চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে শিশু রামিসা ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় নতুন করে আলোচনায় এসেছে একটি নাম, ‘ডলার’। মামলার আসামি সোহেল রানা ডলারের নামটি জবানবন্দিতে বলেননি। এমনকি এই নাম চার্জশিটেও নেই। তাহলে নামটি কোথা থেকে এল? আদালতে কেন বারবার এই নাম বলছেন আসামি সোহেল?
আজ বুধবার ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থনের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। তাতে ডলারের নাম বলেছেন সোহেল। এর আগে সোমবার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরুর দিনও তার নাম বলেন আসামি।
গত সোমবার মহানগর হাজত খানা থেকে আদালতে তোলার সময় আসামি সোহেল রানা সাংবাদিকদের উদ্দেশে একবার বলেন, “আমি শুধু ধর্ষণ করেছি, মারছে ডলার”। পরে আবার নিজেকে ও স্ত্রীকে নির্দোষ দাবি করে বলেন, “আমি শুধু লাশ গুম করতে চেয়েছি, ধর্ষণ করেছে ডলার, মেরেছে ডলার।” আবার এজলাসে দাবি করেন “আমি ধর্ষণ করি নাই, শুধু লাশ কেটেছি।”
আজ ট্রাইব্যুনালে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ পেয়ে বিচারকের উদ্দেশে সোহেল রানা বলেন, “আমি নির্দোষ, খালাস চাই। আমার একটা ছাওয়াল আছে আমাকে মাফ করে দেন।” এ সময় ফের ডলারের নাম উল্লেখ করে আসামি সোহেল বলেন, “আমার সাথে ছিল ডলার। ওকে কেউ দেখে নাই স্যার। ওরে ধরেন স্যার। আমার পাপের শাস্তি আমারে দেন।”
সেই সঙ্গে স্ত্রী স্বপ্নাকেও নির্দোষ দাবি করেন সোহেল। এরপর স্বপ্না আদালতকে বলেন, “আমি কিছু করিনি। স্যার, আমি নির্দোষ, আমি কিছু করিনি।”
ডলারের পরিচয় সম্পর্কে সোহেল রানা জানান, “ডলারের বাসা মিরপুরে। সে ধনী মানুষ।” ডলার দুই লাখ টাকা ঘুষ দিয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন সোহেল।
ডলারের পরিচয় সম্পর্কে আজ শুনানি শেষে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু বলেন, “ডলারের নামটি আসামি সোহেল রানা তার জবানবন্দিতে বলেননি, চার্জশিটেও নেই। সুতরাং ডলার একটি দেশের মুদ্রার নাম। এটি কোনো ব্যক্তি কি-না সেটা যাচাই করতে হবে আগে”।
এ আইনজীবী আরও বলেন, “আসামি সোহেল রানা আজ আদালতে তার দোষ স্বীকার করে মাফও চেয়েছেন। আগামীকাল আদালত যুক্তিতর্কের জন্য ধার্য করেছেন।”
মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী শিশু রামিসা আক্তার (৮) পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘর থেকে বের হলে আসামি স্বপ্না আক্তার তাকে কৌশলে তার ফ্ল্যাটের রুমের ভেতরে নিয়ে যায়। ওইদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি করতে থাকলে একপর্যায়ে আসামির রুমের সামনে তার জুতা দেখতে পান।
ডাকাডাকির পর কোনো সাড়া-শব্দ না পেয়ে রামিসার বাবা-মা ও অন্যান্য ফ্ল্যাটের লোকজন দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে আসামির শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসা আক্তারের (০৮) মাথাবিহীন মরদেহ এবং মাথা রুমের ভেতরে একটি বড় বালতির মধ্যে দেখতে পান। আসামি স্বপ্না আক্তারকে সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় দেখতে পেয়ে তাকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানান, তার স্বামী আসামি মো. সোহেল রানা (৩০) হীন কামনা চরিতার্থ করার জন্য রামিসাকে বাথরুমের ভেতরে আটকে রেখে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে গলা কেটে হত্যা করেছে। এ ঘটনায় ১৯ মে শিশুটির বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা দুজনকে আসামি করে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন।

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে শিশু রামিসা ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় নতুন করে আলোচনায় এসেছে একটি নাম, ‘ডলার’। মামলার আসামি সোহেল রানা ডলারের নামটি জবানবন্দিতে বলেননি। এমনকি এই নাম চার্জশিটেও নেই। তাহলে নামটি কোথা থেকে এল? আদালতে কেন বারবার এই নাম বলছেন আসামি সোহেল?
