চরচা প্রতিবেদক

কী খেলাটাই না খেলছে জাপান।
বিশ্বকাপে এশিয়ার প্রতিনিধিরা নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচেই খেলেছিল দুর্দান্ত। ডাচদের বিপক্ষে ২–২ ড্র করা জাপান আজ দ্বিতীয় ম্যাচে তিউনিসিয়াকে রীতিমতো উড়িয়ে দিয়েছে। আফ্রিকান দলটিকে তারা হারিয়েছে ৪–০ গোলে। সুইডেনের বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ৫–১ গোলে হারের পর আজ আরও ৪ গোল—তবে এশিয়ার প্রতিনিধি জাপান মুগ্ধ করেছে সবাইকে। দুই ম্যাচে নয় গোল হজম করে বিদায় নিল তিউনিসিয়া।
জাপানের উন্নতি সবাইকে অবাক করে। ১৯৯৮ বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো খেলতে এসেছিল তারা। এরপর ধাপে ধাপে এগিয়ে জাপান এই মুহূর্তে বিশ্ব ফুটবলের সমীহ জাগানিয়া ও আকর্ষণীয় একটা দল। গত বিশ্বকাপে জাপান স্পেন ও জার্মানির মতো দলকে হারিয়েছিল। তারা এর মধ্যে হারিয়েছে ব্রাজিলকেও। জাপানের সঙ্গে খেলতে নামলে অনেক বড় বড় দলও এখন আত্মবিশ্বাস নিয়ে ‘জিতব’ কথাটা বলার জায়গায় নেই। জাপানের ফুটবল এখন ওই পর্যায়েই পৌঁছে গেছে।
তিউনিসিয়ার বিপক্ষে ম্যাচটা জাপান শুরুই করেছিল দাপট নিয়ে। শুরুতেই গোল করে এগিয়ে যাওয়ার পর তিউনিসিয়াকে কখনোই মাঠে খুঁজে পাওয়া যায়নি। তিউনিশিয়াকে জাপান পাত্তাই দেয়নি—এ কথা তো বলাই যায়।
জাপান ও তিউনিসিয়ার মধ্যকার ম্যাচটি ছিল ঐতিহাসিক। বিশ্বকাপের হাজারতম ম্যাচ এটি। ১৯৩০ থেকে ২০২৬—২৩ আসর লাগল ১০০০ ম্যাচের জন্য।

জাপানের কাছে হেরে এবারের বিশ্বকাপের তৃতীয় দল হিসেবে গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিশ্চিত হলো তিউনিসিয়ার। এর আগে হাইতি ও তুরস্ক বিদায় নিয়েছিল। তবে সব দলেরই গ্রুপে একটি করে ম্যাচ এখনও বাকি।
ম্যাচের ৪ মিনিটেই দলকে এগিয়ে দিয়েছিলেন দাইচি কামাদা। গোল হতে পারত আরও। ম্যাচের ৯ মিনিটে আরো একটি গোল পেতে পারত জাপান। তিউনিসিয়ার গোলকিপারের দৃঢ়তায় সেটি আর হয়নি। ৩১তম মিনিটে আয়াসে উয়েদা জাপানকে দ্বিতীয় গোল উপহার দেন।
প্রথমার্ধে দুই গোল করা জাপান তিউনিসিয়ার বিপক্ষে ৩–০ গোলে এগিয়ে যায় ম্যাচের ৬৯তম মিনিটে। গোলটি করেন জুনিয়া ইতো। ৮৩ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করে জাপানকে ৪–০ গোলের লিড এনে দেন উয়েদা।

কী খেলাটাই না খেলছে জাপান।
বিশ্বকাপে এশিয়ার প্রতিনিধিরা নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচেই খেলেছিল দুর্দান্ত। ডাচদের বিপক্ষে ২–২ ড্র করা জাপান আজ দ্বিতীয় ম্যাচে তিউনিসিয়াকে রীতিমতো উড়িয়ে দিয়েছে। আফ্রিকান দলটিকে তারা হারিয়েছে ৪–০ গোলে। সুইডেনের বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ৫–১ গোলে হারের পর আজ আরও ৪ গোল—তবে এশিয়ার প্রতিনিধি জাপান মুগ্ধ করেছে সবাইকে। দুই ম্যাচে নয় গোল হজম করে বিদায় নিল তিউনিসিয়া।
জাপানের উন্নতি সবাইকে অবাক করে। ১৯৯৮ বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো খেলতে এসেছিল তারা। এরপর ধাপে ধাপে এগিয়ে জাপান এই মুহূর্তে বিশ্ব ফুটবলের সমীহ জাগানিয়া ও আকর্ষণীয় একটা দল। গত বিশ্বকাপে জাপান স্পেন ও জার্মানির মতো দলকে হারিয়েছিল। তারা এর মধ্যে হারিয়েছে ব্রাজিলকেও। জাপানের সঙ্গে খেলতে নামলে অনেক বড় বড় দলও এখন আত্মবিশ্বাস নিয়ে ‘জিতব’ কথাটা বলার জায়গায় নেই। জাপানের ফুটবল এখন ওই পর্যায়েই পৌঁছে গেছে।
তিউনিসিয়ার বিপক্ষে ম্যাচটা জাপান শুরুই করেছিল দাপট নিয়ে। শুরুতেই গোল করে এগিয়ে যাওয়ার পর তিউনিসিয়াকে কখনোই মাঠে খুঁজে পাওয়া যায়নি। তিউনিশিয়াকে জাপান পাত্তাই দেয়নি—এ কথা তো বলাই যায়।
জাপান ও তিউনিসিয়ার মধ্যকার ম্যাচটি ছিল ঐতিহাসিক। বিশ্বকাপের হাজারতম ম্যাচ এটি। ১৯৩০ থেকে ২০২৬—২৩ আসর লাগল ১০০০ ম্যাচের জন্য।

জাপানের কাছে হেরে এবারের বিশ্বকাপের তৃতীয় দল হিসেবে গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিশ্চিত হলো তিউনিসিয়ার। এর আগে হাইতি ও তুরস্ক বিদায় নিয়েছিল। তবে সব দলেরই গ্রুপে একটি করে ম্যাচ এখনও বাকি।
ম্যাচের ৪ মিনিটেই দলকে এগিয়ে দিয়েছিলেন দাইচি কামাদা। গোল হতে পারত আরও। ম্যাচের ৯ মিনিটে আরো একটি গোল পেতে পারত জাপান। তিউনিসিয়ার গোলকিপারের দৃঢ়তায় সেটি আর হয়নি। ৩১তম মিনিটে আয়াসে উয়েদা জাপানকে দ্বিতীয় গোল উপহার দেন।
প্রথমার্ধে দুই গোল করা জাপান তিউনিসিয়ার বিপক্ষে ৩–০ গোলে এগিয়ে যায় ম্যাচের ৬৯তম মিনিটে। গোলটি করেন জুনিয়া ইতো। ৮৩ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করে জাপানকে ৪–০ গোলের লিড এনে দেন উয়েদা।

রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক এলাকায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু স্থানে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