
সারজিস ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিজ এলাকার পঞ্চগড়-১ আসনে এমপি প্রার্থী ছিলেন। এই নির্বাচনে তিনি বিএনপি প্রার্থী ব্যারিস্টার নওশাদ জমিরের কাছে হেরে যান।

রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক কাজী মো. সায়েমুজ্জামান ঘোষিত বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, সারজিস আলম শাপলা কলি প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১ লাখ ৬৮ হাজার ৪৯ ভোট।

ফেসবুক পোস্টে তারা লেখেন, “ভোটকেন্দ্রের দিকে চোখ রাখুন, সজাগ থাকুন। সবাই কেন্দ্রে আসুন, গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত, ফলাফল না পাওয়া পর্যন্ত ঠান্ডা মাথায় কেন্দ্রে অবস্থান করুন।”

সারজিস আলম বলেছেন, “আমরা মনে করি অবকাঠামো উন্নয়নটা সেকেন্ডারি। প্রাইমারি এবং প্রধান বিষয় হল সিস্টেমগুলো ঠিক করতে হবে। আমরা প্রশাসন থেকে শুরু করে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, সরকারি অফিস আদালত- কোথাও রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যবহার করবো না, হস্তক্ষেপ করবো না।”

সারজিস আলম বলেছেন, “বাংলাদেশে দুর্নীতির বিরুদ্ধে তদন্ত পরিচালনাকারী যত সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান রয়েছে, সবাইকে আমি চ্যালেঞ্জ জানাই–যার যত সক্ষমতা রয়েছে, আমার বিরুদ্ধে তদন্ত করুন।”

হলফনামা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এনসিপির শীর্ষ ছয় নেতার বয়স ৩০’র নিচে। নোয়াখালী-৬ আসনের প্রার্থী আবদুল হান্নান মাসুদ বাদে পাঁচ নেতাই শিক্ষাগত যোগ্যতায় স্নাতক বা তদূর্ধ্ব বলে উল্লেখ করেছেন।

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানানোর পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন এনসিপির নেতারা।