আজ বুধবার ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থনের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। তাতে ডলারের নাম বলেছেন সোহেল। এর আগে সোমবার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরুর দিনও তার নাম বলেন আসামি।
গত সোমবার মহানগর হাজত খানা থেকে আদালতে তোলার সময় আসামি সোহেল রানা সাংবাদিকদের উদ্দেশে একবার বলেন, “আমি শুধু ধর্ষণ করেছি, মারছে ডলার”। পরে আবার নিজেকে ও স্ত্রীকে নির্দোষ দাবি করে বলেন, “আমি শুধু লাশ গুম করতে চেয়েছি, ধর্ষণ করেছে ডলার, মেরেছে ডলার।” আবার এজলাসে দাবি করেন “আমি ধর্ষণ করি নাই, শুধু লাশ কেটেছি।”
আজ ট্রাইব্যুনালে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ পেয়ে বিচারকের উদ্দেশে সোহেল রানা বলেন, “আমি নির্দোষ, খালাস চাই। আমার একটা ছাওয়াল আছে আমাকে মাফ করে দেন।” এ সময় ফের ডলারের নাম উল্লেখ করে আসামি সোহেল বলেন, “আমার সাথে ছিল ডলার। ওকে কেউ দেখে নাই স্যার। ওরে ধরেন স্যার। আমার পাপের শাস্তি আমারে দেন।”
সেই সঙ্গে স্ত্রী স্বপ্নাকেও নির্দোষ দাবি করেন সোহেল। এরপর স্বপ্না আদালতকে বলেন, “আমি কিছু করিনি। স্যার, আমি নির্দোষ, আমি কিছু করিনি।”
ডলারের পরিচয় সম্পর্কে সোহেল রানা জানান, “ডলারের বাসা মিরপুরে। সে ধনী মানুষ।” ডলার দুই লাখ টাকা ঘুষ দিয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন সোহেল।
ডলারের পরিচয় সম্পর্কে আজ শুনানি শেষে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু বলেন, “ডলারের নামটি আসামি সোহেল রানা তার জবানবন্দিতে বলেননি, চার্জশিটেও নেই। সুতরাং ডলার একটি দেশের মুদ্রার নাম। এটি কোনো ব্যক্তি কি-না সেটা যাচাই করতে হবে আগে”।
এ আইনজীবী আরও বলেন, “আসামি সোহেল রানা আজ আদালতে তার দোষ স্বীকার করে মাফও চেয়েছেন। আগামীকাল আদালত যুক্তিতর্কের জন্য ধার্য করেছেন।”
মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী শিশু রামিসা আক্তার (৮) পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘর থেকে বের হলে আসামি স্বপ্না আক্তার তাকে কৌশলে তার ফ্ল্যাটের রুমের ভেতরে নিয়ে যায়। ওইদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি করতে থাকলে একপর্যায়ে আসামির রুমের সামনে তার জুতা দেখতে পান।
ডাকাডাকির পর কোনো সাড়া-শব্দ না পেয়ে রামিসার বাবা-মা ও অন্যান্য ফ্ল্যাটের লোকজন দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে আসামির শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসা আক্তারের (০৮) মাথাবিহীন মরদেহ এবং মাথা রুমের ভেতরে একটি বড় বালতির মধ্যে দেখতে পান। আসামি স্বপ্না আক্তারকে সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় দেখতে পেয়ে তাকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানান, তার স্বামী আসামি মো. সোহেল রানা (৩০) হীন কামনা চরিতার্থ করার জন্য রামিসাকে বাথরুমের ভেতরে আটকে রেখে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে গলা কেটে হত্যা করেছে। এ ঘটনায় ১৯ মে শিশুটির বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা দুজনকে আসামি করে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দায়িত্ব গ্রহণের ১০০ দিন পূর্ণ হওয়ার পর বাংলাদেশে সাংবাদিকদের ওপর দমন পীড়নের চক্র ভেঙে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার বিষয়ে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছে কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে)।