চরচা ডেস্ক

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও পঞ্চগড়-১ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী সারজিস আলম বলেছেন, “বাংলাদেশে দুর্নীতির বিরুদ্ধে তদন্ত পরিচালনাকারী যত সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান রয়েছে, সবাইকে আমি চ্যালেঞ্জ জানাই–যার যত সক্ষমতা রয়েছে, আমার বিরুদ্ধে তদন্ত করুন।”
তিনি বলেন, “গত দেড় বছরে যদি আমার বিরুদ্ধে বিন্দুমাত্র দুর্নীতির প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেন, তাহলে আইন অনুযায়ী যে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ আমি মাথা পেতে নেব।”
বুধবার দুপুরে পঞ্চগড় শহরের লিচুতলা এলাকায় জেলা এনসিপির দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
তার বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন ‘পেইড প্রপাগান্ডা সেল’ থেকে গুজব ও অপপ্রচার ছড়ানো হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় অপতথ্য প্রচারের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সরকার এবং নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানান।
সারজিস আলম বলেন, “সোশ্যাল মিডিয়ায় কিছু একটিভিস্ট উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অথবা কোনো রাজনৈতিক দলের এজেন্ডা বাস্তবায়নে প্রপাগান্ডা চালাচ্ছে। আমার কাছে মনে হয়, তাদের উদ্দেশ্য, রাজনৈতিক দল হিসেবে হেয়প্রতিপন্ন করা, প্রার্থী হিসেবে বিতর্কিত করা কিংবা জুলাই আন্দোলনে যারা নেতৃত্বে ছিলেন তাদেরকে বিতর্কিত করে কীভাবে আওয়ামী লীগকে প্রাসঙ্গিক করা যায়, সেই অপচেষ্টা করা।”
তিনি আরও বলেন, তারা হয় আওয়ামী লীগকে আবার পুনর্বাসনের জন্য গভীর ষড়যন্ত্র করছেন অথবা টাকার বিনিময়ে এসব প্রপাগান্ডা ছড়াচ্ছেন। এগুলোর বিরুদ্ধে সরকারের ব্যবস্থা নিতে হবে। অন্যথায় আগামীতে সুষ্ঠু নির্বাচনের অনেক বড় অন্তরায় হবে।
হলফনামায় তথ্যের গড়মিল প্রসঙ্গে সারজিস বলেন, “হলফনামার মেজর বিষয়গুলো ঠিক ছিল বলেই রিটার্নিং কর্মকর্তা আমার প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করেছেন। তবে আয়কর রিটার্নে দেখানো আয়ের পরিমাণে আইনজীবী একটু মিস্টেক করেছিল, টাইপিং মিস্টেকের কারণে ৯ লাখের জায়গায় ২৮ লাখ উল্লেখ করেছে। এটা ছিল অনিচ্ছাকৃত ভুল। পরবর্তীতে আমরা এটি সংশোধন করে দিয়েছি। এটি আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই করা হয়।”
তিনি বলেন, “আমার ছবি দিয়ে ফটোকার্ড তৈরি করে অপপ্রচার চালানো হয়, আমি নাকি ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির হয়ে ঈদ শুভেচ্ছা দিতাম। অথচ শুরু থেকে আজকে পর্যন্ত আমার জীবনে কেন্দ্রীয় কমিটি তো দূরে থাক, কোথাও আমার কোনো পদপদবী ছিল না। আগে যখন আমি ছাত্রলীগের সমালোচনা করতাম, সরকারের সমালোচনা করতাম–তখন তারা আমাকে জামায়াত-শিবির মনে করত। আমার বাড়িতেও ফোন করে জানতে চাইতো, আমি জামায়াত-শিবিরে সংশ্লিষ্ট কি-না।”
সারজিস বলেন, “অভ্যুত্থানে আমরা সম্মুখ সারিতে ছিলাম, আমাদেরকে ডিজিএফআই এবং ডিবি নিয়ে গিয়ে অত্যাচার, নির্যাতন করলো; তবুও আমরা আমাদের পথ থেকে বিচ্যুত হইনি। আমি মনে করি, অভ্যুত্থান পরবর্তীতে আওয়ামী লীগের পেইড এজেন্টরা আমাদেরকে বিতর্কিত করার জন্য উদ্দেশ্যমূলক প্রপাগাণ্ডা চালাচ্ছে।”
গণমাধ্যমের উদ্দেশ্যে সারজিস আলম বলেন, “আমরা প্রত্যাশা করি, আগামী নির্বাচনের পূর্বে মিডিয়া স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ থাকবে। আমরা মনে করি, আপনাদের সহযোগিতায় একটি সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব। যেভাবে অভ্যুত্থানের সময় আপনাদের প্রচারিত নিউজের মাধ্যমে পুরো পৃথিবীর সামনে আমরা উপস্থিত হয়েছি।”

