চরচা ডেস্ক

মার্কিন হাউজ ওভারসাইট কমিটির সামনে ভার্চুয়ালি উপস্থিত হয়েও মুখ খুললেন না দণ্ডিত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের সহযোগী গিসলেন ম্যাক্সওয়েল। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, স্থানীয় সময় সোমবার টেক্সাসের কারাগার থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে শুনানিতে অংশ নেন এপস্টেইনের ‘বান্ধবী’।
তবে নিজের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য না দেওয়ার সাংবিধানিক অধিকার (পঞ্চম সংশোধনী) ব্যবহার করে প্রায় সব প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে গেছেন ২০ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত এই নারী।
রিপাবলিকান কমিটির চেয়ারম্যান জেমস কোমার ম্যাক্সওয়েলের এই অবস্থানে হতাশা প্রকাশ করে শুনানি শেষে বলেন, “যেমনটা ধারণা করা হয়েছিল, ম্যাক্সওয়েল পঞ্চম সংশোধনী ব্যবহার করেছেন। এটি অত্যন্ত হতাশাজনক। আমাদের কাছে তার এবং এপস্টেইনের অপরাধ ও সম্ভাব্য সহ-ষড়যন্ত্রকারীদের নিয়ে অনেক প্রশ্ন ছিল। আমরা আমেরিকান জনগণের জন্য সত্য এবং ভুক্তভোগীর জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে চেয়েছিলাম।”
অন্যদিকে, ডেমোক্র্যাটিক প্রতিনিধি মেলানি স্ট্যানসবারি অভিযোগ করেছেন, ম্যাক্সওয়েল এই শুনানির সুযোগটিকে তার নিজের ‘ক্ষমার’ প্রচারণার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার চেষ্টা করেছেন।
ম্যাক্সওয়েলের আইনজীবী ডেভিড অস্কার মার্কাস সোশ্যাল মিডিয়ায় এক পোস্টে দাবি করেছেন, যদি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ম্যাক্সওয়েলকে ক্ষমা করেন, তবেই তিনি ‘সম্পূর্ণ এবং সততার সাথে’ কথা বলতে প্রস্তুত। একমাত্র ম্যাক্সওয়েলই এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ বিবরণ দিতে পারেন।
এই প্রস্তাবের তীব্র বিরোধিতা করেছেন এপস্টেইনের ভুক্তভোগীরা। কমিটির কাছে পাঠানো এক চিঠিতে তারা জানান, ম্যাক্সওয়েল দীর্ঘকাল ধরে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নাম গোপন করে আসছেন। তাকে কোনো প্রকার বিশেষ সুবিধা দেওয়া হলে তা ভুক্তভোগীদের জন্য বিপর্যয়কর হবে।
হোয়াইট হাউজ ইতোপূর্বেই জানিয়েছে, ম্যাক্সওয়েলের ক্ষমার ব্যাপারে কোনো আলোচনা চলছে না।
শুনানিতে ডেমোক্র্যাটিক প্রতিনিধি রো খান্না ম্যাক্সওয়েলকে ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং বিল ক্লিনটনের সঙ্গে জেফরি এপস্টেইনের সামাজিক সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন করার পরিকল্পনা করেছিলেন।
এর আগে, ম্যাক্সওয়েলের নিরবতার মধ্যেই বিচার বিভাগ জেফরি এপস্টেইন সংক্রান্ত প্রায় ৩০ লাখ পৃষ্ঠার নতুন নথি অবমুক্ত করেছে।

মার্কিন হাউজ ওভারসাইট কমিটির সামনে ভার্চুয়ালি উপস্থিত হয়েও মুখ খুললেন না দণ্ডিত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের সহযোগী গিসলেন ম্যাক্সওয়েল। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, স্থানীয় সময় সোমবার টেক্সাসের কারাগার থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে শুনানিতে অংশ নেন এপস্টেইনের ‘বান্ধবী’।
তবে নিজের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য না দেওয়ার সাংবিধানিক অধিকার (পঞ্চম সংশোধনী) ব্যবহার করে প্রায় সব প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে গেছেন ২০ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত এই নারী।
রিপাবলিকান কমিটির চেয়ারম্যান জেমস কোমার ম্যাক্সওয়েলের এই অবস্থানে হতাশা প্রকাশ করে শুনানি শেষে বলেন, “যেমনটা ধারণা করা হয়েছিল, ম্যাক্সওয়েল পঞ্চম সংশোধনী ব্যবহার করেছেন। এটি অত্যন্ত হতাশাজনক। আমাদের কাছে তার এবং এপস্টেইনের অপরাধ ও সম্ভাব্য সহ-ষড়যন্ত্রকারীদের নিয়ে অনেক প্রশ্ন ছিল। আমরা আমেরিকান জনগণের জন্য সত্য এবং ভুক্তভোগীর জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে চেয়েছিলাম।”
অন্যদিকে, ডেমোক্র্যাটিক প্রতিনিধি মেলানি স্ট্যানসবারি অভিযোগ করেছেন, ম্যাক্সওয়েল এই শুনানির সুযোগটিকে তার নিজের ‘ক্ষমার’ প্রচারণার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার চেষ্টা করেছেন।
ম্যাক্সওয়েলের আইনজীবী ডেভিড অস্কার মার্কাস সোশ্যাল মিডিয়ায় এক পোস্টে দাবি করেছেন, যদি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ম্যাক্সওয়েলকে ক্ষমা করেন, তবেই তিনি ‘সম্পূর্ণ এবং সততার সাথে’ কথা বলতে প্রস্তুত। একমাত্র ম্যাক্সওয়েলই এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ বিবরণ দিতে পারেন।
এই প্রস্তাবের তীব্র বিরোধিতা করেছেন এপস্টেইনের ভুক্তভোগীরা। কমিটির কাছে পাঠানো এক চিঠিতে তারা জানান, ম্যাক্সওয়েল দীর্ঘকাল ধরে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নাম গোপন করে আসছেন। তাকে কোনো প্রকার বিশেষ সুবিধা দেওয়া হলে তা ভুক্তভোগীদের জন্য বিপর্যয়কর হবে।
হোয়াইট হাউজ ইতোপূর্বেই জানিয়েছে, ম্যাক্সওয়েলের ক্ষমার ব্যাপারে কোনো আলোচনা চলছে না।
শুনানিতে ডেমোক্র্যাটিক প্রতিনিধি রো খান্না ম্যাক্সওয়েলকে ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং বিল ক্লিনটনের সঙ্গে জেফরি এপস্টেইনের সামাজিক সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন করার পরিকল্পনা করেছিলেন।
এর আগে, ম্যাক্সওয়েলের নিরবতার মধ্যেই বিচার বিভাগ জেফরি এপস্টেইন সংক্রান্ত প্রায় ৩০ লাখ পৃষ্ঠার নতুন নথি অবমুক্ত করেছে।