চরচা ডেস্ক

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে দ্বিতীয় ধাপে ভোটগ্রহণ চলছে। স্থানীয় সময় আজ বুধবার সকাল ৭টার দিকে শুরু হয়েছে ভোটগ্রহণ। এ ধাপে ৭ জেলায় ১৪২ আসনে ভোটগ্রহণ হবে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে ভাগ্য নির্ধারিত হবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীসহ পশ্চিমবঙ্গের শশী পাঁজা, ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাসসহ আরও একাধিক মন্ত্রীর।
এবার প্রায় ৩ কোটি ২২ লাখ ভোটার ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন ১ হাজার ৪০০-এর বেশি প্রার্থী। দক্ষিণবঙ্গ ও কলকাতা অঞ্চলের আসনগুলোতে মূল লড়াই হওয়ায় এই দফার ভোটকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেসের শক্ত ঘাঁটি বলে পরিচিত এই অঞ্চলগুলোতে এবার কড়া চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। বিশেষ করে ভবানীপুর আসনে শুভেন্দু অধিকারীকে প্রার্থী করায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরও তীব্র হয়েছে।
দ্বিতীয় ধাপের ভোটের জন্য মোট ৪১ হাজার একটি ভোটকেন্দ্র স্থাপন করেছে নির্বাচন কমিশন। সেইসঙ্গে সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে ব্যাপক নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন এবং সব ভোটকেন্দ্রে ওয়েবকাস্টিং চালু করেছে কমিশন।
পশ্চিমবঙ্গের চলমান নির্বাচনের প্রথম ধাপে ২৩ এপ্রিল মোট ১৫২টি আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম দফায় মোট ভোটারের সংখ্যা প্রায় ৩ কোটি ৬০ লাখ। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ১ কোটি ৮৪ লাখ, নারী ভোটার ১ কোটি ৭৫ লাখের মতো এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৪৬৫ জন।
প্রথম দফার ভোট নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস এবং বিজেপি—উভয় পক্ষই আত্মবিশ্বাসী অবস্থান নিয়েছে। দুই দলই দাবি করেছে, তারা ১৫২টির মধ্যে অন্তত ১২৫টি আসনে জয়লাভ করবে।
এবারের নির্বাচনে ভোটার তালিকা হালনাগাদ বা এসআইআর একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হিসেবে সামনে এসেছে। বিপুলসংখ্যক ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়ার অভিযোগ উঠেছে।
এদিকে আগামী ৪ মে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হবে।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে দ্বিতীয় ধাপে ভোটগ্রহণ চলছে। স্থানীয় সময় আজ বুধবার সকাল ৭টার দিকে শুরু হয়েছে ভোটগ্রহণ। এ ধাপে ৭ জেলায় ১৪২ আসনে ভোটগ্রহণ হবে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে ভাগ্য নির্ধারিত হবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীসহ পশ্চিমবঙ্গের শশী পাঁজা, ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাসসহ আরও একাধিক মন্ত্রীর।
এবার প্রায় ৩ কোটি ২২ লাখ ভোটার ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন ১ হাজার ৪০০-এর বেশি প্রার্থী। দক্ষিণবঙ্গ ও কলকাতা অঞ্চলের আসনগুলোতে মূল লড়াই হওয়ায় এই দফার ভোটকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেসের শক্ত ঘাঁটি বলে পরিচিত এই অঞ্চলগুলোতে এবার কড়া চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। বিশেষ করে ভবানীপুর আসনে শুভেন্দু অধিকারীকে প্রার্থী করায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরও তীব্র হয়েছে।
দ্বিতীয় ধাপের ভোটের জন্য মোট ৪১ হাজার একটি ভোটকেন্দ্র স্থাপন করেছে নির্বাচন কমিশন। সেইসঙ্গে সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে ব্যাপক নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন এবং সব ভোটকেন্দ্রে ওয়েবকাস্টিং চালু করেছে কমিশন।
পশ্চিমবঙ্গের চলমান নির্বাচনের প্রথম ধাপে ২৩ এপ্রিল মোট ১৫২টি আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম দফায় মোট ভোটারের সংখ্যা প্রায় ৩ কোটি ৬০ লাখ। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ১ কোটি ৮৪ লাখ, নারী ভোটার ১ কোটি ৭৫ লাখের মতো এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৪৬৫ জন।
প্রথম দফার ভোট নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস এবং বিজেপি—উভয় পক্ষই আত্মবিশ্বাসী অবস্থান নিয়েছে। দুই দলই দাবি করেছে, তারা ১৫২টির মধ্যে অন্তত ১২৫টি আসনে জয়লাভ করবে।
এবারের নির্বাচনে ভোটার তালিকা হালনাগাদ বা এসআইআর একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হিসেবে সামনে এসেছে। বিপুলসংখ্যক ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়ার অভিযোগ উঠেছে।
এদিকে আগামী ৪ মে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হবে।