Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> জীবনচরচা

সিসমোফোবিয়া কী, কাটাবেন কীভাবে

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ২৭ নভেম্বর ২০২৫, ১৮: ৪৬
সিসমোফোবিয়া কী, কাটাবেন কীভাবে

ভূমিকম্প শব্দটি এখন অনেকের জন্যই আতঙ্কের কারণ। বাংলাদেশে মাঝেমধ্যেই অনুভূত হওয়া ভূকম্পন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া খবর বা অতীতের তিক্ত অভিজ্ঞতা বা ভবিষ্যত নিয়ে শঙ্কা—সব মিলিয়ে অনেক মানুষই ভূমিকম্প-ভীতি বা সিসমোফোবিয়ায় ভুগছেন। এটি এক ধরনের নির্দিষ্ট ফোবিয়া যেখানে ভূমিকম্পের আশঙ্কা, শব্দ বা সামান্য কাঁপুনির চিন্তাও অতিরঞ্জিত ভয়ের জন্ম দেয়।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

ভয়টি বাস্তব মনে হলেও, সঠিক উপায়ে মোকাবিলা করলে সিসমোফোবিয়া অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা যায়।

ভয়কে বোঝা প্রথম ধাপ

সিসমোফোবিয়া অযৌক্তিক মনে হতে পারে, কিন্তু এর পেছনের আবেগ একেবারে বাস্তব।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

অনেক ক্ষেত্রে এই ভয়ের উৎস হলো-

  • পূর্বের কোনো ভূমিকম্পের অভিজ্ঞতা
  • পরিবার বা পরিচিতজনের ট্রমা বা তাদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা
  • সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আতঙ্ক–সৃষ্টি
  • অতিরিক্ত খবর দেখা
  • নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলার ভয়

ভয়কে অস্বীকার না করে এটিকে স্বীকার করুন। ‘হ্যাঁ, আমি ভয় পাচ্ছি এবং এটা স্বাভাবিক।’ তাই ভয়কে গ্রহণ করাই তাকে মোকাবিলার প্রথম ধাপ।

ভূমিকম্পের ব্যাপারে ভুল তথ্য মানুষকে আরও ভীত করে তোলে। ছবি: ফ্রিপিক
ভূমিকম্পের ব্যাপারে ভুল তথ্য মানুষকে আরও ভীত করে তোলে। ছবি: ফ্রিপিক

সঠিক তথ্য নেওয়া

ভূমিকম্পের ব্যাপারে ভুল তথ্য মানুষকে আরও ভীত করে তোলে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, ভূমিকম্পের পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব নয়। বেশির ভাগ কম্পন খুবই হালকা এবং ক্ষতিকর নয়। ভবনের নিরাপত্তা সংক্রান্ত নিয়ম মানা হলে বড় ক্ষতির ঝুঁকি কমে। বিশ্বস্ত উৎস থেকে তথ্য নিলে আতঙ্ক কমে যায়। গুজবমুক্ত, যাচাই করা তথ্যই মনের ভয়কে ধীরে ধীরে কমিয়ে আনে।

পরিকল্পনা করুন

নিরাপত্তার প্রস্তুতি মানসিক শক্তি বাড়ায়। যেমন, ভূমিকম্প হলে দরজার পাশে না দাঁড়ানো, জানালা ও কাঁচ থেকে দূরে থাকা, মাথা রক্ষা করতে টেবিল বা খাটের নিচে ঢোকা, জরুরি ব্যাগ প্রস্তুত রাখা ইত্যাদি। ‘আমি প্রস্তুত’, এমন অনুভূতি এনে ভয়কে অনেক কমিয়ে দেয়।

শরীর-মনকে শান্ত করতে সহজ ব্যায়াম

আতঙ্কের সময় শরীরে কর্টিসল বেড়ে যায়, শ্বাস দ্রুত হয়, হাত কাঁপে। সেগুলো কমাতে সাহায্য করতে পারে হলো-

ডিপ ব্রিদিং: ৪ সেকেন্ডে শ্বাস নিন, ৫–৬ সেকেন্ডে ছাড়ুন।

গ্রাউন্ডিং টেকনিক: আশপাশের ৫টি জিনিস দেখুন, ৪টি স্পর্শ করুন, ৩টি শব্দ শুনুন। এই পদ্ধতিতে মস্তিষ্ক বাস্তবে ফিরে আসে।

প্রগ্রেসিভ মাসল রিল্যাক্সেশন: শরীরের বিভিন্ন পেশি শক্ত করে আবার ঢিলা করুন।

এগুলো নিয়মিত করতে পারলে আতঙ্কের তীব্রতা কমে।

নির্দিষ্ট সময়ে খবর দেখার অভ্যাস

বারবার ভূমিকম্প-সংক্রান্ত খবর দেখা ভয়কে আরও জোরালো করে। দিনে নির্দিষ্ট সময়েই খবর দেখার অভ্যাস করুন। এলোমেলো আপডেট এড়িয়ে চললে মস্তিষ্কের অযথা ‘থ্রেট সিগন্যাল’ কমে যায়।

ভূমিকম্প সম্পর্কে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হওয়া

এটি মনস্তাত্ত্বিকভাবে কার্যকর একটি উপায়। প্রথমে ভূমিকম্প নিয়ে হালকা পড়াশোনা করা। এরপর ভিডিও দেখা। মৃদু কম্পন কেমন অনুভূত হয় জানতে শেখা এ ধরনের অভ্যাস ধীরে ধীরে ভয়কে মস্তিষ্কে ‘স্বাভাবিক’ হিসেবে লিপিবদ্ধ করে।

