চরচা প্রতিবেদক

বেশি মুনাফার লোভ দেখিয়ে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে প্রায় ৮৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুই জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) সাইবার পুলিশ সেন্টার (সিপিসি) ইউনিট।
আজ বৃহস্পতিবার সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
গ্রেপ্তারকৃতা হলেন মো. মাসুম রানা ও মো. শামীম আক্তার।
জসীম উদ্দিন জানান, ভুক্তভোগী সালেহ আহাম্মদ খান, যিনি নারায়ণগঞ্জে বিআইডব্লিউটিএতে কর্মরত, হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের মাধ্যমে প্রতারক চক্রের সঙ্গে পরিচিত হন। প্রতারকরা নিজেদের ‘ড্রিমপায়ারিং এমসিএস লি.’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি পরিচয় দিয়ে উচ্চ মুনাফার প্রলোভন দেখায়।
বিশ্বাস অর্জনের জন্য তারা ভুক্তভোগীর কাছে হোয়াটসঅ্যাপে একটি ভুয়া চুক্তিপত্র পাঠায়। সালেহ আহাম্মদ সেই চুক্তিকে বিশ্বাস করে নিজের সঞ্চয়, অফিসের অর্থ এবং স্ত্রীর স্বর্ণ বন্ধক রেখে নগদ, বিকাশ ও ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে ধাপে ধাপে মোট ৮৫ লাখ ৮৭ হাজার ৪০০ টাকা পাঠান।
পরে মুনাফার অর্থ দেওয়ার জন্য বিভিন্ন সময় তাকে বিভিন্ন ঠিকানায় যেতে বলে বিভ্রান্ত করা হয়। এক পর্যায়ে ঢাকার সেগুনবাগিচায় দেওয়া ঠিকানায় গিয়ে তিনি নিশ্চিত হন যে, ওই নামে কোনো প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্বই নেই।
এ ঘটনায় গত বছরের ২৭ জুলাই নারায়ণগঞ্জ সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলার তদন্তে সিআইডির সাইবার ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড অপারেশনস ইউনিট তথ্যপ্রযুক্তি বিশ্লেষণের মাধ্যমে গতকাল বুধবার দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার কাটলাহাট এলাকা থেকে মাসুমকে গ্রেপ্তার করে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল রাতে শামীমকেও আটক করা হয়।
সিআইডি জানিয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে দুজনই প্রতারণার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

বেশি মুনাফার লোভ দেখিয়ে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে প্রায় ৮৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুই জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) সাইবার পুলিশ সেন্টার (সিপিসি) ইউনিট।
আজ বৃহস্পতিবার সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
গ্রেপ্তারকৃতা হলেন মো. মাসুম রানা ও মো. শামীম আক্তার।
জসীম উদ্দিন জানান, ভুক্তভোগী সালেহ আহাম্মদ খান, যিনি নারায়ণগঞ্জে বিআইডব্লিউটিএতে কর্মরত, হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের মাধ্যমে প্রতারক চক্রের সঙ্গে পরিচিত হন। প্রতারকরা নিজেদের ‘ড্রিমপায়ারিং এমসিএস লি.’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি পরিচয় দিয়ে উচ্চ মুনাফার প্রলোভন দেখায়।
বিশ্বাস অর্জনের জন্য তারা ভুক্তভোগীর কাছে হোয়াটসঅ্যাপে একটি ভুয়া চুক্তিপত্র পাঠায়। সালেহ আহাম্মদ সেই চুক্তিকে বিশ্বাস করে নিজের সঞ্চয়, অফিসের অর্থ এবং স্ত্রীর স্বর্ণ বন্ধক রেখে নগদ, বিকাশ ও ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে ধাপে ধাপে মোট ৮৫ লাখ ৮৭ হাজার ৪০০ টাকা পাঠান।
পরে মুনাফার অর্থ দেওয়ার জন্য বিভিন্ন সময় তাকে বিভিন্ন ঠিকানায় যেতে বলে বিভ্রান্ত করা হয়। এক পর্যায়ে ঢাকার সেগুনবাগিচায় দেওয়া ঠিকানায় গিয়ে তিনি নিশ্চিত হন যে, ওই নামে কোনো প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্বই নেই।
এ ঘটনায় গত বছরের ২৭ জুলাই নারায়ণগঞ্জ সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলার তদন্তে সিআইডির সাইবার ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড অপারেশনস ইউনিট তথ্যপ্রযুক্তি বিশ্লেষণের মাধ্যমে গতকাল বুধবার দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার কাটলাহাট এলাকা থেকে মাসুমকে গ্রেপ্তার করে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল রাতে শামীমকেও আটক করা হয়।
সিআইডি জানিয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে দুজনই প্রতারণার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।