চরচা ডেস্ক

চীনের সঙ্গে কিছু ক্ষেত্রে সম্পৃক্ততার ঝুঁকি নিয়ে ঢাকায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের মন্তব্যকে ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন ও সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন’ বলে আখ্যা দিয়েছে ঢাকাস্থ চীনা দূতাবাস।
আজ বৃহস্পতিবার চীনা দূতাবাসের ফেসবুক পেজে এক বিবৃতিতে এ কথা বলা হয়।
গতকাল বুধবার বিকেলে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন কয়েকটি দৈনিকের সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় তার কাছে মার্কিন সিনেটের শুনানির প্রসঙ্গ টেনে দক্ষিণ এশিয়ায় চীনের ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি নিয়ে প্রশ্ন করা হয়।
জবাবে রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন বলেন, “শুনানিতে আমি যেমন বলেছিলাম, দক্ষিণ এশিয়ায় চীনের সামগ্রিক প্রভাব নিয়ে আমি উদ্বিগ্ন এবং এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র সরকার স্পষ্ট অবস্থান নিয়েছে। বাংলাদেশে আমি সব বন্ধুর সঙ্গে যোগাযোগ রাখব, সেটা অন্তর্বর্তী সরকার বা নতুন নির্বাচিত সরকার হোক। এখানে কিছু নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে চীনের সঙ্গে যুক্ততায় ঝুঁকির যে বিষয়টি রয়েছে, সেটা আমি স্পষ্টভাবে তুলে ধরব।”
চীনা দূতাবাসের মুখপাত্র বিবৃতিতে বলেন, “মার্কিন রাষ্ট্রদূতের এ ধরনের মন্তব্য দায়িত্বজ্ঞানহীন এবং সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। এগুলো সত্য-মিথ্যা গুলিয়ে ফেলে এবং সম্পূর্ণভাবে গোপন উদ্দেশ্যপ্রসূত।”
চীন দূতাবাস বলছে, “গত ৫০ বছর ধরে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের পর থেকে চীন ও বাংলাদেশ সবসময় একে অপরকে সমর্থন করেছে, সমতার ভিত্তিতে আচরণ করেছে এবং পারস্পরিক লাভজনক সহযোগিতায় যুক্ত হয়েছে। চীন-বাংলাদেশ সহযোগিতা উভয় দেশের জনগণের জন্য সুফল বয়ে এনেছে এবং ব্যাপক সমর্থন পেয়েছে। এটি অঞ্চলের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার জন্য সহায়ক।”
আরও বলা হয়, “চীন ও বাংলাদেশের সহযোগিতা দুই দেশ ও তাদের জনগণের মধ্যে একটি বিষয়, যা যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ বা আঙুল তোলার বিষয় নয়। আমরা যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জানাই, যেন তারা তাদের দায়িত্ব সম্পর্কে আরও সচেতন হয় এবং বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা, উন্নয়ন ও আঞ্চলিক সহযোগিতার জন্য সহায়ক পদক্ষেপের ওপর বেশি গুরুত্ব দেয়।”

চীনের সঙ্গে কিছু ক্ষেত্রে সম্পৃক্ততার ঝুঁকি নিয়ে ঢাকায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের মন্তব্যকে ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন ও সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন’ বলে আখ্যা দিয়েছে ঢাকাস্থ চীনা দূতাবাস।
আজ বৃহস্পতিবার চীনা দূতাবাসের ফেসবুক পেজে এক বিবৃতিতে এ কথা বলা হয়।
গতকাল বুধবার বিকেলে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন কয়েকটি দৈনিকের সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় তার কাছে মার্কিন সিনেটের শুনানির প্রসঙ্গ টেনে দক্ষিণ এশিয়ায় চীনের ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি নিয়ে প্রশ্ন করা হয়।
জবাবে রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন বলেন, “শুনানিতে আমি যেমন বলেছিলাম, দক্ষিণ এশিয়ায় চীনের সামগ্রিক প্রভাব নিয়ে আমি উদ্বিগ্ন এবং এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র সরকার স্পষ্ট অবস্থান নিয়েছে। বাংলাদেশে আমি সব বন্ধুর সঙ্গে যোগাযোগ রাখব, সেটা অন্তর্বর্তী সরকার বা নতুন নির্বাচিত সরকার হোক। এখানে কিছু নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে চীনের সঙ্গে যুক্ততায় ঝুঁকির যে বিষয়টি রয়েছে, সেটা আমি স্পষ্টভাবে তুলে ধরব।”
চীনা দূতাবাসের মুখপাত্র বিবৃতিতে বলেন, “মার্কিন রাষ্ট্রদূতের এ ধরনের মন্তব্য দায়িত্বজ্ঞানহীন এবং সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। এগুলো সত্য-মিথ্যা গুলিয়ে ফেলে এবং সম্পূর্ণভাবে গোপন উদ্দেশ্যপ্রসূত।”
চীন দূতাবাস বলছে, “গত ৫০ বছর ধরে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের পর থেকে চীন ও বাংলাদেশ সবসময় একে অপরকে সমর্থন করেছে, সমতার ভিত্তিতে আচরণ করেছে এবং পারস্পরিক লাভজনক সহযোগিতায় যুক্ত হয়েছে। চীন-বাংলাদেশ সহযোগিতা উভয় দেশের জনগণের জন্য সুফল বয়ে এনেছে এবং ব্যাপক সমর্থন পেয়েছে। এটি অঞ্চলের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার জন্য সহায়ক।”
আরও বলা হয়, “চীন ও বাংলাদেশের সহযোগিতা দুই দেশ ও তাদের জনগণের মধ্যে একটি বিষয়, যা যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ বা আঙুল তোলার বিষয় নয়। আমরা যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জানাই, যেন তারা তাদের দায়িত্ব সম্পর্কে আরও সচেতন হয় এবং বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা, উন্নয়ন ও আঞ্চলিক সহযোগিতার জন্য সহায়ক পদক্ষেপের ওপর বেশি গুরুত্ব দেয়।”