চরচা ডেস্ক

আদালতের নির্দেশে ভারতের নয়াদিল্লিতে সংবাদ সংস্থা ইউএনআইয়ের কার্যালয় সিলগালা করেছে সেখানকার পুলিশ। স্থানীয় সময় শুক্রবার এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ জানিয়েছে, পুলিশের সঙ্গে কর্মীদের বাকবিতণ্ডার ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করেছে সংবাদ সংস্থাটি এবং এর মালিক প্রতিষ্ঠান স্টেটসম্যান।
ইউএনআই এক্স পোস্টে বলেছে, “দেশের অন্যতম প্রাচীন ও সম্মানিত সংবাদ সংস্থা ইউনাইটেড নিউজ অব ইন্ডিয়া (ইউএনআই)-এর কার্যালয় সিলগালার ঘটনা সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ তৈরি করেছে। কর্মীদের জোর করে বের করে দেওয়া হয়েছে এবং অনেককে তাদের ব্যক্তিগত জিনিসপত্র নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়নি।”
পোস্টে আরও বলা হয়েছে, “নারী সাংবাদিকদের সঙ্গে দিল্লি পুলিশের সদস্যরা দুর্ব্যবহার করেছেন। দায়িত্ব পালনকালে কিছু পুলিশ সদস্য মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন। দুজন আইনজীবী ও দিল্লি পুলিশের সদস্যরা কয়েকজনকে গালিগালাজ করেছেন।”
তবে কিছু পুলিশ সদস্যের মদ্যপ থাকা কিংবা নারী কর্মীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন দিল্লি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
এক পুলিশ কর্মকর্তা টেলিগ্রাফকে বলেন, “সব ধরনের আইনি প্রক্রিয়া মেনে কাজ করা হয়েছে এবং আইনি সীমার বাইরে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। পুরো ঘটনাক্রম ভিডিও করা হয়েছে।”
এদিকে, আবাসন মন্ত্রণালয়ের অধীন ভূমি ও উন্নয়ন দপ্তরের জারি করা এক আদেশকে চ্যালেঞ্জ করেছে ইউএনআই। ওই আদেশে প্রস্তাবিত সমন্বিত অফিস কমপ্লেক্স নির্মাণে ব্যর্থ হওয়ায় সংবাদ সংস্থাটিকে জায়গা খালি করতে বলা হয়েছিল।
ইউএনআইয়ের আবেদন খারিজ করে দিল্লি হাই কোর্ট বলেছে, “মূল্যবান সরকারি জমি কার্যত এমন এক লাইসেন্সধারীর (ইউএনআই) হাতে জিম্মি হয়ে আছে, যে বহু দশক ধরে তার দায়িত্ব পালন করতে ব্যর্থ হয়েছে।”

আদালতের নির্দেশে ভারতের নয়াদিল্লিতে সংবাদ সংস্থা ইউএনআইয়ের কার্যালয় সিলগালা করেছে সেখানকার পুলিশ। স্থানীয় সময় শুক্রবার এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ জানিয়েছে, পুলিশের সঙ্গে কর্মীদের বাকবিতণ্ডার ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করেছে সংবাদ সংস্থাটি এবং এর মালিক প্রতিষ্ঠান স্টেটসম্যান।
ইউএনআই এক্স পোস্টে বলেছে, “দেশের অন্যতম প্রাচীন ও সম্মানিত সংবাদ সংস্থা ইউনাইটেড নিউজ অব ইন্ডিয়া (ইউএনআই)-এর কার্যালয় সিলগালার ঘটনা সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ তৈরি করেছে। কর্মীদের জোর করে বের করে দেওয়া হয়েছে এবং অনেককে তাদের ব্যক্তিগত জিনিসপত্র নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়নি।”
পোস্টে আরও বলা হয়েছে, “নারী সাংবাদিকদের সঙ্গে দিল্লি পুলিশের সদস্যরা দুর্ব্যবহার করেছেন। দায়িত্ব পালনকালে কিছু পুলিশ সদস্য মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন। দুজন আইনজীবী ও দিল্লি পুলিশের সদস্যরা কয়েকজনকে গালিগালাজ করেছেন।”
তবে কিছু পুলিশ সদস্যের মদ্যপ থাকা কিংবা নারী কর্মীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন দিল্লি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
এক পুলিশ কর্মকর্তা টেলিগ্রাফকে বলেন, “সব ধরনের আইনি প্রক্রিয়া মেনে কাজ করা হয়েছে এবং আইনি সীমার বাইরে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। পুরো ঘটনাক্রম ভিডিও করা হয়েছে।”
এদিকে, আবাসন মন্ত্রণালয়ের অধীন ভূমি ও উন্নয়ন দপ্তরের জারি করা এক আদেশকে চ্যালেঞ্জ করেছে ইউএনআই। ওই আদেশে প্রস্তাবিত সমন্বিত অফিস কমপ্লেক্স নির্মাণে ব্যর্থ হওয়ায় সংবাদ সংস্থাটিকে জায়গা খালি করতে বলা হয়েছিল।
ইউএনআইয়ের আবেদন খারিজ করে দিল্লি হাই কোর্ট বলেছে, “মূল্যবান সরকারি জমি কার্যত এমন এক লাইসেন্সধারীর (ইউএনআই) হাতে জিম্মি হয়ে আছে, যে বহু দশক ধরে তার দায়িত্ব পালন করতে ব্যর্থ হয়েছে।”