চরচা প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জিতে বিএনপি এককভাবে সরকার গঠন করতে পারবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, একটি ব্যালেন্সড রাষ্ট্র হতে বিরোধী দল দরকার। সবাই সরকারে চলে আসলে সেটি ব্যালেন্সড হবে না।
জার্মানভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলেকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেছেন তারেক রহমান। সাংবাদিক আরাফাতুল ইসলামে সঙ্গে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি নারীর ক্ষমতায়ন, প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক নিয়েও কথা বলেছেন।
১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট কতটা সুষ্ঠু হবে—এমন প্রশ্নের উত্তরে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, ‘‘আমরা আশা করছি, নির্বাচনটা সুষ্ঠু হবে। মানুষেরও তাই প্রত্যাশা। আমরা আশাবাদী।’’
১৭ বছর পর দেশে ফিরে নিজ দল বিএনপিকে গুছিয়ে নিতে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ কী ছিল—এমন প্রশ্নের উত্তরে তারেক রহমান বলেন, ‘‘চ্যালেঞ্জটা হয়তো কিছুটা খুব সম্ভবত আমারই ছিল। এত বছর পরে এসেছি, আসার পরে মানুষের চোখেমুখে একটা প্রত্যাশা দেখেছি। এটা হলো রাজনৈতিক দিক, অন্যদিকে আসার পাঁচ দিন পরেই আম্মা মারা গেলেন। উনি অসুস্থ ছিলেন অনেক দিন ধরে। স্বাভাবিকভাবে এটাও একটা খুব কষ্টকর বিষয় আমাদের সবার জন্য। আমরা পরিবার যে একসাথে বসে নিজেদের কষ্টটা ভাগ করে নেবো, সেই সুযোগটা বা সময়টা হয়নি। কারণ আমরা একদম নির্বাচনের ডামাডোলের ভেতরে। একদিকে নির্বাচনী ডামাডোল অন্যদিকে ব্যক্তিগত বিষয়টা– দুটোর সামঞ্জস্য রেখে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া, এটাই আসলে আমার কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি যে, হয়ত এই চ্যালেঞ্জটা মোটামুটিভাবে মোকাবিলা করতে সক্ষম হয়েছি আমি।’’
ভবিষ্যতে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের বিষয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘‘আমরা যদি দেখি যে এমন কোনো চুক্তি হচ্ছে যেটা বাংলাদেশের মানুষের স্বার্থের পরিপন্থি, বাংলাদেশের স্বার্থের পরিপন্থি, সেটা যে কোনো দেশের সাথেই হোক না কেন তাদের সাথে স্বাভাবিকভাবেই দূরত্ব হবে। কারণ আমি তো প্রতিনিধিত্ব করি আমার দেশের মানুষকে। কাজেই যে কোনো দুই দেশের মধ্যে যদি কোনো চুক্তি হয়, যেটা আমার দেশের স্বার্থের সাথে যাবে না, সেক্ষেত্রে যে কারো সাথেই আমাদের এরকম দূরত্ব হতে পারে।’’
চীনের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, গ্লোবাল ভিলেজ বলা হয় এখন পৃথিবীকে। কাজেই আমাদের দেশের মানুষ বিভিন্ন দেশের সাথে ব্যবসা বাণিজ্য করবে। আমাদের দেশের মানুষ বিভিন্ন দেশে যাবে চাকরি-বাকরি বিভিন্ন কারণে। কাজেই আমার দেশের স্বার্থ যেখানে বজায় থাকবে, দেশের মানুষের স্বার্থ যেখানে বজায় থাকবে, আমাদের সাথে তাদের সম্পর্ক ভালো হবে।
বিএনপি এককভাবে সরকার গঠন করতে পারবে এমন আশাবাদ ব্যক্ত করে তারেক রহমান বলেন, ‘‘আমরা কনফিডেন্ট যে, ইনশাল্লাহ বাংলাদেশের মানুষের রায় আমরা পাব। আমরা সরকার গঠনে সক্ষম হব– এককভাবে। সেক্ষেত্রে তো কাউকে অপজিশনে থাকতে হবে। কারণ একটা ব্যালেন্সড রাষ্ট্র যদি হতে হয়, ব্যালেন্সড সরকার যদি হতে হয় তাদের সেক্ষেত্রে অপজিশনে থাকতে হবে কাউকে। সবাই সরকারে চলে আসলে কেমন করে দেশ চলবে?’’
