Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> জীবনচরচা

‘রিভার্স ভ্যাকেশন’ কেন দরকার

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ০৭ আগস্ট ২০২৬, ২১: ০০
‘রিভার্স ভ্যাকেশন’ কেন দরকার
বিলাসবহুল সুবিধাকে দূরে সরিয়ে উপভোগ করতে পারেন রিভার্স ভ্যাকেশন। ছবি: ম্যাগনেফিক

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভ্রমণ বিষয়ক একটি নতুন ট্রেন্ড এসেছে। ‘রিভার্স ভ্যাকেশন’।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

এই ধারণাটি প্রথমে একটি টুইটের মাধ্যমে ভাইরাল হয়। পরে তা ইনস্টাগ্রামেও ছড়িয়ে পড়ে। এতে ছুটিতে সমুদ্র সৈকতের পাশের বিলাসবহুল রিসোর্ট, ইনফিনিটি পুল বা বুফে নাশতায় টাকা খরচ না করে এমন একটি জায়গায় ভ্রমণে যাওয়ার কথা বলা হয়, যেখানে বাড়ির চেয়ে আরাম একটু কম পাওয়া যাবে।

এর দর্শনটি হলো, কিছু সময়ের জন্য নিজের প্রতিদিনের আরামের জীবন থেকে বেরিয়ে এলে তা নিয়ে নতুনভাবে ভাবার সুযোগ তৈরি হয়। এমনকি দৈনন্দিন জীবনে আমরা যে ছোট ছোট সুবিধাগুলো ভোগ করি, তার গুরুত্বও ভালোভাবে বোঝা যায়। একই সঙ্গে নিজের লক্ষ্য পূরণে নতুন করে আগ্রহ ও উৎসাহও ফিরে আসতে পারে।

কেউ এটাকে মজার ব্যাপার হিসেবে দেখছেন, আবার কারও কাছে এটি বেশ ‘অদ্ভুত’। তবে এর পেছনে একটা প্রশ্ন আছে— ইচ্ছাকৃতভাবে কষ্ট বা অস্বস্তিতে থাকলেই কি আমরা নিজেদের আরামের জায়গা থেকে বের হতে পারব?

Advertisement
Advertisement
Advertisement

বেঙ্গালুরুর এসপিএআরএসএইচ হাসপাতালের মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. আশা এই ধারণার সঙ্গে কিছুটা একমত।

আশা বলেন, “নিজের পছন্দ ও সিদ্ধান্তের বিষয়ে সচেতন থেকে কিছু সময় সহজভাবে জীবনযাপন করলে মানুষ প্রতিদিনের ছোট ছোট সুবিধার মূল্য আরও ভালোভাবে বুঝতে পারে। এতে মানসিকভাবে আরও শক্ত হওয়া সম্ভব। সবসময় আরাম ও সুবিধার ওপর নির্ভর না করলে মানুষ নতুন কিছু শিখতে পারে, বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করতে পারে এবং আধুনিক জীবনের সুবিধাগুলোর ওপর সে কতটা নির্ভরশীল, তা বুঝতে পারে।”

এই বিশেষজ্ঞের মতে, এমন অভিজ্ঞতা মানুষকে কৃতজ্ঞ হতে শেখায় এবং সবকিছু পাওয়াকে নিজের অধিকার মনে করার প্রবণতা কমাতে সাহায্য করে। তবে এর জন্য মানুষের মানসিকতাও ঠিক থাকতে হবে। তিনি বলেন, “যখন কোনো ব্যক্তি এই অভিজ্ঞতাকে শাস্তি বা প্রতিযোগিতা হিসেবে না দেখে আত্ম-পর্যালোচনার সুযোগ হিসেবে দেখে, কেবল তখনই তা তার বিকাশে সহায়তা করে।”

রিভার্স ভ্যাকেশনে নিজেকে নতুন করে খুঁজে পেতে পারেন। ছবি: পেক্সেল ডট কম
রিভার্স ভ্যাকেশনে নিজেকে নতুন করে খুঁজে পেতে পারেন। ছবি: পেক্সেল ডট কম

জাপান ও থাইল্যান্ডে ‘কফিনে শুয়ে থাকার’ একটি ট্রেন্ড দেখা গিয়েছিল। এর উদ্দেশ্য ছিল মানুষকে মৃত্যুর কথা ভাবতে এবং জীবনের মূল্য আরও ভালোভাবে বুঝতে সাহায্য করা। জীবনের গুরুত্ব বোঝার জন্য মানুষ যদি স্বেচ্ছায় কফিনে শুয়ে থাকার মতো বিষয়কেও ট্রেন্ড বানাতে পারে, তাহলে ইচ্ছা করে একটু অস্বস্তিকর জায়গায় ছুটি কাটানোর ধারণাটাও হয়তো এতটা অদ্ভূত বা খারাপ নয়।

এখানে এমন কোনো জায়গা বেছে নেওয়ার কথা বলা হচ্ছে না, যেটা আসলেই থাকার অযোগ্য। বরং এমন কিছু অভিজ্ঞতা নেওয়ার কথা বলা হচ্ছে, যা একটু কম আরামদায়ক। এতে প্রতিদিনের জীবনের ছোট ছোট সুবিধাগুলোর মূল্য আরও ভালোভাবে বোঝা যায়।

তাহলে রিভার্স ভ্যাকেশন বলতে ঠিক কী বোঝায়?

