চরচা ডেস্ক

নিজের দেশের বাজারে জ্বালানির দাম না কমায় এবার প্রধান প্রধান কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে চটেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
তার অভিযোগ, বৈশ্বিক বাজারে তেলের পাইকারি দাম কমে গেলেও, কোম্পানিগুলো জ্বালানির খুচরা মূল্য কমাচ্ছে না এবং গ্রাহকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি তার দেশের প্রধান জ্বালানি কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, বুধবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, গ্যাসোলিনের দাম পাম্পে আরও অনেক কম হওয়া উচিত। এ সময় তিনি শেভরন, এক্সনমোবিল, শেল এবং বিপির নাম উল্লেখ করেন।
ট্রাম্পের এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এলো, যখন যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের যুদ্ধ চলাকালে তেলের দাম পাইকারি পর্যায়ে যে জায়গায় উঠেছিল, সেখান থেকে তা কমে এসেছে। বর্তমানে তা যুদ্ধ শুরুর আগের জায়গার কাছাকাছি অবস্থান করছে।
যুক্তরাষ্ট্রের তেল ও গ্যাস শিল্পের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন আমেরিকান পেট্রোলিয়াম ইনস্টিটিউট (এপিআই) বলেছে, জ্বালানির দাম অপরিশোধিত তেলের দামের সঙ্গে একেবারে সমান গতিতে ওঠানামা করে না।
বিবিসি জানিয়েছে, তারা শেভরন, এক্সনমোবিল, শেল এবং বিপির কাছে এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে যোগাযোগ করেছিল।
সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, তেলের দাম অনেক কমে এসেছে, কিন্তু তার যেরকম প্রভাব আমাদের দেখা উচিত ছিল, পাম্পে তার প্রতিফলন দেখতে পাচ্ছি না।
তিনি আরও বলেন, আমার মতে, বর্তমানে পাম্পে প্রতি গ্যালন জ্বালানির দাম ২.২৫ ডলার (১.৭১ পাউন্ড) হওয়া উচিত ছিল। কিন্তু দাম এর চেয়ে বেশি।
এর আগে, ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে দাবি করেছিলেন, জ্বালানি কোম্পানিগুলো গ্রাহকদের কাছ থেকে ‘অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছে’। তিনি আরও জানান, এ বিষয়ে ‘দ্রুত তদন্ত শুরু করার’ জন্য তিনি জাস্টিজ ডিপার্টমেন্টকে (ডিওজে) নির্দেশ দিয়েছেন।
ডিওজের এক মুখপাত্র বিবিসিকে বলেন, “জ্বালানির মূল্য শুধু জাতীয় নিরাপত্তার বিষয় নয়, এটি প্রতিটি আমেরিকানের ব্যয়ের ওপরও প্রভাব ফেলে। আমরা সবসময় এই দেশে জ্বালানির দাম সাশ্রয়ী রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” তবে তদন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে কি না, তিনি তা নিশ্চিত করেননি।
হোয়াইট হাউসের এক মুখপাত্র বলেন, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প শুরু থেকেই স্পষ্ট করে বলেছেন যে, জ্বালানি বাজারে স্বল্পমেয়াদি ও সাময়িক কিছু অস্থিরতা দেখা দিতে পারে। তবে ইরান পরিস্থিতির সমাধান হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তেল ও গ্যাসের দাম দ্রুত কমে আসবে।”
ওই মুখপাত্র আরও বলেন, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের আমলে গ্যাসোলিনের দাম ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছিল। প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের জন্য অর্থনৈতিক স্বস্তি নিশ্চিত করতে নিবিড়ভাবে কাজ করছে।”
ট্রাম্পের মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় এপিআইয়ের মুখপাত্র বেথানি উইলিয়ামস বলেন, “আমরাও পাম্পে জ্বালানির দাম কমানো এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে চাই।”
তিনি আরও বলেন, চলমান সংঘাত এখনো “সরবরাহ, পরিশোধন কার্যক্রম এবং মজুদের ওপর প্রভাব ফেলছে”।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জবাবে ইরান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দেওয়ার পর তেলের দাম হঠাৎ বেড়ে যায়। এর ফলে তেল ও গ্যাসের চালান মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয় এবং জ্বালানির দাম দ্রুত ঊর্ধ্বমুখী হয়ে ওঠে।
যুদ্ধ চলতে থাকায় বৈশ্বিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের পাইকারি দাম মে মাসে প্রতি ব্যারেল প্রায় ১২০ ডলারে পৌঁছায়।

