চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর ওয়ারী এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী, অস্ত্র ও মাদক ব্যবসার গডফাদার হিসেবে পরিচিত সজল ওরফে ‘অটো সজল’সহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ। এ সময় তার কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
আজ শুক্রবার সকাল ১১টায় ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন মো. নজরুল ইসলাম।
গ্রেপ্তাররা হলেন সজল ওরফে অটো সজল (৩১), মোহাম্মদ বাপ্পি (২৮), মোহাম্মদ হানিফ (৪০) ও মোসাম্মদ শামসুন্নাহার (৪৫)।
নজরুল ইসলাম জানান, চলতি বছরের ২ মার্চ মাদক উদ্ধার করতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একটি দল অভিযানে যায়। এ সময় একজন পরিদর্শককে পায়ে গুলি করে মাদক কারবারিরা পালিয়ে যায়। ওই ঘটনায় ওয়ারী থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়।
মামলার তদন্তে ওয়ারী থানা পুলিশ প্রথমে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে এবং তাদের কাছ থেকে তিনটি অস্ত্র উদ্ধার করে। পরে গ্রেপ্তাররা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
জবানবন্দিতে জানা যায়, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তার ওপর হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্র সরবরাহ করেছিল ওয়ারীর শীর্ষ সন্ত্রাসী ও অস্ত্র-মাদক ব্যবসার গডফাদার সজল ওরফে অটো সজল।
নজরুল ইসলাম আরও বলেন, দীর্ঘ চার মাস নজরদারি চালানোর পর গত ১৮ জুন রাত ৯টা ১০ মিনিটের দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সায়েদাবাদ এলাকায় অভিযান চালিয়ে অটো সজলকে গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে সজল স্বীকার করে যে, গেন্ডারিয়া থানার স্বামীবাগ এলাকায় তার একটি ভাড়া বাসায় বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও মাদক মজুদ রয়েছে। পরে রাত ৯টা ৫০ মিনিটের দিকে ওই বাসায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ তার আরও তিন সহযোগীকে গ্রেপ্তার করে।
এই কর্মকর্তা জানান, অভিযানে উদ্ধার করা হয়– দুইটি টরাস ব্র্যান্ডের পিস্তল, চারটি ম্যাগাজিন, ৭৭ রাউন্ড তাজা গুলি, ৫৯ গ্রাম হেরোইন, হেরোইন প্রস্তুতের জন্য ব্যবহৃত ৮৭ গ্রাম ‘মেডি’, মাদক বিক্রির নগদ ২২ হাজার ৯৬০ টাকা এবং অপরাধে ব্যবহৃত চারটি মোবাইল ফোন।
উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও গুলি পুলিশের নাকি অবৈধ এ প্রসঙ্গে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বলেন, উদ্ধার হওয়া দুইটি টরাস পিস্তল পুলিশের লুণ্ঠিত অস্ত্র কি না তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তিনি আরও জানান, উদ্ধার হওয়া ৭৭ রাউন্ড গুলির মধ্যে পাঁচ রাউন্ড পুলিশের ব্যবহৃত গুলি। বাকি ৭২ রাউন্ড গুলি পুলিশের নয় এবং সেগুলো অন্য কোনো উৎস থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে যাত্রাবাড়ী ও গেন্ডারিয়া থানায় অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

রাজধানীর ওয়ারী এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী, অস্ত্র ও মাদক ব্যবসার গডফাদার হিসেবে পরিচিত সজল ওরফে ‘অটো সজল’সহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ। এ সময় তার কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
আজ শুক্রবার সকাল ১১টায় ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন মো. নজরুল ইসলাম।
গ্রেপ্তাররা হলেন সজল ওরফে অটো সজল (৩১), মোহাম্মদ বাপ্পি (২৮), মোহাম্মদ হানিফ (৪০) ও মোসাম্মদ শামসুন্নাহার (৪৫)।
নজরুল ইসলাম জানান, চলতি বছরের ২ মার্চ মাদক উদ্ধার করতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একটি দল অভিযানে যায়। এ সময় একজন পরিদর্শককে পায়ে গুলি করে মাদক কারবারিরা পালিয়ে যায়। ওই ঘটনায় ওয়ারী থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়।
মামলার তদন্তে ওয়ারী থানা পুলিশ প্রথমে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে এবং তাদের কাছ থেকে তিনটি অস্ত্র উদ্ধার করে। পরে গ্রেপ্তাররা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
জবানবন্দিতে জানা যায়, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তার ওপর হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্র সরবরাহ করেছিল ওয়ারীর শীর্ষ সন্ত্রাসী ও অস্ত্র-মাদক ব্যবসার গডফাদার সজল ওরফে অটো সজল।
নজরুল ইসলাম আরও বলেন, দীর্ঘ চার মাস নজরদারি চালানোর পর গত ১৮ জুন রাত ৯টা ১০ মিনিটের দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সায়েদাবাদ এলাকায় অভিযান চালিয়ে অটো সজলকে গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে সজল স্বীকার করে যে, গেন্ডারিয়া থানার স্বামীবাগ এলাকায় তার একটি ভাড়া বাসায় বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও মাদক মজুদ রয়েছে। পরে রাত ৯টা ৫০ মিনিটের দিকে ওই বাসায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ তার আরও তিন সহযোগীকে গ্রেপ্তার করে।
এই কর্মকর্তা জানান, অভিযানে উদ্ধার করা হয়– দুইটি টরাস ব্র্যান্ডের পিস্তল, চারটি ম্যাগাজিন, ৭৭ রাউন্ড তাজা গুলি, ৫৯ গ্রাম হেরোইন, হেরোইন প্রস্তুতের জন্য ব্যবহৃত ৮৭ গ্রাম ‘মেডি’, মাদক বিক্রির নগদ ২২ হাজার ৯৬০ টাকা এবং অপরাধে ব্যবহৃত চারটি মোবাইল ফোন।
উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও গুলি পুলিশের নাকি অবৈধ এ প্রসঙ্গে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বলেন, উদ্ধার হওয়া দুইটি টরাস পিস্তল পুলিশের লুণ্ঠিত অস্ত্র কি না তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তিনি আরও জানান, উদ্ধার হওয়া ৭৭ রাউন্ড গুলির মধ্যে পাঁচ রাউন্ড পুলিশের ব্যবহৃত গুলি। বাকি ৭২ রাউন্ড গুলি পুলিশের নয় এবং সেগুলো অন্য কোনো উৎস থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে যাত্রাবাড়ী ও গেন্ডারিয়া থানায় অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আগামী ২৩ জুন কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এই দিনটিকে কেন্দ্র করে দলটির নেতা-কর্মীরা রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে নাশকতা করতে পারে—এমন আশঙ্কা করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এরইমধ্যে যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এবং জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিতে দেশের সকল ইউনিটকে সর