নির্বাচনের পর নারীদের ওপরে কোনো ধরনের বিধিনিষেধ আরোপ হবে কিনা, তাদের জীবন সংকুচিত করার কোনো রকম পদক্ষেপ নেওয়া হবে কিনা— এমন প্রশ্নে তারেক রহমান বলেন, ‘‘এমন শঙ্কা অবশ্যই আমাদের পক্ষ থেকে নয়। এটি বাংলাদেশে কিছু কিছু অন্য রাজনৈতিক দল আছে যাদের বিভিন্ন কথাবার্তা বা সোশ্যাল মিডিয়াতে তাদের বিভিন্ন স্টেটমেন্টের মাধ্যমে এই ধারণাগুলো জন্ম নিয়েছে মানুষের মাঝে বা নারীদের মাঝে। আমরা সবসময়ই নারীদের এম্পাওয়ারমেন্ট এর কথা বলেছি। কারণ আমরা যত যাই পরিকল্পনাই করি না কেন, যখন দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারী হয়ে থাকেন, তাদেরকে আলাদা রেখে আমরা দেশকে সামনে নিতে পারব না। আমাদের সকলকে নিয়েই নিতে হবে।’’
আওয়ামী লীগ ছাড়া নির্বাচন প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, ‘‘আমরা রাজনীতি করি মানুষের জন্য, মানুষের সমর্থন নিয়ে। কাজেই আমি মনে করি, রাজনীতিতে মানুষ যাকে গ্রহণ করবে তাকে কেউ ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না। আর যাকে মানুষ গ্রহণ করবে না, যত শক্তিই থাকুক না কেন, শক্তি প্রয়োগ করে সে ধরে রাখতে পারে না, ৫ আগস্ট যার উদাহরণ।’’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জিতে বিএনপি এককভাবে সরকার গঠন করতে পারবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, একটি ব্যালেন্সড রাষ্ট্র হতে বিরোধী দল দরকার। সবাই সরকারে চলে আসলে সেটি ব্যালেন্সড হবে না।
জার্মানভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলেকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেছেন তারেক রহমান। সাংবাদিক আরাফাতুল ইসলামে সঙ্গে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি নারীর ক্ষমতায়ন, প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক নিয়েও কথা বলেছেন।
১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট কতটা সুষ্ঠু হবে—এমন প্রশ্নের উত্তরে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, ‘‘আমরা আশা করছি, নির্বাচনটা সুষ্ঠু হবে। মানুষেরও তাই প্রত্যাশা। আমরা আশাবাদী।’’
১৭ বছর পর দেশে ফিরে নিজ দল বিএনপিকে গুছিয়ে নিতে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ কী ছিল—এমন প্রশ্নের উত্তরে তারেক রহমান বলেন, ‘‘চ্যালেঞ্জটা হয়তো কিছুটা খুব সম্ভবত আমারই ছিল। এত বছর পরে এসেছি, আসার পরে মানুষের চোখেমুখে একটা প্রত্যাশা দেখেছি। এটা হলো রাজনৈতিক দিক, অন্যদিকে আসার পাঁচ দিন পরেই আম্মা মারা গেলেন। উনি অসুস্থ ছিলেন অনেক দিন ধরে। স্বাভাবিকভাবে এটাও একটা খুব কষ্টকর বিষয় আমাদের সবার জন্য। আমরা পরিবার যে একসাথে বসে নিজেদের কষ্টটা ভাগ করে নেবো, সেই সুযোগটা বা সময়টা হয়নি। কারণ আমরা একদম নির্বাচনের ডামাডোলের ভেতরে। একদিকে নির্বাচনী ডামাডোল অন্যদিকে ব্যক্তিগত বিষয়টা– দুটোর সামঞ্জস্য রেখে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া, এটাই আসলে আমার কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি যে, হয়ত এই চ্যালেঞ্জটা মোটামুটিভাবে মোকাবিলা করতে সক্ষম হয়েছি আমি।’’