সবাই ছুটিতে গিয়ে বেশি আরামে থাকার চেষ্টা করেন। কিন্তু ‘রিভার্স ভ্যাকেশন’ ঠিক তার উল্টো।

দূরের কোনো গ্রাম। পাহাড়ের সাধারণ কোনো হোমস্টে। শহরের বাইরে ছোট কোনো কেবিন।

মূলত, বিলাসিতা নয়, শুধু প্রয়োজনীয় সুবিধা আছে, এমন কোনো জায়গা বেছে নেওয়া। যেখানে সহজে খাবার সরবরাহের সুবিধা নেই, কাপড় ধোয়ার ব্যবস্থা নেই, এমনকি ভালো বাথরুমের সুবিধাও নেই।

তবে এই ব্যাপারটি না বুঝেই শুধু অন্যদের দেখে অনুসরণ করলে সমস্যা হতে পারে। অবাস্তব আশা থেকে মানুষ অপ্রয়োজনীয় চাপ ও অস্বস্তির সম্মুখীন হতে পারে। আবার যাদের জীবনে সত্যিই সুযোগ-সুবিধা কম, তাদের কষ্টকে নিজের শখের পরীক্ষা হিসেবে নেওয়াও ঠিক নয়। তাই এমন কিছু করার ক্ষেত্রে সচেতন থাকা জরুরি।”

ভ্রমণ অনেক সময় মানুষের জীবনে পরিবর্তন আনে। এর মাধ্যমে কেউ নিজেকে নতুন করে চিনতে পারে, দুঃখ কাটিয়ে উঠতে পারে বা পুরনো স্মৃতি আরও ভালোভাবে মনে রাখতে পারে। এসব অভিজ্ঞতা জীবনে ভালো পরিবর্তন আনতে পারে।

রিভার্স ভ্যাকেশনে জীবন পুরোপুরি বদলে যাবে না। তবে খুব সম্ভবত এটি আপনাকে আরামের জায়গা থেকে বের করে বাস্তবতা উপলব্ধি করাতে সাহায্য করবে।

তথ্যসূত্র: ইন্ডিয়া টুডে

বিষয়: ছুটিগ্রামপাহাড়সমুদ্র সৈকতজীবনধারালাইফস্টাইলজীবনভ্রমণমানসিক স্বাস্থ্য
সর্বশেষ
  • ১

    মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

  • ২

    তিন দিনে ২৬ হাজার গ্রাহক ১ হাজার ৪০ কোটি টাকা তুলেছেন

  • ৩

    ফিলিপাইনে যাত্রীবাহী ফেরিতে আগুনে নিহত ৫, নিখোঁজ ৮০ জনের বেশি

  • ৪

    বাংলাদেশ থেকে ১০ হাজার কর্মী নেবে ওমান: শামা ওবায়েদ

  • ৫

    হামের নজিরবিহীন প্রাদুর্ভাবে বিপর্যস্ত বাংলাদেশ: রয়টার্স

সম্পর্কিত
  • কীভাবে বুঝবেন আপনি গরিব?

    কীভাবে বুঝবেন আপনি গরিব?

    নিয়মিত বেতন পেয়ে মোটামুটি ভালোভাবে জীবনযাপন করলেও কিন্তু আর্থিক সমস্যা থাকতে পারে। আপনি দৈনন্দিন বিলগুলো হয়তো পরিশোধ করতে পারছেন, কিন্তু হুট করে বড় কোনো খরচ এসে পড়লে সমস্যায় পড়ে যান। তবে এসব লক্ষণ থাকলেই কাউকে গরিব বলা যায় না। এতে বোঝা যায় যে আপনি আর্থিকভাবে চাপে আছেন।

  • ইসবগুলের ভুষি কি আসলেই ওজেম্পিকের বিকল্প?

    ইসবগুলের ভুষি কি আসলেই ওজেম্পিকের বিকল্প?

    তারা সস্তা ও প্রেসক্রিপশন ছাড়া পাওয়া যাবে এমন কিছু জিনিস নিয়ে প্রচার চালাচ্ছেন, যা নাকি ওজেম্পিকের মতো দ্রুত কমাতে পারে। এই তালিকায় সাম্প্রতিক সময় সবচেয়ে বেশি শোনা গেছে ‘সিলিয়াম হাস্ক’-এর নাম। আর এই সিলিয়াম হাস্ক আর কিছুই নয়— আমাদের অতি পরিচিত ইসবগুলের ভুষি।

  • কেন প্রচলিত ‘ক্যারিয়ার পরামর্শ’ জেন জির ক্ষেত্রে ব্যর্থ হচ্ছে

    কেন প্রচলিত ‘ক্যারিয়ার পরামর্শ’ জেন জির ক্ষেত্রে ব্যর্থ হচ্ছে

    সম্ভবত এটাই আগামী দিনের কর্মজগতের নতুন বাস্তবতা, যেখানে সাফল্যের মাপকাঠি কেবল পদোন্নতি বা চাকরির দীর্ঘমেয়াদি নিশ্চয়তা নয়; বরং পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির সঙ্গে নিজেকে দ্রুত খাপ খাইয়ে নেওয়ার সক্ষমতা।

  • ওয়েট লিফটিং কেন নারীদের জন্য সেরা ব্যায়াম

    ওয়েট লিফটিং কেন নারীদের জন্য সেরা ব্যায়াম

    অনেকেই মনে করেন ওজন তুললে নারীরা পুরুষদের মতো পেশীবহুল ও চওড়া হয়ে যাবেন। তবে বিজ্ঞানী জে. ই. আর্প ও তার সহযোগীদের গবেষণা বলছে, পেশীর বৃদ্ধি অনেকাংশে নির্ভর করে টেস্টোস্টেরন নামক হরমোনের ওপর।