চরচা ডেস্ক

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে পঞ্চগড়-১ আসনে ১১ দলীয় জোটের জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী সারজিস আলম বলেছেন, “আমরা মনে করি অবকাঠামো উন্নয়নটা সেকেন্ডারি। প্রাইমারি এবং প্রধান বিষয় হল সিস্টেমগুলো ঠিক করতে হবে। আমরা প্রশাসন থেকে শুরু করে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, সরকারি অফিস আদালত- কোথাও রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যবহার করবো না, হস্তক্ষেপ করবো না।”
বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থাকে (বাসস) দেওয়া সাক্ষাৎকারে এই মন্তব্য করেন সারজিস আলম। পঞ্চগড়-১ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ মনোনীত জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।
এনসিপির এই নেতা বাসসকে বলেন, “আমরা স্পষ্ট করে বলি–একটা মানুষ সে যদি অন্য দলের হয়, অন্য ধর্মের হয়, অন্য মার্কায় ভোট দেয়; তারপরও আমাদের দিয়ে কেউ অন্যায়ের শিকার হবে না, যদি না সে কোনো অন্যায় করে থাকে। এরপর আমাদের জায়গা থেকে আমরা শিক্ষায় ফোকাস করবো, এটা আমাদের ভিত্তি।
সারজিস বলেন, “মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি করতে হবে, এটার বিকল্প নেই। অন্তত প্রথম মেয়াদে ১০ হাজার কর্মসংস্থান যদি আমরা তৈরি করতে পারি, তাহলে এটা অনেক বড় একটা ইম্প্যাক্ট ফেলবে। শ্রমিক অধিকারটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, শ্রমিকদের সিন্ডিকেট করে শোষণ করা হয়। শ্রমিকের অধিকার নিশ্চিত করার জন্য আমরা কাজ করতে চাই।
বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থাকে (বাসস) দেওয়া সাক্ষাৎকারে সারজিস বলেন, “আমরা প্রত্যাশা করছি-একটি সুষ্ঠ ও স্বচ্ছ নির্বাচন হবে। যেই নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের প্রকৃতপক্ষে যারা প্রতিনিধি হবে, যারা জনগণের কাছে আসবে, জনগণের কথা শুনবে, জনগণের হয়ে কথা বলবে, জনগণের দুঃখ-কষ্ট বুঝবে; তাদেরকেই মানুষ প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত করবে।”

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে পঞ্চগড়-১ আসনে ১১ দলীয় জোটের জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী সারজিস আলম বলেছেন, “আমরা মনে করি অবকাঠামো উন্নয়নটা সেকেন্ডারি। প্রাইমারি এবং প্রধান বিষয় হল সিস্টেমগুলো ঠিক করতে হবে। আমরা প্রশাসন থেকে শুরু করে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, সরকারি অফিস আদালত- কোথাও রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যবহার করবো না, হস্তক্ষেপ করবো না।”
বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থাকে (বাসস) দেওয়া সাক্ষাৎকারে এই মন্তব্য করেন সারজিস আলম। পঞ্চগড়-১ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ মনোনীত জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।
এনসিপির এই নেতা বাসসকে বলেন, “আমরা স্পষ্ট করে বলি–একটা মানুষ সে যদি অন্য দলের হয়, অন্য ধর্মের হয়, অন্য মার্কায় ভোট দেয়; তারপরও আমাদের দিয়ে কেউ অন্যায়ের শিকার হবে না, যদি না সে কোনো অন্যায় করে থাকে। এরপর আমাদের জায়গা থেকে আমরা শিক্ষায় ফোকাস করবো, এটা আমাদের ভিত্তি।
সারজিস বলেন, “মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি করতে হবে, এটার বিকল্প নেই। অন্তত প্রথম মেয়াদে ১০ হাজার কর্মসংস্থান যদি আমরা তৈরি করতে পারি, তাহলে এটা অনেক বড় একটা ইম্প্যাক্ট ফেলবে। শ্রমিক অধিকারটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, শ্রমিকদের সিন্ডিকেট করে শোষণ করা হয়। শ্রমিকের অধিকার নিশ্চিত করার জন্য আমরা কাজ করতে চাই।
বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থাকে (বাসস) দেওয়া সাক্ষাৎকারে সারজিস বলেন, “আমরা প্রত্যাশা করছি-একটি সুষ্ঠ ও স্বচ্ছ নির্বাচন হবে। যেই নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের প্রকৃতপক্ষে যারা প্রতিনিধি হবে, যারা জনগণের কাছে আসবে, জনগণের কথা শুনবে, জনগণের হয়ে কথা বলবে, জনগণের দুঃখ-কষ্ট বুঝবে; তাদেরকেই মানুষ প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত করবে।”