চরচা ডেস্ক

হাল দুনিয়ার ‘গোলমেশিন’ বলা হয় তাকে। আর্লিং হালান্ড একটু দেরি করেই এসেছেন বিশ্বকাপের মঞ্চে। তবে অভিষেকটা রাঙালেন নিজের মতো করেই। বিশ্বকাপের ‘আই’ গ্রুপের ম্যাচে ইরাককে ৪–১ গোলে হারিয়েছে নরওয়ে। হালান্ড করেছেন জোড়া গোল।
১৯৮৬ সালে মেক্সিকো বিশ্বকাপে খেলেছিল ইরাক। মাঝখানে ৪০ বছরের লম্বা বিরতি দিয়ে এবার আবার বিশ্বকাপে এশিয়ার সাবেক চ্যাম্পিয়নরা। আজ নরওয়ের বিপক্ষে ইরাকের গোলটি তাই চার দশকের অপেক্ষার পর। ২৯ মিনিটে হালান্ড নরওয়েকে এগিয়ে দেওয়ার পর ৩৯ মিনিটে আইমেন হুসেনের গোলে সমতায় ফিরেছিল ইরাক। দারুণ এক ম্যাচের ইঙ্গিতও ছিল। কিন্তু যে দলে আর্লিং হালান্ডের মতো গোল স্কোরার থাকেন, সে দলকে ঠেকিয়ে রাখা মুশকিল। হালান্ড ৪৩ মিনিটে আবারও এগিয়ে দেন নরওয়েকে। বাকি দুটি গোলের একটি স্কিরি অস্টিগার্ডের। অন্যটি ইরাকের আইমেন হুসেনের। হ্যঁ! ঠিকই পড়ছে। নরওয়ের চতুর্থ গোলটি আত্মঘাতী। এসেছে ওই আইমেনের পা থেকেই। আত্মঘাতী গোলে বিরল এক রেকর্ডে নাম উঠেছে ইরাক স্ট্রাইকারের। বিশ্বকাপে এক ম্যাচে ‘দুই পক্ষের’ হয়েই গোল করা তৃতীয় খেলোয়াড় তিনি।

১৯৮৬ বিশ্বকাপে বেলজিয়ামের বিপক্ষে শেষ গোলটা করেছিল ইরাক। সে হিসেবে ঠিক ৪০ বছর ০৯ দিন পর বিশ্বকাপে গোল করতে পারল ইরাক। বিশ্বকাপের ইতিহাসে কোনো জাতীয় দলের প্রথম ও দ্বিতীয় গোলের মাঝখানে এটা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সময়ের ব্যবধান। মজার ব্যাপার হচ্ছে সবচেয়ে বড় সময়ের ব্যবধানটা নরওয়েরই। ১৯৩৮ বিশ্বকাপের পর ৫৬ বছর ২৮ দিন বিরতি দিয়ে নিজেদের দ্বিতীয় গোলটি পেয়েছিল নরওয়ে। সেটাও ১৯৯৪ বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতেই।
ইরাকের বিপক্ষে ৪–১ গোলের জয় বিশ্বকাপে নরওয়ের সবচেয়ে বড় জয়। স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশটি ১৯৯৮ সালের পর ২৮ বছর বিরতি দিয়ে খেলতে এসেছে বিশ্বকাপে। এই গ্রুপের অন্য ম্যাচে সেনেগালের বিপক্ষে জয় তুলে নিয়েছে ফ্রান্স। তবে গোলগড়ে গ্রুপের শীর্ষে উঠে এসেছে নরওয়েই।

হাল দুনিয়ার ‘গোলমেশিন’ বলা হয় তাকে। আর্লিং হালান্ড একটু দেরি করেই এসেছেন বিশ্বকাপের মঞ্চে। তবে অভিষেকটা রাঙালেন নিজের মতো করেই। বিশ্বকাপের ‘আই’ গ্রুপের ম্যাচে ইরাককে ৪–১ গোলে হারিয়েছে নরওয়ে। হালান্ড করেছেন জোড়া গোল।
১৯৮৬ সালে মেক্সিকো বিশ্বকাপে খেলেছিল ইরাক। মাঝখানে ৪০ বছরের লম্বা বিরতি দিয়ে এবার আবার বিশ্বকাপে এশিয়ার সাবেক চ্যাম্পিয়নরা। আজ নরওয়ের বিপক্ষে ইরাকের গোলটি তাই চার দশকের অপেক্ষার পর। ২৯ মিনিটে হালান্ড নরওয়েকে এগিয়ে দেওয়ার পর ৩৯ মিনিটে আইমেন হুসেনের গোলে সমতায় ফিরেছিল ইরাক। দারুণ এক ম্যাচের ইঙ্গিতও ছিল। কিন্তু যে দলে আর্লিং হালান্ডের মতো গোল স্কোরার থাকেন, সে দলকে ঠেকিয়ে রাখা মুশকিল। হালান্ড ৪৩ মিনিটে আবারও এগিয়ে দেন নরওয়েকে। বাকি দুটি গোলের একটি স্কিরি অস্টিগার্ডের। অন্যটি ইরাকের আইমেন হুসেনের। হ্যঁ! ঠিকই পড়ছে। নরওয়ের চতুর্থ গোলটি আত্মঘাতী। এসেছে ওই আইমেনের পা থেকেই। আত্মঘাতী গোলে বিরল এক রেকর্ডে নাম উঠেছে ইরাক স্ট্রাইকারের। বিশ্বকাপে এক ম্যাচে ‘দুই পক্ষের’ হয়েই গোল করা তৃতীয় খেলোয়াড় তিনি।

১৯৮৬ বিশ্বকাপে বেলজিয়ামের বিপক্ষে শেষ গোলটা করেছিল ইরাক। সে হিসেবে ঠিক ৪০ বছর ০৯ দিন পর বিশ্বকাপে গোল করতে পারল ইরাক। বিশ্বকাপের ইতিহাসে কোনো জাতীয় দলের প্রথম ও দ্বিতীয় গোলের মাঝখানে এটা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সময়ের ব্যবধান। মজার ব্যাপার হচ্ছে সবচেয়ে বড় সময়ের ব্যবধানটা নরওয়েরই। ১৯৩৮ বিশ্বকাপের পর ৫৬ বছর ২৮ দিন বিরতি দিয়ে নিজেদের দ্বিতীয় গোলটি পেয়েছিল নরওয়ে। সেটাও ১৯৯৪ বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতেই।
ইরাকের বিপক্ষে ৪–১ গোলের জয় বিশ্বকাপে নরওয়ের সবচেয়ে বড় জয়। স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশটি ১৯৯৮ সালের পর ২৮ বছর বিরতি দিয়ে খেলতে এসেছে বিশ্বকাপে। এই গ্রুপের অন্য ম্যাচে সেনেগালের বিপক্ষে জয় তুলে নিয়েছে ফ্রান্স। তবে গোলগড়ে গ্রুপের শীর্ষে উঠে এসেছে নরওয়েই।

১৭ মিনিটে গোলের আগে-পরে প্রেসিংয়েও মেসিকে অনেক ক্ষিপ্র দেখা গেছে। দেখে বোঝারই উপায় নেই তার বয়স আর সাত দিন পর ৩৯ হচ্ছে! তার সঙ্গে এক মুহূর্তের এই জাদুতে তৈরি করা গোলে মেসি বুঝিয়ে দিলেন, তাকে নিয়ে প্রশ্নগুলো অমূলক। বোঝালেন, আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ জিতুক না জিতুক, ছেড়ে কথা বলবে না।