চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় শহীদ শাহনেওয়াজ হল-সংলগ্ন বটতলার সামনে দুর্বৃত্তের গুলিতে নিহত যুবক শীর্ষ সন্ত্রাসী নাঈম আহমেদ টিটন বলে ধারণা করছে পুলিশ। ঘটনাস্থল পরিদর্শনে এসে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার এস এন মো. নজরুল ইসলাম এ তথ্য জানান।
আজ মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে গুলির ঘটনা ঘটে। পরে সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে গুলিবিদ্ধ যুবককে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পরে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) এস এন মো. নজরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, “আমরা ধারণা করছি নিহত ব্যক্তি হাজারীবাগের শীর্ষ সন্ত্রাসী নাঈম আহমেদ টিটন। তিনি দীর্ঘদিন কারাগারে ছিলেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর তিনি জামিনে কারাগার থেকে বের হন। এর পর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন।”
হত্যার কারণ হিসেবে নজরুল ইসলাম বলেন, “ধারণা করছি, আন্ডারওয়ার্ল্ডে তার প্রতিপক্ষের লোকজনই তাকে গুলি করে হত্যা করেছে।”
পুলিশ সূত্র জানায়, ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ডের পরিচিত নাম খন্দকার নাঈম আহমেদ ওরফে টিটন দীর্ঘদিন ধরেই অপরাধ জগতের সঙ্গে সম্পৃক্ত। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তিনি জামিনে কারামুক্ত হন। তবে মুক্তির পর আদালতে নিয়মিত হাজিরা না দেওয়ায় তাকে পুনরায় পলাতক ঘোষণা করা হয়।
নিহত শীর্ষ সন্ত্রাসী টিটন দুই দশকেরও বেশি সময় কারাগারে ছিলেন। টিটন মূলত ঢাকার রায়েরবাজার ও হাজারীবাগ এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত। তিনি আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী সানজিদুল ইসলাম ইমনের আত্মীয়। মূলত ইমনের দাপটেই তিনি অপরাধ জগতে প্রভাব বিস্তার করেছিলেন। দুই যুগ কারাবন্দি থাকার পর ২০২৩ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর তিনি জামিন পান। কিন্তু আইনি জটিলতায় কারামুক্তি হয়নি। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তিনি কারামুক্ত হন।
জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর তিনি নিয়মিত আদালতে হাজিরা দেননি এবং পলাতক ছিলেন। তার অনুপস্থিতির কারণে আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, টিটন মূলত রাজধানীর ধানমন্ডি, জিগাতলা ও হাজারীবাগ এলাকায় সক্রিয় ছিলেন। যদিও ২০০১ সালে তৎকালীন সরকারের ঘোষিত ‘২৩ শীর্ষ সন্ত্রাসী’র তালিকায় তার নাম ছিল না। কারামুক্তির পর তার বিরুদ্ধে পুনরায় চাঁদাবাজি ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের অভিযোগ ওঠে।

রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় শহীদ শাহনেওয়াজ হল-সংলগ্ন বটতলার সামনে দুর্বৃত্তের গুলিতে নিহত যুবক শীর্ষ সন্ত্রাসী নাঈম আহমেদ টিটন বলে ধারণা করছে পুলিশ। ঘটনাস্থল পরিদর্শনে এসে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার এস এন মো. নজরুল ইসলাম এ তথ্য জানান।
আজ মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে গুলির ঘটনা ঘটে। পরে সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে গুলিবিদ্ধ যুবককে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পরে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) এস এন মো. নজরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, “আমরা ধারণা করছি নিহত ব্যক্তি হাজারীবাগের শীর্ষ সন্ত্রাসী নাঈম আহমেদ টিটন। তিনি দীর্ঘদিন কারাগারে ছিলেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর তিনি জামিনে কারাগার থেকে বের হন। এর পর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন।”
হত্যার কারণ হিসেবে নজরুল ইসলাম বলেন, “ধারণা করছি, আন্ডারওয়ার্ল্ডে তার প্রতিপক্ষের লোকজনই তাকে গুলি করে হত্যা করেছে।”
পুলিশ সূত্র জানায়, ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ডের পরিচিত নাম খন্দকার নাঈম আহমেদ ওরফে টিটন দীর্ঘদিন ধরেই অপরাধ জগতের সঙ্গে সম্পৃক্ত। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তিনি জামিনে কারামুক্ত হন। তবে মুক্তির পর আদালতে নিয়মিত হাজিরা না দেওয়ায় তাকে পুনরায় পলাতক ঘোষণা করা হয়।
নিহত শীর্ষ সন্ত্রাসী টিটন দুই দশকেরও বেশি সময় কারাগারে ছিলেন। টিটন মূলত ঢাকার রায়েরবাজার ও হাজারীবাগ এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত। তিনি আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী সানজিদুল ইসলাম ইমনের আত্মীয়। মূলত ইমনের দাপটেই তিনি অপরাধ জগতে প্রভাব বিস্তার করেছিলেন। দুই যুগ কারাবন্দি থাকার পর ২০২৩ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর তিনি জামিন পান। কিন্তু আইনি জটিলতায় কারামুক্তি হয়নি। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তিনি কারামুক্ত হন।
জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর তিনি নিয়মিত আদালতে হাজিরা দেননি এবং পলাতক ছিলেন। তার অনুপস্থিতির কারণে আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, টিটন মূলত রাজধানীর ধানমন্ডি, জিগাতলা ও হাজারীবাগ এলাকায় সক্রিয় ছিলেন। যদিও ২০০১ সালে তৎকালীন সরকারের ঘোষিত ‘২৩ শীর্ষ সন্ত্রাসী’র তালিকায় তার নাম ছিল না। কারামুক্তির পর তার বিরুদ্ধে পুনরায় চাঁদাবাজি ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের অভিযোগ ওঠে।