চরচা প্রতিবেদক

স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসার এমপিও বাস্তবায়ন ও বকেয়া বেতন ছাড়ের দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আমরণ অনশন করছেন আন্দোলনকারী শিক্ষকরা। গতকাল রোববার সকাল থেকে তাদের এই অনশন কর্মসূচি শুরু হয়।
আজ সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অনুদানভুক্ত স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা শিক্ষক কল্যাণ কমিটির ব্যানারে চলমান এ কর্মসূচির ২২তম দিনে শিক্ষকদের দাবি তুলে ধরা হয়। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আমরণ অনশনসহ চলমান কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।
সংগঠনের সভাপতি মাওলানা শামসুল হক আকন্দ বলেন, “জাতীয়করণের ঘোষণা ও বিভিন্ন আশ্বাস দেওয়া হলেও বাস্তবায়নে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। ফলে হাজারো শিক্ষক মানবেতর জীবনযাপন করছেন।”
২০২৫ সালের নীতিমালা অনুযায়ী যাচাই-বাছাই করা প্রতিষ্ঠানগুলোর এমপিও দ্রুত বাস্তবায়ন এবং অনুমোদিত পদে কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীদের বকেয়া বেতন-ভাতা অবিলম্বে পরিশোধ করার দাবি জানান তিনি।
সাংগঠনিক সম্পাদক মনির হোসেন জানান, গত বছরের নীতিমালা অনুযায়ী যাচাই-বাছাই সম্পন্ন হলেও এখনো এমপিও কার্যক্রম বাস্তবায়ন হয়নি। একইসঙ্গে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের অনুমোদিত শূন্য পদে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের গত বছরের জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের জুন পর্যন্ত বেতন-ভাতা ছাড় করা হয়নি।
মনির হোসেনের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসাগুলো অবহেলার মধ্যে রয়েছে। মাদরাসাগুলো বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে স্বীকৃতি ও নিবন্ধনপ্রাপ্ত হলেও শিক্ষকরা নিয়মিত বেতন-ভাতা, উৎসব ভাতা এবং অন্যান্য আর্থিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
আন্দোলনকারীদের দাবিগুলো হলো–
১. ২০২৫ সালের নীতিমালা অনুযায়ী যাচাই-বাছাই করা অনুদানভুক্ত স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসাগুলোর এমপিও দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে।
২. শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ কর্তৃক অনুমোদিত শূন্য পদে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত বকেয়া বেতন-ভাতা অনতিবিলম্বে ছাড় করতে হবে।
৩. বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের স্বীকৃত ও নিবন্ধিত স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসাগুলোকে জাতীয়করণ বা সরকারি সুবিধার আওতায় আনার ঘোষণা বাস্তবায়ন করতে হবে।
৪. স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের নিয়মিত বেতন-ভাতা, উৎসব ভাতা ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।
৫. দীর্ঘদিন ধরে বঞ্চিত শিক্ষক-কর্মচারীদের ন্যায্য অধিকার ও চাকরির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসার এমপিও বাস্তবায়ন ও বকেয়া বেতন ছাড়ের দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আমরণ অনশন করছেন আন্দোলনকারী শিক্ষকরা। গতকাল রোববার সকাল থেকে তাদের এই অনশন কর্মসূচি শুরু হয়।
আজ সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অনুদানভুক্ত স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা শিক্ষক কল্যাণ কমিটির ব্যানারে চলমান এ কর্মসূচির ২২তম দিনে শিক্ষকদের দাবি তুলে ধরা হয়। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আমরণ অনশনসহ চলমান কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।
সংগঠনের সভাপতি মাওলানা শামসুল হক আকন্দ বলেন, “জাতীয়করণের ঘোষণা ও বিভিন্ন আশ্বাস দেওয়া হলেও বাস্তবায়নে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। ফলে হাজারো শিক্ষক মানবেতর জীবনযাপন করছেন।”
২০২৫ সালের নীতিমালা অনুযায়ী যাচাই-বাছাই করা প্রতিষ্ঠানগুলোর এমপিও দ্রুত বাস্তবায়ন এবং অনুমোদিত পদে কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীদের বকেয়া বেতন-ভাতা অবিলম্বে পরিশোধ করার দাবি জানান তিনি।
সাংগঠনিক সম্পাদক মনির হোসেন জানান, গত বছরের নীতিমালা অনুযায়ী যাচাই-বাছাই সম্পন্ন হলেও এখনো এমপিও কার্যক্রম বাস্তবায়ন হয়নি। একইসঙ্গে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের অনুমোদিত শূন্য পদে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের গত বছরের জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের জুন পর্যন্ত বেতন-ভাতা ছাড় করা হয়নি।
মনির হোসেনের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসাগুলো অবহেলার মধ্যে রয়েছে। মাদরাসাগুলো বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে স্বীকৃতি ও নিবন্ধনপ্রাপ্ত হলেও শিক্ষকরা নিয়মিত বেতন-ভাতা, উৎসব ভাতা এবং অন্যান্য আর্থিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
আন্দোলনকারীদের দাবিগুলো হলো–
১. ২০২৫ সালের নীতিমালা অনুযায়ী যাচাই-বাছাই করা অনুদানভুক্ত স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসাগুলোর এমপিও দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে।
২. শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ কর্তৃক অনুমোদিত শূন্য পদে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত বকেয়া বেতন-ভাতা অনতিবিলম্বে ছাড় করতে হবে।
৩. বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের স্বীকৃত ও নিবন্ধিত স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসাগুলোকে জাতীয়করণ বা সরকারি সুবিধার আওতায় আনার ঘোষণা বাস্তবায়ন করতে হবে।
৪. স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের নিয়মিত বেতন-ভাতা, উৎসব ভাতা ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।
৫. দীর্ঘদিন ধরে বঞ্চিত শিক্ষক-কর্মচারীদের ন্যায্য অধিকার ও চাকরির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

মোনায়েম মুন্না বলেন, “প্রত্যেক নেতা-কর্মীদের রাজপথের ত্যাগ ও সংগ্রামকে আমরা মুল্যায়ন করেছি। আগের কমিটির প্রায় ১১৪ জনকে আমরা এই কমিটিতে রেখেছি। আমরা তাদের রাজপথের লড়াই ও অবদানকে স্বীকার করেছি, বিবেচনায় নিয়েছি। আরও কয়েকজন ত্যাগী নেতাদের আমরা জায়গায় দিতে পারিনি।”