চরচা ডেস্ক

আফগানিস্তানের সীমান্ত এলাকায় আবার নতুন করে বিমান হামলা চালিয়েছে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী। পাকিস্তান এই হামলায় ২৬ জন জঙ্গি নিহত হওয়ার দাবি করেছে। তবে তালেবান সরকারের দাবি, নিহতদের মধ্যে ১১ জন শিশুসহ অন্তত ১৩ জন সাধারণ বেসামরিক নাগরিক রয়েছেন। বিবিসিতে প্রকাশিত এক খবরে এ তথ্য জানা যায়।
আজ বুধবার পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সীমান্তজুড়ে কিছু নির্দিষ্ট স্থানে বিমান হামলা চালানো হয়েছে। তার দাবি, নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানের (টিটিপি) আস্তানা লক্ষ্য করে এই অভিযান চালানো হয়।
তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার জানান, এই অভিযানে ২৬ জন সশস্ত্র যোদ্ধা নিহত হয়েছে এবং তাদের ৪টি আস্তানা সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। ধ্বংসপ্রাপ্ত স্থাপনাগুলোর মধ্যে একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, একটি গোপন আস্তানা ও একটি গোলাবারুদের মজুত রয়েছে।
তবে আফগানিস্তানের ক্ষমতাসীন তালেবান সরকারের প্রধান মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি পাকিস্তানের হামলাকে ‘অপরাধ ও আগ্রাসন’ বলে বর্ণনা করেছেন।
এক্সে এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, মঙ্গলবার শেষ রাতে পাকিস্তানের যুদ্ধবিমান আফগানিস্তানের কুনার, খোস্ত এবং পাকতিকা প্রদেশে বেসামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে বোমাবর্ষণ করেছে। এই হামলায় ১১ জন শিশু, একজন নারী এবং একজন বৃদ্ধসহ মোট ১৩ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া আরও ১৪ জন নারী ও শিশু গুরুতর আহত হয়েছেন বলে তিনি জানান।
পাকিস্তানের ভূখণ্ডে হামলা পরিচালনাকারী সন্ত্রাসীদের আফগানিস্তান আশ্রয় দিচ্ছে বলে পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ করে আসছে, তবে তালেবান সরকার বারবার এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ দিকে আফগানিস্তান-পাকিস্তান সীমান্তে রক্তক্ষয়ী সংঘাত শুরু হয়। পাকিস্তান আফগানিস্তানে হামলা চালানোর পর আফগান বাহিনী পাল্টা আক্রমণ চালালে পরিস্থিতি যুদ্ধে রূপ নেয়। পরবর্তীতে গত মার্চ মাসে চীনের মধ্যস্থতায় দুই দেশের মধ্যে একটি নড়বড়ে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও উভয় পক্ষ একে অপরের বিরুদ্ধে চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ আনায় তা ভেঙে পড়ে।
গত কয়েক সপ্তাহের কিছুটা শান্ত পরিস্থিতির পর মঙ্গলবারের এই বিমান হামলা দুই দেশের সীমান্ত উত্তেজনাকে আবারও চরম পর্যায়ে নিয়ে গেল।

আফগানিস্তানের সীমান্ত এলাকায় আবার নতুন করে বিমান হামলা চালিয়েছে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী। পাকিস্তান এই হামলায় ২৬ জন জঙ্গি নিহত হওয়ার দাবি করেছে। তবে তালেবান সরকারের দাবি, নিহতদের মধ্যে ১১ জন শিশুসহ অন্তত ১৩ জন সাধারণ বেসামরিক নাগরিক রয়েছেন। বিবিসিতে প্রকাশিত এক খবরে এ তথ্য জানা যায়।
আজ বুধবার পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সীমান্তজুড়ে কিছু নির্দিষ্ট স্থানে বিমান হামলা চালানো হয়েছে। তার দাবি, নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানের (টিটিপি) আস্তানা লক্ষ্য করে এই অভিযান চালানো হয়।
তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার জানান, এই অভিযানে ২৬ জন সশস্ত্র যোদ্ধা নিহত হয়েছে এবং তাদের ৪টি আস্তানা সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। ধ্বংসপ্রাপ্ত স্থাপনাগুলোর মধ্যে একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, একটি গোপন আস্তানা ও একটি গোলাবারুদের মজুত রয়েছে।
তবে আফগানিস্তানের ক্ষমতাসীন তালেবান সরকারের প্রধান মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি পাকিস্তানের হামলাকে ‘অপরাধ ও আগ্রাসন’ বলে বর্ণনা করেছেন।
এক্সে এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, মঙ্গলবার শেষ রাতে পাকিস্তানের যুদ্ধবিমান আফগানিস্তানের কুনার, খোস্ত এবং পাকতিকা প্রদেশে বেসামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে বোমাবর্ষণ করেছে। এই হামলায় ১১ জন শিশু, একজন নারী এবং একজন বৃদ্ধসহ মোট ১৩ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া আরও ১৪ জন নারী ও শিশু গুরুতর আহত হয়েছেন বলে তিনি জানান।
পাকিস্তানের ভূখণ্ডে হামলা পরিচালনাকারী সন্ত্রাসীদের আফগানিস্তান আশ্রয় দিচ্ছে বলে পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ করে আসছে, তবে তালেবান সরকার বারবার এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ দিকে আফগানিস্তান-পাকিস্তান সীমান্তে রক্তক্ষয়ী সংঘাত শুরু হয়। পাকিস্তান আফগানিস্তানে হামলা চালানোর পর আফগান বাহিনী পাল্টা আক্রমণ চালালে পরিস্থিতি যুদ্ধে রূপ নেয়। পরবর্তীতে গত মার্চ মাসে চীনের মধ্যস্থতায় দুই দেশের মধ্যে একটি নড়বড়ে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও উভয় পক্ষ একে অপরের বিরুদ্ধে চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ আনায় তা ভেঙে পড়ে।
গত কয়েক সপ্তাহের কিছুটা শান্ত পরিস্থিতির পর মঙ্গলবারের এই বিমান হামলা দুই দেশের সীমান্ত উত্তেজনাকে আবারও চরম পর্যায়ে নিয়ে গেল।