নিজের দেশের বাজারে জ্বালানির দাম না কমায় এবার প্রধান প্রধান কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে চটেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
তার অভিযোগ, বৈশ্বিক বাজারে তেলের পাইকারি দাম কমে গেলেও, কোম্পানিগুলো জ্বালানির খুচরা মূল্য কমাচ্ছে না এবং গ্রাহকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি তার দেশের প্রধান জ্বালানি কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, বুধবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, গ্যাসোলিনের দাম পাম্পে আরও অনেক কম হওয়া উচিত। এ সময় তিনি শেভরন, এক্সনমোবিল, শেল এবং বিপির নাম উল্লেখ করেন।
ট্রাম্পের এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এলো, যখন যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের যুদ্ধ চলাকালে তেলের দাম পাইকারি পর্যায়ে যে জায়গায় উঠেছিল, সেখান থেকে তা কমে এসেছে। বর্তমানে তা যুদ্ধ শুরুর আগের জায়গার কাছাকাছি অবস্থান করছে।
যুক্তরাষ্ট্রের তেল ও গ্যাস শিল্পের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন আমেরিকান পেট্রোলিয়াম ইনস্টিটিউট (এপিআই) বলেছে, জ্বালানির দাম অপরিশোধিত তেলের দামের সঙ্গে একেবারে সমান গতিতে ওঠানামা করে না।
বিবিসি জানিয়েছে, তারা শেভরন, এক্সনমোবিল, শেল এবং বিপির কাছে এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে যোগাযোগ করেছিল।
সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, তেলের দাম অনেক কমে এসেছে, কিন্তু তার যেরকম প্রভাব আমাদের দেখা উচিত ছিল, পাম্পে তার প্রতিফলন দেখতে পাচ্ছি না।
তিনি আরও বলেন, আমার মতে, বর্তমানে পাম্পে প্রতি গ্যালন জ্বালানির দাম ২.২৫ ডলার (১.৭১ পাউন্ড) হওয়া উচিত ছিল। কিন্তু দাম এর চেয়ে বেশি।
এর আগে, ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে দাবি করেছিলেন, জ্বালানি কোম্পানিগুলো গ্রাহকদের কাছ থেকে ‘অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছে’। তিনি আরও জানান, এ বিষয়ে ‘দ্রুত তদন্ত শুরু করার’ জন্য তিনি জাস্টিজ ডিপার্টমেন্টকে (ডিওজে) নির্দেশ দিয়েছেন।
ডিওজের এক মুখপাত্র বিবিসিকে বলেন, “জ্বালানির মূল্য শুধু জাতীয় নিরাপত্তার বিষয় নয়, এটি প্রতিটি আমেরিকানের ব্যয়ের ওপরও প্রভাব ফেলে। আমরা সবসময় এই দেশে জ্বালানির দাম সাশ্রয়ী রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” তবে তদন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে কি না, তিনি তা নিশ্চিত করেননি।
হোয়াইট হাউসের এক মুখপাত্র বলেন, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প শুরু থেকেই স্পষ্ট করে বলেছেন যে, জ্বালানি বাজারে স্বল্পমেয়াদি ও সাময়িক কিছু অস্থিরতা দেখা দিতে পারে। তবে ইরান পরিস্থিতির সমাধান হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তেল ও গ্যাসের দাম দ্রুত কমে আসবে।”
ওই মুখপাত্র আরও বলেন, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের আমলে গ্যাসোলিনের দাম ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছিল। প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের জন্য অর্থনৈতিক স্বস্তি নিশ্চিত করতে নিবিড়ভাবে কাজ করছে।”
ট্রাম্পের মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় এপিআইয়ের মুখপাত্র বেথানি উইলিয়ামস বলেন, “আমরাও পাম্পে জ্বালানির দাম কমানো এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে চাই।”
তিনি আরও বলেন, চলমান সংঘাত এখনো “সরবরাহ, পরিশোধন কার্যক্রম এবং মজুদের ওপর প্রভাব ফেলছে”।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জবাবে ইরান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দেওয়ার পর তেলের দাম হঠাৎ বেড়ে যায়। এর ফলে তেল ও গ্যাসের চালান মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয় এবং জ্বালানির দাম দ্রুত ঊর্ধ্বমুখী হয়ে ওঠে।
যুদ্ধ চলতে থাকায় বৈশ্বিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের পাইকারি দাম মে মাসে প্রতি ব্যারেল প্রায় ১২০ ডলারে পৌঁছায়।