চরচা প্রতিবেদক

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনই গণভোটের আয়োজন করা নির্বাচন কমিশনের জন্য চ্যালেঞ্জের কাজ হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসিরউদ্দিন।
আজ শনিবার বিকেলে রাজধানীর একটি হোটেলে ‘এশিয়ান নেটওয়ার্ক ফর ফ্রি ইলেকশনস’ (এএনএফআরইএল) কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা জানান।
এ সময় সিইসি বলেন, “আইন না হওয়া পর্যন্ত কমিশন এ বিষয়ে কাজ করতে পারবে না। আগামী সপ্তাহেই গণভোট আইনটি পাশ করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। আইন পাশ হলে, সেই আইন অনুযায়ী কমিশন প্রস্তুতি ও সিদ্ধান্ত নেওয়া শুরু করবে। গণভোট হলে চারটি পয়েন্টেই হ্যাঁ/না ভোট হবে। একই দিনে নির্বাচন ও গণভোট করা ইসির জন্য একটি চ্যালেঞ্জ।”
একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দেওয়াই কমিশনের প্রধান এজেন্ডা উল্লেখ করে সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করার জন্য কমিশনের পাশাপাশি গণমাধ্যমকেও সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি।
সিইসি বলেন, অতীতে মৃত ব্যক্তির নামেও অনেকে ভোট দিয়েছে। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সঠিক ভোটার তালিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কমিশন কঠোর যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে প্রায় ২১ লাখ মৃত ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ দিয়ে নতুন করে ভোটার তালিকা তৈরি করেছে।
নাসির উদ্দিন বলেন, এবারের নির্বাচনে এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) ব্যবহার করে সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো অপপ্রচার রোধ করা কঠিন হবে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি যদি সমঝোতা ও সহযোগিতামূলক হতো, তবে কমিশনের কাজ আরও সহজ হতো বলে জানান তিনি।
পোস্টাল ভোটিং সুবিধা নিয়ে সিইসি জানান, যাচাই-বাছাই ছাড়া পাসপোর্ট ব্যবহার করে এই সুবিধা দেওয়া যাবে না। কারণ, অন্য দেশের লোকেরাও বিদেশে বাংলাদেশি পাসপোর্ট ব্যবহার করার নজির রয়েছে। নির্বাচন উপলক্ষে কমিশনের প্রস্তুতি সম্পন্ন এবং যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কমিশন প্রস্তুত বলে তিনি জানান।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনই গণভোটের আয়োজন করা নির্বাচন কমিশনের জন্য চ্যালেঞ্জের কাজ হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসিরউদ্দিন।
আজ শনিবার বিকেলে রাজধানীর একটি হোটেলে ‘এশিয়ান নেটওয়ার্ক ফর ফ্রি ইলেকশনস’ (এএনএফআরইএল) কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা জানান।
এ সময় সিইসি বলেন, “আইন না হওয়া পর্যন্ত কমিশন এ বিষয়ে কাজ করতে পারবে না। আগামী সপ্তাহেই গণভোট আইনটি পাশ করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। আইন পাশ হলে, সেই আইন অনুযায়ী কমিশন প্রস্তুতি ও সিদ্ধান্ত নেওয়া শুরু করবে। গণভোট হলে চারটি পয়েন্টেই হ্যাঁ/না ভোট হবে। একই দিনে নির্বাচন ও গণভোট করা ইসির জন্য একটি চ্যালেঞ্জ।”
একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দেওয়াই কমিশনের প্রধান এজেন্ডা উল্লেখ করে সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করার জন্য কমিশনের পাশাপাশি গণমাধ্যমকেও সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি।
সিইসি বলেন, অতীতে মৃত ব্যক্তির নামেও অনেকে ভোট দিয়েছে। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সঠিক ভোটার তালিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কমিশন কঠোর যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে প্রায় ২১ লাখ মৃত ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ দিয়ে নতুন করে ভোটার তালিকা তৈরি করেছে।
নাসির উদ্দিন বলেন, এবারের নির্বাচনে এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) ব্যবহার করে সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো অপপ্রচার রোধ করা কঠিন হবে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি যদি সমঝোতা ও সহযোগিতামূলক হতো, তবে কমিশনের কাজ আরও সহজ হতো বলে জানান তিনি।
পোস্টাল ভোটিং সুবিধা নিয়ে সিইসি জানান, যাচাই-বাছাই ছাড়া পাসপোর্ট ব্যবহার করে এই সুবিধা দেওয়া যাবে না। কারণ, অন্য দেশের লোকেরাও বিদেশে বাংলাদেশি পাসপোর্ট ব্যবহার করার নজির রয়েছে। নির্বাচন উপলক্ষে কমিশনের প্রস্তুতি সম্পন্ন এবং যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কমিশন প্রস্তুত বলে তিনি জানান।

বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই চট্টগ্রামে কিছু সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড লক্ষ্য করা যায়। কিছু ব্যবসায়ীর বাসভবনে অত্যাধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে গুলিবর্ষণ এবং চাঁদা আদায়ের মতো ঘটনা ঘটার পর সরকার বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে নেয়।

কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সম্পন্ন করার যে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল, তা শতভাগ অর্জিত হয়েছে বলে দাবি করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আবদুস সালাম। আজ রোববার কোরবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নগর পরিচ্ছন্নতা এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রম নিয়ে রাজধানীর