সাপোর্ট সিস্টেম তৈরি করুন

ভয়ের মুহূর্তে কাউকে পাশে পাওয়া দারুণ কাজ করে। বন্ধু, পরিবার বা বিশ্বস্ত কারও সঙ্গে নিজের অনুভূতি ভাগ করে নিন। কেউ ভয় পাচ্ছে মানে তিনি দুর্বল-এই ধারণা ভুল। বরং ভয় থাকা মানে আপনি নিরাপত্তাবোধকে গুরুত্ব দেন।

ভয় আপনার জীবন ব্যাহত করলে পেশাদার সহায়তা নিন

যদি বারবার প্যানিক অ্যাটাক হয়, রাতে ঘুম ভেঙে যায়, হালকা কম্পনেও ভারী আতঙ্ক হয়, দৈনন্দিন কাজ করতে অসুবিধা হয়, তাহলে সাইকোলজিস্টের সহায়তা নিন। কগনিটিভ বিহেভিয়ারাল থেরাপি (CBT) ও উদ্বেগ নিয়ন্ত্রণ কৌশল সিসমোফোবিয়ায় খুবই কার্যকর।

ভূমিকম্পের ভয় একেবারে প্রাকৃতিক। কিন্তু এই ভয় নিয়ে যদি আপনার স্বাভাবিক জীবনে বাজেভাবে প্রভাব ফেলে, তাহলে তা মোকাবিলা করতে হবে। তথ্য, প্রস্তুতি, শরীর-মনের যত্ন এবং প্রয়োজন হলে পেশাদার সহায়তার মাধ্যমে সিসমোফোবিয়া থেকে বেরিয়ে আসা সম্ভব। ভূমিকম্পকে আপনি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন না। কিন্তু আপনার ভয়কে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।

তথ্যসূত্র: রেডউড কোস্ট সুনামি ওয়ার্কগ্রুপ

বিষয়: বাংলাদেশমানসিক স্বাস্থ্যভূমিকম্পজীবনধারাটিপসলাইফস্টাইল
সর্বশেষ
  • ১

    এশিয়া কাপ: শিরোপায় চোখ রেখে বাংলাদেশের ‘ভারত পরীক্ষা’

  • ২

    সিএমএসএমই খাতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনআরবি ব্যাংকের চুক্তি

  • ৩

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ৪

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৫

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

সম্পর্কিত
  • কীভাবে বুঝবেন আপনি গরিব?

    কীভাবে বুঝবেন আপনি গরিব?

    নিয়মিত বেতন পেয়ে মোটামুটি ভালোভাবে জীবনযাপন করলেও কিন্তু আর্থিক সমস্যা থাকতে পারে। আপনি দৈনন্দিন বিলগুলো হয়তো পরিশোধ করতে পারছেন, কিন্তু হুট করে বড় কোনো খরচ এসে পড়লে সমস্যায় পড়ে যান। তবে এসব লক্ষণ থাকলেই কাউকে গরিব বলা যায় না। এতে বোঝা যায় যে আপনি আর্থিকভাবে চাপে আছেন।

  • ইসবগুলের ভুষি কি আসলেই ওজেম্পিকের বিকল্প?

    ইসবগুলের ভুষি কি আসলেই ওজেম্পিকের বিকল্প?

    তারা সস্তা ও প্রেসক্রিপশন ছাড়া পাওয়া যাবে এমন কিছু জিনিস নিয়ে প্রচার চালাচ্ছেন, যা নাকি ওজেম্পিকের মতো দ্রুত কমাতে পারে। এই তালিকায় সাম্প্রতিক সময় সবচেয়ে বেশি শোনা গেছে ‘সিলিয়াম হাস্ক’-এর নাম। আর এই সিলিয়াম হাস্ক আর কিছুই নয়— আমাদের অতি পরিচিত ইসবগুলের ভুষি।

  • কেন প্রচলিত ‘ক্যারিয়ার পরামর্শ’ জেন জির ক্ষেত্রে ব্যর্থ হচ্ছে

    কেন প্রচলিত ‘ক্যারিয়ার পরামর্শ’ জেন জির ক্ষেত্রে ব্যর্থ হচ্ছে

    সম্ভবত এটাই আগামী দিনের কর্মজগতের নতুন বাস্তবতা, যেখানে সাফল্যের মাপকাঠি কেবল পদোন্নতি বা চাকরির দীর্ঘমেয়াদি নিশ্চয়তা নয়; বরং পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির সঙ্গে নিজেকে দ্রুত খাপ খাইয়ে নেওয়ার সক্ষমতা।

  • ওয়েট লিফটিং কেন নারীদের জন্য সেরা ব্যায়াম

    ওয়েট লিফটিং কেন নারীদের জন্য সেরা ব্যায়াম

    অনেকেই মনে করেন ওজন তুললে নারীরা পুরুষদের মতো পেশীবহুল ও চওড়া হয়ে যাবেন। তবে বিজ্ঞানী জে. ই. আর্প ও তার সহযোগীদের গবেষণা বলছে, পেশীর বৃদ্ধি অনেকাংশে নির্ভর করে টেস্টোস্টেরন নামক হরমোনের ওপর।