
এ সপ্তাহে মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ডোনাল্ড টাস্ক জানিয়েছেন, জেফরি এপস্টেইনের রুশ গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে সম্ভাব্য যোগাযোগের বিষয়ে তদন্ত করবে তার সরকার। ‘এপস্টেইন ফাইল’-এর লাখ লাখ নথি সামনে আসা এখনো বাকি। থলের বেড়াল আরো বের হবে।

জেফ্রি এপস্টেইন ছিলেন একজন মার্কিন কোটিপতি এবং ফিন্যান্সিয়ার। কিন্তু তার আসল পরিচিতি অন্য জায়গায়। ছিলেন বিশ্বের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ‘নেটওয়ার্কার’। আমেরিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন থেকে শুরু করে ডোনাল্ড ট্রাম্প, মাইক্রোসফট প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস কিংবা ব্রিটিশ রাজপরিবারের প্রিন্স অ্যান্ড্রু

এপস্টেইন ফাইল নিয়ে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় চলছে, বেরিয়ে আসছে একের পর এক নাম। সেই তালিকায় রয়েছেন আমেরিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিন্টন এবং সাবেক ফার্স্ট লেডি হিলারি ক্লিন্টনও। অবশেষে আমেরিকান কংগ্রেসের সামনে সাক্ষ্য দিতে রাজি হয়েছেন তারা।

সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখনো রয়ে গেছে—এপস্টেইন কি সত্যিই আত্মহত্যা করেছিলেন? জেলের সিসিটিভি ক্যামেরা কেন সেই রাতে কাজ করছিল না? কেনই বা তার মৃত্যুর পর মূল প্রমাণগুলো ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হলো?

জেফরি এপস্টাইন সংশ্লিষ্ট নতুন নথিতে আবারও উঠে এসেছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নাম। ট্রাম্পের দাবি, এসব ফাইল তাকে দোষী নয় বরং নির্দোষই প্রমাণ করেছে। বরং এখন তিনি সমালোচকদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছেন।

যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইন সংক্রান্ত ৩ লাখের বেশি পৃষ্ঠার নথি প্রকাশ করেছে মার্কিন বিচার বিভাগ। প্রকাশিত ফাইলে সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনসহ প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ছবি ও নাম উঠে এসেছে। এতে মার্কিন রাজনীতিতে নতুন বিতর্ক ও পারস্পরিক অভিযোগের সূচনা হয়েছে।