
যেকোনো সংগঠনের কাঠামো ও জ্যামিতি নিয়ে যাদের আগ্রহ আছে তারা জানেন, প্রচলিতভাবে কোম্পানির কাঠামো পিরামিডের মতো। এর মানে হলো নিচে অনেক কর্মী থাকেন, আর ওপরে একক শীর্ষ। তবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারের ফলে প্রতিষ্ঠানে কর্মীর প্রয়োজন কমে গেলে এই পিরামিড কাঠামো অতীত স্মৃতিতে পরিণত হতে পারে।

কোভিড মহামারি আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে, জীবন আর কাজের ভারসাম্য বলতে কী বোঝায়। আগে প্রশ্ন ছিল, ‘জীবনকে কীভাবে কাজের মধ্যে ফিট করাব?’ এখন পরিস্থিতি উল্টে গেছে। এখন বেশিরভাগ কর্মীরা কাজকে জীবনের মধ্যে ফিট করাতে চায়।

কনসালটেন্সি ম্যাককিনসির সাম্প্রতিক জরিপে দেখা যায়, গত এক বছরে এআই-এর প্রভাবে কোন কোন বিভাগে কর্মীসংখ্যা কীভাবে বদলেছে তা জানতে চাইলে ২২ শতাংশ প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, এইচআরে কর্মীসংখ্যা সবচেয়ে বেশি কমেছে।

সংহতি প্রকাশ করে এই আন্দোলনে যোগ দেন বরিশাল মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আফরোজা খানম নাসরিন এবং বাসদের জেলা সমন্বয়কারী মনীষা চক্রবর্তী।

পর্তুগালের বৃহত্তম ইউনিয়ন সিজিটিপির প্রধান, সংস্কারগুলোকে দেশের শ্রমিকদের ওপর চালানো সর্বকালের বৃহত্তম আক্রমণগুলোর একটি বলে অভিহিত করেছেন। ইউনিয়ন ১১ ডিসেম্বর সাধারণ ধর্মঘটের ঘোষণা দিয়েছে।

কর্মক্ষেত্রের কাঠামো যেমন বদলাবে, তেমনি পাল্টে যাবে শিক্ষার ধরনও। এর মানে শুধু এআই দিয়ে প্রভাবিত পেশাগুলো নিয়ে ভাবলেই চলবে না।