চরচা ডেস্ক

পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী আফগানিস্তানের দক্ষিণাঞ্চলের সামরিক স্থাপনাসহ ‘সন্ত্রাসীদের গোপন আস্তানা’ লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালিয়েছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, আজ স্থানীয় সময় রোববার এ দাবি করেছে পাকিস্তান।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানিয়েছে, দক্ষিণ আফগানিস্তানের কান্দাহার প্রদেশে পাকিস্তানি বাহিনী অভিযান চালিয়ে একটি টেকনিক্যাল সাপোর্ট অবকাঠামো এবং সরঞ্জাম মজুত কেন্দ্র ধ্বংস করেছে। পাকিস্তানের দাবি, এই স্থাপনাগুলো পাকিস্তানি বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে ব্যবহারের জন্য তালেবান ও ‘ফিতনা আল-খাওয়ারিজ’ (তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান বা টিটিপি) ব্যবহার করছিল।
এছাড়া কান্দাহারে একটি সুড়ঙ্গেও হামলা চালানো হয়েছে, যা কারিগরি সরঞ্জামের গুদাম হিসেবে ব্যবহৃত হতো বলে পাকিস্তান সেনাবাহিনী দাবি করেছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা কান্দাহার এবং স্পিন বোল্ডাক এলাকায় যুদ্ধবিমানের উপস্থিতি এবং বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনার কথা নিশ্চিত করেছেন।
আফগান তালেবান সরকারের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ পাকিস্তানের দাবি নাকচ করে বলেন, “এই হামলায় মূলত একটি মাদক নিরাময় কেন্দ্র ও খালি কন্টেইনার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।”
অন্যদিকে, এই ঘটনায় ভারতের হস্তক্ষেপের কড়া সমালোচনা করেছে ইসলামাবাদ। ভারত আফগানিস্তানের সার্বভৌমত্ব রক্ষার আহ্বান জানালে পাকিস্তান তার প্রতিক্রিয়ায় বলে, “ভারতের ‘সন্ত্রাসী ফ্র্যাঞ্চাইজি’ ধ্বংস হওয়ায় তারা হতাশ হয়ে এসব মন্তব্য করছে।”
এই বিমান হামলাটি মূলত স্থানীয় সময় শুক্রবার রাতে পাকিস্তানের তিনটি স্থানে আফগানিস্তান থেকে চালানো ড্রোন হামলার প্রতিক্রিয়ায় করা হয়েছে। পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি এই ড্রোন হামলার নিন্দা জানিয়ে কাবুলকে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, “তারা বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে ‘রেড লাইন’ বা সীমা অতিক্রম করেছে।
পাকিস্তান দাবি করেছে, ড্রোনগুলো লক্ষ্যভ্রষ্ট করা হয়েছে, তবে সেগুলোর ধ্বংসাবশেষ পড়ে কোয়েটা, কোহাট এবং রাওয়ালপিন্ডিতে বেশ কয়েকজন বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন।

পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী আফগানিস্তানের দক্ষিণাঞ্চলের সামরিক স্থাপনাসহ ‘সন্ত্রাসীদের গোপন আস্তানা’ লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালিয়েছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, আজ স্থানীয় সময় রোববার এ দাবি করেছে পাকিস্তান।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানিয়েছে, দক্ষিণ আফগানিস্তানের কান্দাহার প্রদেশে পাকিস্তানি বাহিনী অভিযান চালিয়ে একটি টেকনিক্যাল সাপোর্ট অবকাঠামো এবং সরঞ্জাম মজুত কেন্দ্র ধ্বংস করেছে। পাকিস্তানের দাবি, এই স্থাপনাগুলো পাকিস্তানি বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে ব্যবহারের জন্য তালেবান ও ‘ফিতনা আল-খাওয়ারিজ’ (তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান বা টিটিপি) ব্যবহার করছিল।
এছাড়া কান্দাহারে একটি সুড়ঙ্গেও হামলা চালানো হয়েছে, যা কারিগরি সরঞ্জামের গুদাম হিসেবে ব্যবহৃত হতো বলে পাকিস্তান সেনাবাহিনী দাবি করেছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা কান্দাহার এবং স্পিন বোল্ডাক এলাকায় যুদ্ধবিমানের উপস্থিতি এবং বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনার কথা নিশ্চিত করেছেন।
আফগান তালেবান সরকারের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ পাকিস্তানের দাবি নাকচ করে বলেন, “এই হামলায় মূলত একটি মাদক নিরাময় কেন্দ্র ও খালি কন্টেইনার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।”
অন্যদিকে, এই ঘটনায় ভারতের হস্তক্ষেপের কড়া সমালোচনা করেছে ইসলামাবাদ। ভারত আফগানিস্তানের সার্বভৌমত্ব রক্ষার আহ্বান জানালে পাকিস্তান তার প্রতিক্রিয়ায় বলে, “ভারতের ‘সন্ত্রাসী ফ্র্যাঞ্চাইজি’ ধ্বংস হওয়ায় তারা হতাশ হয়ে এসব মন্তব্য করছে।”
এই বিমান হামলাটি মূলত স্থানীয় সময় শুক্রবার রাতে পাকিস্তানের তিনটি স্থানে আফগানিস্তান থেকে চালানো ড্রোন হামলার প্রতিক্রিয়ায় করা হয়েছে। পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি এই ড্রোন হামলার নিন্দা জানিয়ে কাবুলকে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, “তারা বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে ‘রেড লাইন’ বা সীমা অতিক্রম করেছে।
পাকিস্তান দাবি করেছে, ড্রোনগুলো লক্ষ্যভ্রষ্ট করা হয়েছে, তবে সেগুলোর ধ্বংসাবশেষ পড়ে কোয়েটা, কোহাট এবং রাওয়ালপিন্ডিতে বেশ কয়েকজন বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, চট্টগ্রাম সমাজসেবা অধিদপ্তরের বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (উপসচিব) মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমানকে সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব সোহানা নাসরিনকে কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে বদলি ও পদায়ন করা হয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার সাম্প্রতিক রাজনীতিতে সবচেয়ে বিভাজনমূলক ঘটনাগুলোর একটি হলো সাবেক যুদ্ধনায়ক বেন রবার্টস-স্মিথকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক। একসময় যিনি দেশের সর্বোচ্চ সামরিক সম্মান ‘ভিক্টোরিয়া ক্রস’প্রাপ্ত বীর হিসেবে জাতীয় গৌরবের প্রতীক ছিলেন, এখন তিনি যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত।