Advertisement Banner

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীকে সিপিজের ১০ সুপারিশ

চরচা ডেস্ক
চরচা ডেস্ক
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীকে সিপিজের ১০ সুপারিশ
সিপিজের লোগো

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দায়িত্ব গ্রহণের ১০০ দিন পূর্ণ হওয়ার পর বাংলাদেশে সাংবাদিকদের ওপর দমন পীড়নের চক্র ভেঙে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার বিষয়ে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছে কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে)।

গতকাল মঙ্গলবার সিপিজের ওয়েবসাইটে এই আহ্বান জানিয়ে ১০ দফা সুপারিশ তুলে ধরা হয়েছে।

সিপিজে বলছে, দুই বছরে বাংলাদেশ তিনটি সরকার পেয়েছে। প্রতিবার পালাবদলের সময় বাংলাদেশের সাংবাদিকরা আটক, বিচার, নজরদারি, আক্রমণ ও অপবাদের শিকার হয়েছেন বলে দাবি করেছে তারা। বিশেষ করে আগের সরকারের সঙ্গে তাদের কথিত আনুগত্যের কারণ দেখিয়ে এসব করা হয়েছে।

সিপিজের এশিয়া-প্যাসিফিক প্রোগ্রামের সমন্বয়কারী কুনাল মজুমদার বলেন, “বাংলাদেশের প্রতিটি নতুন সরকারই গণমাধ্যমের স্বাধীনতাকে পূর্ববর্তী সরকারের সঙ্গে যুক্ত সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগের একটি সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করেছে।” তিনি আরও বলেন, “তারেক রহমানের সরকার পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু ১০০ দিন পেরোলেও অর্থপূর্ণ অগ্রগতি খুব সামান্যই দেখা গেছে।”

কুনাল মজুমদার বলেন, “কারাবন্দি সাংবাদিকদের মুক্তি এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা প্রত্যাহারের মাধ্যমে সরকার কাজ শুরু করতে পারে। সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বন্ধ করা, সাংবাদিকদের মব ভায়োলেন্স থেকে রক্ষা করা, কুৎসা রটানো বন্ধ করা এবং যে আইনগুলোর কারণে এসব সম্ভব হচ্ছে তা সংশোধন করা প্রয়োজন।”

এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সিপিজে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারে ১০টি প্রধান পদক্ষেপের পরামর্শ দিয়েছে।

এর মধ্যে রয়েছে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থার ব্যবহার বন্ধ করা, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ব্যবহার বন্ধ করা, রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অপরাধের জবাবদিহি নিশ্চিত করা, সহিংসতা থেকে সাংবাদিক ও নিউজরুম রক্ষা করা, সাইবার সুরক্ষা আইন ২০২৬ পরিবর্তন এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সাইবার ক্রাইম মামলা খারিজ করা, সন্ত্রাসবিরোধী আইন ২০০৯ সংস্কার করে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে এর ব্যবহার বন্ধ করা, খসড়া গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ প্রত্যাহার এবং মিডিয়া সংস্কার কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়ন, সাংবাদিকদের মুখ বন্ধ করতে ব্যবহৃত পুরোনো আইন এবং নজরদারি কাঠামো বাতিল বা সংশোধন, অ্যাক্রিডিটেশন ব্যবস্থার সংস্কার এবং হয়রানিমূলক মামলার বিরুদ্ধে সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার বন্ধ।

সম্পর্কিত