Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> জীবনচরচা

টানা ৩ দিন স্মার্টফোন ব্যবহার না করলে মস্তিষ্কে যে প্রভাব পড়ে

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ২০ নভেম্বর ২০২৫, ১৮: ৪১
টানা ৩ দিন স্মার্টফোন ব্যবহার না করলে মস্তিষ্কে যে প্রভাব পড়ে

আজকের জীবনে স্মার্টফোন শুধু যোগাযোগ নয়, বিনোদন, কাজ, অভ্যাস-সব কিছুর কেন্দ্রবিন্দু। তাই টানা তিন দিন ফোন ছাড়া থাকা অনেকের কাছেই অদ্ভুত বা অসম্ভব মনে হয়। কিন্তু তিন দিনের এই ছোট্ট বিরতিতেই মস্তিষ্কে এমন কিছু সূক্ষ্ণ কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন শুরু হয়, যা মানুষকে ডিজিটাল চাপ থেকে সাময়িকভাবে মুক্ত হতে সাহায্য করে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

কম্পিউটারস ইন হিউম্যান বিহেভিয়ার-এ প্রকাশিত একটি সাম্প্রতিক গবেষণায় ঠিক এই বিষয়টিই অনুসন্ধান করা হয়েছে। গবেষণা পত্রে ২৫ জন প্রাপ্তবয়স্ক তরুণ স্মার্টফোন ব্যবহারকারীর ওপর ৭২ ঘণ্টা ধরে স্মার্টফোন সীমাবদ্ধতার প্রভাব সম্পর্কে বলা হয়েছে। সেখানে দেখা যায় তিন দিন স্মার্টফোন ব্যবহার না করলে মস্তিষ্কের রিওয়ার্ড রিলেটেড রিজিওনাল এরিয়ায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয়।

মুম্বাইয়ের কোকিলাবেন ধীরুভাই আম্বানি হাসপাতাল-এর মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. শৌনক অজিঙ্ক্য বলেন, “এটি আপনার মস্তিষ্ককে পুনরায় সেট করার, মনোযোগ বৃদ্ধি করার এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্যের উন্নতির একটি শক্তিশালী উপায়। ডিজিটাল ডিভাইস থেকে নিয়মিত বিরতি বাস্তব বিশ্বের সম্পর্ক এবং মানসিক বুদ্ধিমত্তা উন্নত করতে পারে কারণ মানুষ ‘নন-ভার্বাল রি অ্যাকশনের’ সঙ্গে আরও বেশি করে মানিয়ে নেয়। এবং পাশাপাশি শ্রবণ দক্ষতার বিকাশ ঘটে।”

প্রথম দিনে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন আসে মনের অস্থিরতা থেকে। স্মার্টফোনের প্রতিনিয়ত নোটিফিকেশন, পিং, মেসেজ- এসব আমাদের মস্তিষ্ককে এক ধরনের ‘অঘোষিত সতর্কতা অবস্থায়’ রাখে। ফোন হাতে না থাকলে অথবা ব্যবহার বন্ধ করলে এই সতর্কতা হঠাৎ কমে যায়। কিন্তু একই সঙ্গে মস্তিষ্ক এক ধরনের উইথড্রয়ালের মতো প্রতিক্রিয়া দেখায়। বারবার হাত ফোন খোঁজে, মনে হয় কিছু একটা মিস হয়ে যাচ্ছে। এটাকে বলে ‘ফ্যানটম ভাইব্রেশন সিনড্রোম’। মানুষ মনে করতে থাকে ফোন ভাইব্রেট করছে, যদিও ফোন তার কাছে নেই। প্রথম দিনের এই অস্থিরতা প্রমাণ করে আমাদের ডোপামিন সিস্টেম ফোনের উত্তেজনায় কতটা অভ্যস্ত।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

দ্বিতীয় দিনে আসে মস্তিষ্কের ডোপামিন রিসেটিং প্রক্রিয়ার শুরু। সোশ্যাল মিডিয়া, রিলস, ছোট ভিডিও, স্ক্রলিং- এসব তাৎক্ষণিক আনন্দ বা পুরস্কারের অনুভূতি তৈরি করে। ফোন ব্যবহার বন্ধ করলে এই ছোট ছোট ‘ডোপামিন হিট’ বন্ধ হয়ে যায়। ফলে মানুষ ক্লান্ত, একটু বিরক্ত বা মনখারাপ অনুভব করতে পারে। তবে একই সময়ে মস্তিষ্ক স্বাভাবিক কাজকর্মে মনোযোগ ফিরিয়ে আনতে শুরু করে। গবেষণা বলছে, দ্বিতীয় দিন থেকেই মনোযোগের স্থায়িত্ব অল্প অল্প বাড়ে, কারণ মস্তিষ্ক আর দ্রুত উত্তেজনা খোঁজার অভ্যাসে থাকে না। কাজের প্রতি বা বই পড়ার প্রতি মনোযোগ বাড়তে শুরু করে।

প্রথম দিনে স্মার্টফোন ব্যবহার না করলে মস্তিষ্ক এক ধরনের উইথড্রয়ালের মতো প্রতিক্রিয়া দেখায়।
প্রথম দিনে স্মার্টফোন ব্যবহার না করলে মস্তিষ্ক এক ধরনের উইথড্রয়ালের মতো প্রতিক্রিয়া দেখায়।

তৃতীয় দিনে আসে সবচেয়ে লক্ষণীয় মানসিক পরিবর্তন। মস্তিষ্কের শান্ত স্থিতি। নোটিফিকেশনের ক্রমাগত চাপ কমে গিয়ে মস্তিষ্ক তার প্রাকৃতিক ছন্দে চলতে শুরু করে। এই সময় মানুষ প্রায়ই অনুভব করে-মনটা যেন একটু হালকা, মাথায় যেন চাপ কম আছে। ঘুমও তুলনামূলক ভালো হয়, কারণ রাতে স্ক্রলিং বা ব্লু-লাইটের বিরক্তি থাকে না। অনেকেই বলেন, মাথা পরিষ্কার লাগে, নিজের চিন্তা, সমস্যার সমাধান এবং পরিকল্পনা করতে সুবিধা হয়। এই তিন দিনে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন হলো- মস্তিষ্ক নিষ্ক্রিয় নয় বরং বিরামহীন চাপ থেকে মুক্ত হয়।

এছাড়া সামাজিক আচরণেরও সূক্ষ্ণ বদল দেখা যায়। ফোন না থাকায় মানুষ দীর্ঘ সময় কথোপকথন ধরে রাখতে পারে, পারিপার্শ্বিক জিনিসে মনোযোগ দিতে পারে। চোখের সামনে থাকা মানুষগুলোর সঙ্গে সংযোগ একটু গভীর হয়। মস্তিষ্ক ধীরে ধীরে বুঝতে শুরু করে-দূর থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া নয়, মানুষের মাঝে থেকে বাস্তব উপস্থিতিই আসলে কতটা শান্তি দেয়।

সব মিলিয়ে, টানা তিন দিন স্মার্টফোন ছাড়া থাকা মস্তিষ্কে একটি ছোট কিন্তু শক্তিশালী ‘রিবুট’ হয়। যদিও অভ্যাস ভাঙার জন্য এটি খুব দীর্ঘ সময় নয়, তবুও এই তিন দিনে মানুষ বুঝতে পারে- মস্তিষ্ককে একটু ছুটি দিলে সেটি কত দ্রুত তার স্বাভাবিক ছন্দে ফিরে আসে।

তথ্যসূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

বিষয়: স্মার্টফোনমানসিক স্বাস্থ্যমস্তিষ্কজীবনধারাস্মার্ট ফোনলাইফস্টাইল
সর্বশেষ
  • ১

    ই-সিগারেটসহ নতুন তামাকপণ্য ব্যবহারকারী সাড়ে ৫% তরুণ: গবেষণার ফল

  • ২

    খুলনা বিভাগে হাম-ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যু

  • ৩

    নির্বাচনের আগে যুদ্ধ থামবে না, তেলের দামও কমবে না: ট্রাম্প

  • ৪

    মায়ের শেষকৃত্যে অংশ নিতে প্যারোলে মুক্তি পেলেন চিন্ময় কৃষ্ণ

  • ৫

    সাংবাদিকদের দমনের উদ্দেশ্যে কোনো আইন করা হচ্ছে না: তথ্যমন্ত্রী

সম্পর্কিত
  • কীভাবে বুঝবেন আপনি গরিব?

    কীভাবে বুঝবেন আপনি গরিব?

    নিয়মিত বেতন পেয়ে মোটামুটি ভালোভাবে জীবনযাপন করলেও কিন্তু আর্থিক সমস্যা থাকতে পারে। আপনি দৈনন্দিন বিলগুলো হয়তো পরিশোধ করতে পারছেন, কিন্তু হুট করে বড় কোনো খরচ এসে পড়লে সমস্যায় পড়ে যান। তবে এসব লক্ষণ থাকলেই কাউকে গরিব বলা যায় না। এতে বোঝা যায় যে আপনি আর্থিকভাবে চাপে আছেন।

  • ইসবগুলের ভুষি কি আসলেই ওজেম্পিকের বিকল্প?

    ইসবগুলের ভুষি কি আসলেই ওজেম্পিকের বিকল্প?

    তারা সস্তা ও প্রেসক্রিপশন ছাড়া পাওয়া যাবে এমন কিছু জিনিস নিয়ে প্রচার চালাচ্ছেন, যা নাকি ওজেম্পিকের মতো দ্রুত কমাতে পারে। এই তালিকায় সাম্প্রতিক সময় সবচেয়ে বেশি শোনা গেছে ‘সিলিয়াম হাস্ক’-এর নাম। আর এই সিলিয়াম হাস্ক আর কিছুই নয়— আমাদের অতি পরিচিত ইসবগুলের ভুষি।

  • কেন প্রচলিত ‘ক্যারিয়ার পরামর্শ’ জেন জির ক্ষেত্রে ব্যর্থ হচ্ছে

    কেন প্রচলিত ‘ক্যারিয়ার পরামর্শ’ জেন জির ক্ষেত্রে ব্যর্থ হচ্ছে

    সম্ভবত এটাই আগামী দিনের কর্মজগতের নতুন বাস্তবতা, যেখানে সাফল্যের মাপকাঠি কেবল পদোন্নতি বা চাকরির দীর্ঘমেয়াদি নিশ্চয়তা নয়; বরং পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির সঙ্গে নিজেকে দ্রুত খাপ খাইয়ে নেওয়ার সক্ষমতা।

  • ওয়েট লিফটিং কেন নারীদের জন্য সেরা ব্যায়াম

    ওয়েট লিফটিং কেন নারীদের জন্য সেরা ব্যায়াম

    অনেকেই মনে করেন ওজন তুললে নারীরা পুরুষদের মতো পেশীবহুল ও চওড়া হয়ে যাবেন। তবে বিজ্ঞানী জে. ই. আর্প ও তার সহযোগীদের গবেষণা বলছে, পেশীর বৃদ্ধি অনেকাংশে নির্ভর করে টেস্টোস্টেরন নামক হরমোনের ওপর।