চরচা ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলে সাড়ে ৬ হাজার টন গোলাবারুদ ও সামরিক সরঞ্জাম পাঠিয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র থেকে দুটি কার্গো জাহাজ এবং কয়েকটি বিমানে করে এসব সরঞ্জাম পাঠানো হয়।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে ‘দ্য ইসরায়েল টাইমস’ এবং ‘দ্য জেরুজালেম পোস্ট’-এর প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, আকাশ ও স্থলপথের ৬ হাজার ৫০০ টন গোলাবারুদ, সামরিক ট্রাক, জয়েন্ট লাইট ট্যাকটিক্যাল ভেহিকেল (জেএলটিভি) এবং অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম ইসরায়েলে পৌঁছেছে।
অন্যদিকে, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের পরিকল্পনা সম্পর্কে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অবহিত করেছে।
অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন ট্রাম্পের সঙ্গে সেন্টকমের ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। এর আগে ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ও ইসরায়েলি বাহিনী ইরানে আক্রমণ করার দুই দিন আগেও ট্রাম্পকে একই ধরনের ব্রিফিং দেওয়া হয়েছিল।
এই আলোচনা এমন এক সময়ে হলো, যখন বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইসরায়েলি মন্ত্রণালয়ের ডিফেন্স প্রকিউরমেন্ট ডিরেক্টরেট, ইন্টারন্যাশনাল শিপিং ডিভিশন, যুক্তরাষ্ট্রে তাদের মিশন এবং আইডিএফ প্ল্যানিং ডিরেক্টরেটের সঙ্গে সমন্বয় করে একটি মার্কিন অভিযান পরিচালনা করেছে বলে জানা গেছে।
অ্যাক্সিওস-এর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেন্টকম ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক ব্যবস্থার জন্য একটি নতুন পরিকল্পনা তৈরি করেছে। সূত্রগুলো জানিয়েছে, সেন্টকম যে পরিকল্পনাটি বিবেচনা করছে তার মধ্যে একটি হলো ইরানে ‘স্বল্পস্থায়ী কিন্তু শক্তিশালী’ বিমান হামলা চালানো। এতে অবকাঠামোগত লক্ষ্যবস্তু অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে, যেন তেহরানের সরকারকে আলোচনার টেবিলে আসতে বাধ্য করা যায়।
ইরান যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইসরায়েল এ পর্যন্ত প্রায় ১ লাখ ১৫ হাজার ৬০০ টন সামরিক সরঞ্জাম পেয়েছে। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন শুরুর পর থেকে ইসরায়েল ৪০৩টি বিমান এবং ১০টি জাহাজের মাধ্যমে ১ লাখ ১৫ হাজার ৬০০ টনেরও বেশি সামরিক সরঞ্জাম গ্রহণ করেছে।”

যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলে সাড়ে ৬ হাজার টন গোলাবারুদ ও সামরিক সরঞ্জাম পাঠিয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র থেকে দুটি কার্গো জাহাজ এবং কয়েকটি বিমানে করে এসব সরঞ্জাম পাঠানো হয়।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে ‘দ্য ইসরায়েল টাইমস’ এবং ‘দ্য জেরুজালেম পোস্ট’-এর প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, আকাশ ও স্থলপথের ৬ হাজার ৫০০ টন গোলাবারুদ, সামরিক ট্রাক, জয়েন্ট লাইট ট্যাকটিক্যাল ভেহিকেল (জেএলটিভি) এবং অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম ইসরায়েলে পৌঁছেছে।
অন্যদিকে, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের পরিকল্পনা সম্পর্কে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অবহিত করেছে।
অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন ট্রাম্পের সঙ্গে সেন্টকমের ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। এর আগে ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ও ইসরায়েলি বাহিনী ইরানে আক্রমণ করার দুই দিন আগেও ট্রাম্পকে একই ধরনের ব্রিফিং দেওয়া হয়েছিল।
এই আলোচনা এমন এক সময়ে হলো, যখন বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইসরায়েলি মন্ত্রণালয়ের ডিফেন্স প্রকিউরমেন্ট ডিরেক্টরেট, ইন্টারন্যাশনাল শিপিং ডিভিশন, যুক্তরাষ্ট্রে তাদের মিশন এবং আইডিএফ প্ল্যানিং ডিরেক্টরেটের সঙ্গে সমন্বয় করে একটি মার্কিন অভিযান পরিচালনা করেছে বলে জানা গেছে।
অ্যাক্সিওস-এর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেন্টকম ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক ব্যবস্থার জন্য একটি নতুন পরিকল্পনা তৈরি করেছে। সূত্রগুলো জানিয়েছে, সেন্টকম যে পরিকল্পনাটি বিবেচনা করছে তার মধ্যে একটি হলো ইরানে ‘স্বল্পস্থায়ী কিন্তু শক্তিশালী’ বিমান হামলা চালানো। এতে অবকাঠামোগত লক্ষ্যবস্তু অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে, যেন তেহরানের সরকারকে আলোচনার টেবিলে আসতে বাধ্য করা যায়।
ইরান যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইসরায়েল এ পর্যন্ত প্রায় ১ লাখ ১৫ হাজার ৬০০ টন সামরিক সরঞ্জাম পেয়েছে। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন শুরুর পর থেকে ইসরায়েল ৪০৩টি বিমান এবং ১০টি জাহাজের মাধ্যমে ১ লাখ ১৫ হাজার ৬০০ টনেরও বেশি সামরিক সরঞ্জাম গ্রহণ করেছে।”