর্মপরিবেশ, যেখানে মানুষ হিসেবে মূল্যায়ন করা হবে, কেবল কর্মী হিসেবে নয়।

নতুন প্রজন্মের পরিষ্কার সীমারেখা

একটি শীর্ষ কনসাল্টিং ফার্মের মাত্র ২২ বছর বয়সী নতুন কর্মীর সঙ্গে এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার কথা হয়। সংস্থাটি দীর্ঘ সময়ের কঠিন শিডিউলের জন্য পরিচিত। কিন্তু নতুন কর্মীরা শুরুতেই বলে দিচ্ছে, কী মানলে তারা থাকবে আর কী মানলে বিদায় নেবে।

অন্যদিকে, নেতৃত্ব উন্নয়ন সেশনে শীর্ষ নির্বাহীরা নিজেরাই বলছেন, তারা এ বছরে ব্যক্তিগত সুস্থতা, পরিবার বা নিজের প্রকল্পে মনোযোগ দিতে চান। ভাবুন, যারা পদোন্নতি নিয়ন্ত্রণ করেন, তাদের সামনেই এ কথা বলছেন! মানসিকতা যে পুরো বদলে গেছে, সেটিই এর প্রমাণ।

নতুন চাকরি-চুক্তি: স্বাধীনতা এবং ফলাফল

ম্যাককিনসির ২০২২ সালের আমেরিকান অপর্চুনিটি সার্ভে বলছে, ৮৭% কর্মী চান কখন, কোথায় এবং কীভাবে কাজ করবেন–তা নিজেরাই ঠিক করতে। অর্থাৎ শুধু বেতন নয়, ‘এজেন্সি’ বা নিজের কাজের ওপর নিয়ন্ত্রণ চাইছে তারা।

অনেকে মনে করেন রিমোট বা হাইব্রিড টিম কত ঘণ্টা কাজ করছে তা জানা কঠিন। ছবি: ফ্রিপিক
অনেকে মনে করেন রিমোট বা হাইব্রিড টিম কত ঘণ্টা কাজ করছে তা জানা কঠিন। ছবি: ফ্রিপিক

নেতাদের উচিত এই নতুন মানসিকতাকে স্বীকার করে নেওয়া। সেরা প্রতিভা ধরে রাখতে চাইলে অনুপ্রেরণার নতুন পদ্ধতি খুঁজতে হবে।

সেই পথেই আসে চারটি গুরুত্বপূর্ণ দিক-

আবেগের নতুন সংজ্ঞা স্বীকার করা

আজকের কর্মীরা ‘ক্ষুধার্ত’ হতে চায় না, তারা ‘পরিপূর্ণ’ হতে চায়। তাদের কাছে সাফল্য মানে শুধু পদোন্নতি নয়, নিজেকে সৃষ্টিশীল রাখা, সুস্থ থাকা, ভালো থাকা। প্রশ্ন উঠছে, একজন কর্মী যদি প্রতিদিন ঠিকঠাক কাজ শেষে বিকেলে দৌড়ের প্রশিক্ষণে যায়, সে কি কম যোগ্য? কেউ যদি পদোন্নতি না নিয়ে নিজের বর্তমান কাজটাই ভালোবাসে, সেটি কি ভুল? নেতাদের উচিত কর্মীদের আবেগ, আগ্রহ ও জীবনধারাকে সম্মান করা। আবেগী কর্মীই কোম্পানিকে এগিয়ে নেয়।

“আমি এভাবে করেছি, তাই তুমিও করবে”–এই মানসিকতা বাদ দিন

পুরোনো প্রজন্মের কর্মজীবন ছিল কঠোর, আগে এসে দেরি করে অফিস ছাড়ো, সপ্তাহান্তে কাজ করো, তারপর হয়তো স্বাধীনতা পাবে। কিন্তু সেই স্বাধীনতা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ‘মরীচিকা’ ছাড়া কিছুই ছিল না। কিন্তু এখন প্রযুক্তি, রিমোট কাজ, অটোমেশন, সব মিলিয়ে সেই পথ আর একমাত্র পথ নয়। বসদের ভাবতে হবে, আমি কষ্ট করেছি বলেই কি সবাইকে কষ্ট করতে হবে? নাকি সময় বদলেছে, তাই কাজের ধরনও বদলানো উচিত? বরং নতুন প্রজন্মকে পুরোনো অভিজ্ঞতার দিকে নিচে নামানোর বদলে, সবাইকে নতুন, উন্নত মানে তোলাই উত্তম।

“আমি এভাবে করেছি, তাই তুমিও করবে”- বসদের এই মানসিকতা থেকে বেরোতে হবে। ছবি: ফ্রিপিক
“আমি এভাবে করেছি, তাই তুমিও করবে”- বসদের এই মানসিকতা থেকে বেরোতে হবে। ছবি: ফ্রিপিক

