চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে নেশার টাকার জন্য মাকে মারধর এবং বাড়িঘর ভাংচুরের ঘটনায় এক তরুণকে আটকের পর ৯ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত।
বাঁশখালী উপজেলার শীলকূপ ইউনিয়নের মুলকির চর এলাকার বাসিন্দা মো. শহীদুল্লাহ (১৯) নেশার টাকার জন্য প্রায়ই তার বাড়ির বিভিন্ন আসবাব ভাংচুর করতো এবং তার মাকে মারধর করতো। তার কার্যক্রমে পরিবারের সদস্যরা এবং স্থানীয় লোকজন অতিষ্ঠ ছিল।
মায়ের অভিযোগ পেয়ে স্থানীয় লোকজন শহীদুল্লাহকে আটক করে এবং রোববার রাতে বাঁশখালী উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ওমর সানি আকনের কার্যালয়ে নিয়ে যায়।
অভিযুক্তের মায়ের বক্তব্য এবং সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে সহকারী কমিশনার (ভূমি) পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত শহীদুল্লাহ্কে ৯ মাসের কারাদণ্ড দেন।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) ওমর সানি আকন বলেন, “তার মা অভিযোগ নিয়ে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের কাছে যান। পরে তিনি আমাদের কাছেও অভিযোগ নিয়ে আসেন। স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে আটক করা হয়।”
ভ্রাম্যমান আদালতের কাছে অভিযুক্তের মা নিজে উপস্থিত হয়ে ছেলের অপরাধের বিবরণ দেন। তিনি জানান, নেশার টাকা জোগাড় করতে তার ছেলে নিয়মিত মোবাইল ফোন চুরি করত এবং মাকে মারধর করতো।

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে নেশার টাকার জন্য মাকে মারধর এবং বাড়িঘর ভাংচুরের ঘটনায় এক তরুণকে আটকের পর ৯ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত।
বাঁশখালী উপজেলার শীলকূপ ইউনিয়নের মুলকির চর এলাকার বাসিন্দা মো. শহীদুল্লাহ (১৯) নেশার টাকার জন্য প্রায়ই তার বাড়ির বিভিন্ন আসবাব ভাংচুর করতো এবং তার মাকে মারধর করতো। তার কার্যক্রমে পরিবারের সদস্যরা এবং স্থানীয় লোকজন অতিষ্ঠ ছিল।
মায়ের অভিযোগ পেয়ে স্থানীয় লোকজন শহীদুল্লাহকে আটক করে এবং রোববার রাতে বাঁশখালী উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ওমর সানি আকনের কার্যালয়ে নিয়ে যায়।
অভিযুক্তের মায়ের বক্তব্য এবং সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে সহকারী কমিশনার (ভূমি) পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত শহীদুল্লাহ্কে ৯ মাসের কারাদণ্ড দেন।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) ওমর সানি আকন বলেন, “তার মা অভিযোগ নিয়ে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের কাছে যান। পরে তিনি আমাদের কাছেও অভিযোগ নিয়ে আসেন। স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে আটক করা হয়।”
ভ্রাম্যমান আদালতের কাছে অভিযুক্তের মা নিজে উপস্থিত হয়ে ছেলের অপরাধের বিবরণ দেন। তিনি জানান, নেশার টাকা জোগাড় করতে তার ছেলে নিয়মিত মোবাইল ফোন চুরি করত এবং মাকে মারধর করতো।

মোনায়েম মুন্না বলেন, “প্রত্যেক নেতা-কর্মীদের রাজপথের ত্যাগ ও সংগ্রামকে আমরা মুল্যায়ন করেছি। আগের কমিটির প্রায় ১১৪ জনকে আমরা এই কমিটিতে রেখেছি। আমরা তাদের রাজপথের লড়াই ও অবদানকে স্বীকার করেছি, বিবেচনায় নিয়েছি। আরও কয়েকজন ত্যাগী নেতাদের আমরা জায়গায় দিতে পারিনি।”