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও পঞ্চগড়-১ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী সারজিস আলম বলেছেন, “বাংলাদেশে দুর্নীতির বিরুদ্ধে তদন্ত পরিচালনাকারী যত সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান রয়েছে, সবাইকে আমি চ্যালেঞ্জ জানাই–যার যত সক্ষমতা রয়েছে, আমার বিরুদ্ধে তদন্ত করুন।”
তিনি বলেন, “গত দেড় বছরে যদি আমার বিরুদ্ধে বিন্দুমাত্র দুর্নীতির প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেন, তাহলে আইন অনুযায়ী যে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ আমি মাথা পেতে নেব।”
বুধবার দুপুরে পঞ্চগড় শহরের লিচুতলা এলাকায় জেলা এনসিপির দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
তার বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন ‘পেইড প্রপাগান্ডা সেল’ থেকে গুজব ও অপপ্রচার ছড়ানো হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় অপতথ্য প্রচারের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সরকার এবং নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানান।
সারজিস আলম বলেন, “সোশ্যাল মিডিয়ায় কিছু একটিভিস্ট উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অথবা কোনো রাজনৈতিক দলের এজেন্ডা বাস্তবায়নে প্রপাগান্ডা চালাচ্ছে। আমার কাছে মনে হয়, তাদের উদ্দেশ্য, রাজনৈতিক দল হিসেবে হেয়প্রতিপন্ন করা, প্রার্থী হিসেবে বিতর্কিত করা কিংবা জুলাই আন্দোলনে যারা নেতৃত্বে ছিলেন তাদেরকে বিতর্কিত করে কীভাবে আওয়ামী লীগকে প্রাসঙ্গিক করা যায়, সেই অপচেষ্টা করা।”
তিনি আরও বলেন, তারা হয় আওয়ামী লীগকে আবার পুনর্বাসনের জন্য গভীর ষড়যন্ত্র করছেন অথবা টাকার বিনিময়ে এসব প্রপাগান্ডা ছড়াচ্ছেন। এগুলোর বিরুদ্ধে সরকারের ব্যবস্থা নিতে হবে। অন্যথায় আগামীতে সুষ্ঠু নির্বাচনের অনেক বড় অন্তরায় হবে।
হলফনামায় তথ্যের গড়মিল প্রসঙ্গে সারজিস বলেন, “হলফনামার মেজর বিষয়গুলো ঠিক ছিল বলেই রিটার্নিং কর্মকর্তা আমার প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করেছেন। তবে আয়কর রিটার্নে দেখানো আয়ের পরিমাণে আইনজীবী একটু মিস্টেক করেছিল, টাইপিং মিস্টেকের কারণে ৯ লাখের জায়গায় ২৮ লাখ উল্লেখ করেছে। এটা ছিল অনিচ্ছাকৃত ভুল। পরবর্তীতে আমরা এটি সংশোধন করে দিয়েছি। এটি আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই করা হয়।”
তিনি বলেন, “আমার ছবি দিয়ে ফটোকার্ড তৈরি করে অপপ্রচার চালানো হয়, আমি নাকি ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির হয়ে ঈদ শুভেচ্ছা দিতাম। অথচ শুরু থেকে আজকে পর্যন্ত আমার জীবনে কেন্দ্রীয় কমিটি তো দূরে থাক, কোথাও আমার কোনো পদপদবী ছিল না। আগে যখন আমি ছাত্রলীগের সমালোচনা করতাম, সরকারের সমালোচনা করতাম–তখন তারা আমাকে জামায়াত-শিবির মনে করত। আমার বাড়িতেও ফোন করে জানতে চাইতো, আমি জামায়াত-শিবিরে সংশ্লিষ্ট কি-না।”
সারজিস বলেন, “অভ্যুত্থানে আমরা সম্মুখ সারিতে ছিলাম, আমাদেরকে ডিজিএফআই এবং ডিবি নিয়ে গিয়ে অত্যাচার, নির্যাতন করলো; তবুও আমরা আমাদের পথ থেকে বিচ্যুত হইনি। আমি মনে করি, অভ্যুত্থান পরবর্তীতে আওয়ামী লীগের পেইড এজেন্টরা আমাদেরকে বিতর্কিত করার জন্য উদ্দেশ্যমূলক প্রপাগাণ্ডা চালাচ্ছে।”
গণমাধ্যমের উদ্দেশ্যে সারজিস আলম বলেন, “আমরা প্রত্যাশা করি, আগামী নির্বাচনের পূর্বে মিডিয়া স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ থাকবে। আমরা মনে করি, আপনাদের সহযোগিতায় একটি সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব। যেভাবে অভ্যুত্থানের সময় আপনাদের প্রচারিত নিউজের মাধ্যমে পুরো পৃথিবীর সামনে আমরা উপস্থিত হয়েছি।”

সিরিয়ার ১৪ বছরের গৃহযুদ্ধের সময় কুর্দি কর্তৃপক্ষ উত্তর-পূর্ব সিরিয়ার পাশাপাশি আলেপ্পোর কিছু অংশে আধা স্বায়ত্তশাসিত শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলে। এরপর ২০২৪ সালের শেষ দিকে বাশার আল-আসাদের ক্ষমতাচ্যুতির পর আহমেদ আল-শারার নেতৃত্বে ইসলামপন্থী সরকার ক্ষমতায় আসে।