সময় নয়-পারফরম্যান্স দিয়ে কাজ যাচাই

অনেক ম্যানেজার বা সুপারভাইজার মনে করেন রিমোট বা হাইব্রিড টিম কত ঘণ্টা কাজ করছে, তা জানা কঠিন। কিন্তু বাস্তবতা হলো, কারও কর্মঘণ্টা আপনি আগে কখনোই সঠিকভাবে জানতেন না। অফিসেও অকারণে সময় নষ্ট করা হতো। বরং লক্ষ্য হওয়া উচিত, সময় নয়, ফলাফল মাপা। যারা নিজের মতো করে কাজ করতে পারে, তারা নিজেকে বেশি দায়বদ্ধ মনে করে এবং কাজ দায়িত্বের সঙ্গে ভালোভাবে করে। এটাই নতুন কর্মচুক্তি, স্বাধীনতা ও দায়িত্ব দুই-ই থাকবে।

নিয়ন্ত্রণ বাড়াবেন না, কমান

নেতারা যখন দেখেন নিয়ন্ত্রণ কমছে, তারা বেশি নজরদারি করতে চান। ট্র্যাকিং সফটওয়্যার, কঠোর নিয়ম, বা ‘না মানলে চলে যাও’-এর মতো হুমকি। কিন্তু ভয় কখনোই দীর্ঘমেয়াদে প্রডাক্টিভিটি বাড়ায় না। ২০২০-২১ সালে মহামারির সময়ে অফিস পুরোপুরি বন্ধ থাকলেও প্রডাক্টিভিটি বেড়েছিল। অর্থাৎ স্বাধীনতা এর শত্রু নয়–বরং অনেক সময় এর উৎস।

মানুষ তখনই সেরা কাজ করে যখন তারা নিজের জীবনেও ভালো থাকে। কাজ ও জীবনের ভারসাম্য, স্বাধীনতা, নমনীয়তা- এগুলো বিলাসিতা নয়, এখনকার কর্মজগতের বাস্তবতা। বসদের উচিত এই নতুন বাস্তবতাকে স্বীকার করা। কারণ কর্মীদের ওপর বিশ্বাস, তাদের আবেগকে মূল্য দেওয়া এবং স্বাধীনতা দেওয়ার মাধ্যমেই টিকে থাকার মতো, টেকসই প্রতিষ্ঠান তৈরি করা যায়।

তথ্যসূত্র: হার্ভার্ড বিজনেজ রিভিউ-এর ওয়েবসাইট

বিষয়: অফিসকর্মীকর্মস্থলকর্মী ছাঁটাইকোভিড–১৯জীবনধারামহামারিচাকরিলাইফস্টাইল
সর্বশেষ
  • ১

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ২

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৩

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৪

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

  • ৫

    মহাখালীতে এসকেএস টাওয়ারের পেছনের ভবনে আগুন

সম্পর্কিত
  • কীভাবে বুঝবেন আপনি গরিব?

    কীভাবে বুঝবেন আপনি গরিব?

    নিয়মিত বেতন পেয়ে মোটামুটি ভালোভাবে জীবনযাপন করলেও কিন্তু আর্থিক সমস্যা থাকতে পারে। আপনি দৈনন্দিন বিলগুলো হয়তো পরিশোধ করতে পারছেন, কিন্তু হুট করে বড় কোনো খরচ এসে পড়লে সমস্যায় পড়ে যান। তবে এসব লক্ষণ থাকলেই কাউকে গরিব বলা যায় না। এতে বোঝা যায় যে আপনি আর্থিকভাবে চাপে আছেন।

  • ইসবগুলের ভুষি কি আসলেই ওজেম্পিকের বিকল্প?

    ইসবগুলের ভুষি কি আসলেই ওজেম্পিকের বিকল্প?

    তারা সস্তা ও প্রেসক্রিপশন ছাড়া পাওয়া যাবে এমন কিছু জিনিস নিয়ে প্রচার চালাচ্ছেন, যা নাকি ওজেম্পিকের মতো দ্রুত কমাতে পারে। এই তালিকায় সাম্প্রতিক সময় সবচেয়ে বেশি শোনা গেছে ‘সিলিয়াম হাস্ক’-এর নাম। আর এই সিলিয়াম হাস্ক আর কিছুই নয়— আমাদের অতি পরিচিত ইসবগুলের ভুষি।

  • কেন প্রচলিত ‘ক্যারিয়ার পরামর্শ’ জেন জির ক্ষেত্রে ব্যর্থ হচ্ছে

    কেন প্রচলিত ‘ক্যারিয়ার পরামর্শ’ জেন জির ক্ষেত্রে ব্যর্থ হচ্ছে

    সম্ভবত এটাই আগামী দিনের কর্মজগতের নতুন বাস্তবতা, যেখানে সাফল্যের মাপকাঠি কেবল পদোন্নতি বা চাকরির দীর্ঘমেয়াদি নিশ্চয়তা নয়; বরং পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির সঙ্গে নিজেকে দ্রুত খাপ খাইয়ে নেওয়ার সক্ষমতা।

  • ওয়েট লিফটিং কেন নারীদের জন্য সেরা ব্যায়াম

    ওয়েট লিফটিং কেন নারীদের জন্য সেরা ব্যায়াম

    অনেকেই মনে করেন ওজন তুললে নারীরা পুরুষদের মতো পেশীবহুল ও চওড়া হয়ে যাবেন। তবে বিজ্ঞানী জে. ই. আর্প ও তার সহযোগীদের গবেষণা বলছে, পেশীর বৃদ্ধি অনেকাংশে নির্ভর করে টেস্টোস্টেরন নামক হরমোনের ওপর।