চরচা প্রতিবেদক

টেলিগ্রাম অ্যাপ ব্যবহার করে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া নারী শিক্ষার্থীদের টার্গেট করে ব্যক্তিগত ছবি সংগ্রহ ও ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগে একটি সংঘবদ্ধ সাইবার অপরাধ চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। আজ সোমবার দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র্যাব মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী এ তথ্য জানান।
গ্রেপ্তাররা হলেন, মেরাজুর রহমান আরমান, বিল্লাল হোসেন অন্তর, রবি আলম মমিন, আল আমিন ইসলাম ও হাসিব।
বিষয়টি নিয়ে র্যাব জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে টেলিগ্রামভিত্তিক সাইবার ব্ল্যাকমেইল চক্রের বিষয়ে সংবাদ প্রকাশের পর অনুসন্ধানে নামে তারা। এতে একটি সুসংগঠিত চক্রের সন্ধান পাওয়া যায়, যারা দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রীদের লক্ষ্য করে তাদের ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ, সংরক্ষণ এবং অর্থের বিনিময়ে বিক্রি করত। তারা টেলিগ্রামে গোপন (প্রাইভেট) চ্যানেল খুলে এসব ছবি ও ভিডিও বাণিজ্যিকভাবে সরবরাহ করত।
র্যাব আরও জানায়, চক্রটি বিভিন্ন কৌশলে ভুক্তভোগীদের ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করত। এর মধ্যে ফেসবুক আইডি বা ব্যক্তিগত ডিভাইস হ্যাকিং, সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর প্রাক্তন প্রেমিকদের কাছ থেকে ছবি বা ভিডিও সংগ্রহ কিংবা শত্রুতাবশত গোপন তথ্য ফাঁস করে দেওয়ার ঘটনাও রয়েছে। পরে এসব কন্টেন্ট ব্যবহার করে ভুক্তভোগীদের ব্ল্যাকমেইল করা হতো বা অর্থের বিনিময়ে অন্যদের কাছে বিক্রি করা হতো।
র্যাব-৮-এর একটি দল ভোলা জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে। তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে জানিয়েছে র্যাব।

টেলিগ্রাম অ্যাপ ব্যবহার করে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া নারী শিক্ষার্থীদের টার্গেট করে ব্যক্তিগত ছবি সংগ্রহ ও ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগে একটি সংঘবদ্ধ সাইবার অপরাধ চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। আজ সোমবার দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র্যাব মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী এ তথ্য জানান।
গ্রেপ্তাররা হলেন, মেরাজুর রহমান আরমান, বিল্লাল হোসেন অন্তর, রবি আলম মমিন, আল আমিন ইসলাম ও হাসিব।
বিষয়টি নিয়ে র্যাব জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে টেলিগ্রামভিত্তিক সাইবার ব্ল্যাকমেইল চক্রের বিষয়ে সংবাদ প্রকাশের পর অনুসন্ধানে নামে তারা। এতে একটি সুসংগঠিত চক্রের সন্ধান পাওয়া যায়, যারা দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রীদের লক্ষ্য করে তাদের ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ, সংরক্ষণ এবং অর্থের বিনিময়ে বিক্রি করত। তারা টেলিগ্রামে গোপন (প্রাইভেট) চ্যানেল খুলে এসব ছবি ও ভিডিও বাণিজ্যিকভাবে সরবরাহ করত।
র্যাব আরও জানায়, চক্রটি বিভিন্ন কৌশলে ভুক্তভোগীদের ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করত। এর মধ্যে ফেসবুক আইডি বা ব্যক্তিগত ডিভাইস হ্যাকিং, সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর প্রাক্তন প্রেমিকদের কাছ থেকে ছবি বা ভিডিও সংগ্রহ কিংবা শত্রুতাবশত গোপন তথ্য ফাঁস করে দেওয়ার ঘটনাও রয়েছে। পরে এসব কন্টেন্ট ব্যবহার করে ভুক্তভোগীদের ব্ল্যাকমেইল করা হতো বা অর্থের বিনিময়ে অন্যদের কাছে বিক্রি করা হতো।
র্যাব-৮-এর একটি দল ভোলা জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে। তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে জানিয়েছে র্যাব।