এমআরআই রিপোর্ট
চরচা প্রতিবেদক

সাবেক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের হাড় ভেঙে যাওয়া বা কোমরের কয়েকটি হাড় সরে যায়নি।
পলকের এমআরআই রিপোর্টে এমন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
গত ২৯ এপ্রিল রাজধানীর বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে করা এমআরআই রিপোর্ট আজ মঙ্গলবার চরচার হাতে এসেছে।
রিপোর্টে বলা হয়েছে, তার মেরুদণ্ডের হাড়গুলো স্বাভাবিক অবস্থায় রয়েছে। রিপোর্টে কোথাও হাড় ভাঙা বা হাড় সরে যাওয়ার কথা উল্লেখ নেই।
তবে রিপোর্ট সাবেক এই প্রতিমন্ত্রীর কোমর ও ঘাড়ের কিছু অংশে ‘ডিস্ক বাল্জ’ বা ডিস্কজনিত সমস্যা ধরা পড়েছে। বিশেষ করে কোমরের L2-L3, L3-L4 এবং ঘাড়ের C5-C6 ও C6-C7 অংশে এই সমস্যা রয়েছে।
পলকের আইনজীবী তরিকুল ইসলাম মঙ্গলবার সাংবাদিকদের বলেন, “প্রিজন ভ্যান দুর্ঘটনার পর আমরা তার এমআরআই করার আবেদন করি। এরপর কারা কর্তৃপক্ষের নির্দেশে পিজি হাসপাতালে সাবেক প্রতিমন্ত্রী পলকের এমআরআই করা হয়। আজ আমরা এমআরআই প্রতিবেদন হাতে পেয়েছি।”
গত ২৮ এপ্রিল পলকের আরেক আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখী দাবি করেছিলেন, ১৯ এপ্রিল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মামলায় পলকের হাজিরা ছিল। শুনানি শেষে প্রিজন ভ্যানে করে কারাগারে যাওয়ার পথে আরেকটি গাড়ির ধাক্কা লাগে। তিনি প্রিজন ভ্যানের মধ্যে পড়ে যান এবং ঘাড়ে আঘাত পান। পলক এমআরআই করাতে চান। এজন্য আদালতে আবেদন করতে বলেছেন।
এমআরই রিপোর্টে বলা হয়, ডিস্কের কারণে কিছুটা চাপ তৈরি হলেও এতে স্নায়ু বা স্পাইনাল কর্ডের কোনো গুরুতর ক্ষতি হয়নি।
এমআরআই পরীক্ষার পাশাপাশি পলকের হার্টের পরীক্ষাও করা হয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, তার হৃদযন্ত্রের কার্যকারিতা স্বাভাবিক এবং বড় ধরনের কোনো সমস্যা ধরা পড়েনি।
২০২৪ সালের ১৫ অগাস্ট পলককে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর তাকে বিভিন্ন সময় হত্যা, হত্যাচেষ্টা মামলায় রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

সাবেক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের হাড় ভেঙে যাওয়া বা কোমরের কয়েকটি হাড় সরে যায়নি।
পলকের এমআরআই রিপোর্টে এমন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
গত ২৯ এপ্রিল রাজধানীর বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে করা এমআরআই রিপোর্ট আজ মঙ্গলবার চরচার হাতে এসেছে।
রিপোর্টে বলা হয়েছে, তার মেরুদণ্ডের হাড়গুলো স্বাভাবিক অবস্থায় রয়েছে। রিপোর্টে কোথাও হাড় ভাঙা বা হাড় সরে যাওয়ার কথা উল্লেখ নেই।
তবে রিপোর্ট সাবেক এই প্রতিমন্ত্রীর কোমর ও ঘাড়ের কিছু অংশে ‘ডিস্ক বাল্জ’ বা ডিস্কজনিত সমস্যা ধরা পড়েছে। বিশেষ করে কোমরের L2-L3, L3-L4 এবং ঘাড়ের C5-C6 ও C6-C7 অংশে এই সমস্যা রয়েছে।
পলকের আইনজীবী তরিকুল ইসলাম মঙ্গলবার সাংবাদিকদের বলেন, “প্রিজন ভ্যান দুর্ঘটনার পর আমরা তার এমআরআই করার আবেদন করি। এরপর কারা কর্তৃপক্ষের নির্দেশে পিজি হাসপাতালে সাবেক প্রতিমন্ত্রী পলকের এমআরআই করা হয়। আজ আমরা এমআরআই প্রতিবেদন হাতে পেয়েছি।”
গত ২৮ এপ্রিল পলকের আরেক আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখী দাবি করেছিলেন, ১৯ এপ্রিল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মামলায় পলকের হাজিরা ছিল। শুনানি শেষে প্রিজন ভ্যানে করে কারাগারে যাওয়ার পথে আরেকটি গাড়ির ধাক্কা লাগে। তিনি প্রিজন ভ্যানের মধ্যে পড়ে যান এবং ঘাড়ে আঘাত পান। পলক এমআরআই করাতে চান। এজন্য আদালতে আবেদন করতে বলেছেন।
এমআরই রিপোর্টে বলা হয়, ডিস্কের কারণে কিছুটা চাপ তৈরি হলেও এতে স্নায়ু বা স্পাইনাল কর্ডের কোনো গুরুতর ক্ষতি হয়নি।
এমআরআই পরীক্ষার পাশাপাশি পলকের হার্টের পরীক্ষাও করা হয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, তার হৃদযন্ত্রের কার্যকারিতা স্বাভাবিক এবং বড় ধরনের কোনো সমস্যা ধরা পড়েনি।
২০২৪ সালের ১৫ অগাস্ট পলককে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর তাকে বিভিন্ন সময় হত্যা, হত্যাচেষ্টা মামলায় রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।