ভবিষ্যতে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের বিষয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘‘আমরা যদি দেখি যে এমন কোনো চুক্তি হচ্ছে যেটা বাংলাদেশের মানুষের স্বার্থের পরিপন্থি, বাংলাদেশের স্বার্থের পরিপন্থি, সেটা যে কোনো দেশের সাথেই হোক না কেন তাদের সাথে স্বাভাবিকভাবেই দূরত্ব হবে। কারণ আমি তো প্রতিনিধিত্ব করি আমার দেশের মানুষকে। কাজেই যে কোনো দুই দেশের মধ্যে যদি কোনো চুক্তি হয়, যেটা আমার দেশের স্বার্থের সাথে যাবে না, সেক্ষেত্রে যে কারো সাথেই আমাদের এরকম দূরত্ব হতে পারে।’’
চীনের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, গ্লোবাল ভিলেজ বলা হয় এখন পৃথিবীকে। কাজেই আমাদের দেশের মানুষ বিভিন্ন দেশের সাথে ব্যবসা বাণিজ্য করবে। আমাদের দেশের মানুষ বিভিন্ন দেশে যাবে চাকরি-বাকরি বিভিন্ন কারণে। কাজেই আমার দেশের স্বার্থ যেখানে বজায় থাকবে, দেশের মানুষের স্বার্থ যেখানে বজায় থাকবে, আমাদের সাথে তাদের সম্পর্ক ভালো হবে।
বিএনপি এককভাবে সরকার গঠন করতে পারবে এমন আশাবাদ ব্যক্ত করে তারেক রহমান বলেন, ‘‘আমরা কনফিডেন্ট যে, ইনশাল্লাহ বাংলাদেশের মানুষের রায় আমরা পাব। আমরা সরকার গঠনে সক্ষম হব– এককভাবে। সেক্ষেত্রে তো কাউকে অপজিশনে থাকতে হবে। কারণ একটা ব্যালেন্সড রাষ্ট্র যদি হতে হয়, ব্যালেন্সড সরকার যদি হতে হয় তাদের সেক্ষেত্রে অপজিশনে থাকতে হবে কাউকে। সবাই সরকারে চলে আসলে কেমন করে দেশ চলবে?’’
নির্বাচনের পর নারীদের ওপরে কোনো ধরনের বিধিনিষেধ আরোপ হবে কিনা, তাদের জীবন সংকুচিত করার কোনো রকম পদক্ষেপ নেওয়া হবে কিনা— এমন প্রশ্নে তারেক রহমান বলেন, ‘‘এমন শঙ্কা অবশ্যই আমাদের পক্ষ থেকে নয়। এটি বাংলাদেশে কিছু কিছু অন্য রাজনৈতিক দল আছে যাদের বিভিন্ন কথাবার্তা বা সোশ্যাল মিডিয়াতে তাদের বিভিন্ন স্টেটমেন্টের মাধ্যমে এই ধারণাগুলো জন্ম নিয়েছে মানুষের মাঝে বা নারীদের মাঝে। আমরা সবসময়ই নারীদের এম্পাওয়ারমেন্ট এর কথা বলেছি। কারণ আমরা যত যাই পরিকল্পনাই করি না কেন, যখন দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারী হয়ে থাকেন, তাদেরকে আলাদা রেখে আমরা দেশকে সামনে নিতে পারব না। আমাদের সকলকে নিয়েই নিতে হবে।’’
আওয়ামী লীগ ছাড়া নির্বাচন প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, ‘‘আমরা রাজনীতি করি মানুষের জন্য, মানুষের সমর্থন নিয়ে। কাজেই আমি মনে করি, রাজনীতিতে মানুষ যাকে গ্রহণ করবে তাকে কেউ ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না। আর যাকে মানুষ গ্রহণ করবে না, যত শক্তিই থাকুক না কেন, শক্তি প্রয়োগ করে সে ধরে রাখতে পারে না, ৫ আগস্ট যার উদাহরণ।’’