Advertisement Banner

ডেঙ্গু চিকিৎসায় ২০ ভাগ ব্যয় রোগীর, ৮০ ভাগ বেসরকারি হাসপাতালের

চরচা প্রতিবেদক
চরচা প্রতিবেদক
ডেঙ্গু চিকিৎসায় ২০ ভাগ ব্যয় রোগীর, ৮০ ভাগ বেসরকারি হাসপাতালের
ছবি: চরচা

ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় সরকার এবার চিকিৎসাসেবা প্রদানকারী বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে ব্যয় বহনের দায়িত্ব দিয়েছে। ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর ৮০ শতাংশ ব্যয় বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বহন করবে। আর খাদ্য ওষুধসহ ২০ শতাংশ ব্যয় বহন করবে রোগী।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত ডেঙ্গু প্রতিরোধ, চিকিৎসা ও গাইডলাইন বিষয়ক এক সভা শেষে স্বাস্থ্য মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এ কথা জানান।

এসময় বাংলাদেশ সোসাইটি অব মেডিসিন, বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশন এবং বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

স্বাস্থ্য মন্ত্রী বলেন, ‘‘আমরা হামকে যেভাবে মোকাবিলা করেছি, ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব হলে সেটাকে আরও গুরুত্ব সহকারে মোকাবিলা করব।’’

সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘‘ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকার ব্যর্থ হলে আমরা সবাই ব্যর্থ। দেশটাও ব্যর্থ। কাজেই আমরা কিছু না ত্যাগ করলে সফলতা আসবে না। এটা এমনও নয় যে, আমরা কিছু ত্যাগ স্বীকার করলে আমাদের সন্তানরা না খেয়ে থাকবে... তা তো নয়, তারা না খেয়ে থাকবে না।’’

মন্ত্রী বলেন, ‘‘ডেঙ্গু প্রতিরোধে পানিতে এক ধরনের বিশেষ ট্যাবলেট মিশিয়ে স্প্রে করা হবে। এতে মশার লার্ভা মারা যাবে। তবে এ কাজে জনগণকেও সচেতন হতে হবে।’’ মন্ত্রী জানান, আগামী শনিবার থেকেই ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন ও মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সচেতনতামূলক কার্যক্রম শুরু হবে।

মন্ত্রী বলেন, ‘‘এবার কেউ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলে রোগীর পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও ক্লিনিক ব্যয়ের ৮০ শতাংশ বহন করবে বেসরকারি চিকিৎসা সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান। ডাক্তারের ফিসও ফ্রি করা হয়েছে। রোগী বহন করবে ওষুধ ও খাদ্যসহ বাকি ২০ শতাংশ ব্যয়। আর সরকারি হাসপাতালে সব বিনামূল্যে দেওয়া হবে।’’

ডেঙ্গু প্রতিরোধে ভ্যাকসিন দেওয়ার প্রসঙ্গ উঠলে তিনি বলেন, ‘‘এটি এখনও শতভাগ স্বীকৃত ও সার্বজনীন নয়। এ জন্য ভ্যাকসিন দেওয়া হবে না। আরও পরীক্ষা ও পরামর্শ নেওয়া হবে।’’

ডেঙ্গু যাতে মহামারি না হয় সেজন্য সরকার সতর্ক রয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী জানান, এ বিষয়ে নাগরিকদেরও সতর্ক এবং সচেতন হতে হবে।

সম্পর্কিত