চরচা ডেস্ক

কিউবার কাছে তেল বিক্রি করা দেশগুলোর ওপর শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তুরস্কভিত্তিক সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড এ খবর জানিয়েছে।
হোয়াইট হাউজ জানিয়েছে, কিউবার অপরাধমূলক নীতি ও কার্যকলাপের ওপর চাপ সৃষ্টি ও আমেরিকার জাতীয় নিরাপত্তা ও বাণিজ্য স্বার্থ রক্ষা করার জন্য শুল্ক আরোপের পদক্ষেপ নিতে এক নির্বাহী আদেশে সই করেছেন ট্রাম্প।
আদেশে বলা হয়েছে, যেসব দেশ সরাসরি বা পরোক্ষভাবে কিউবায় তেল বিক্রি করে, তাদের পণ্য আমদানিতে অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করা হবে। আদেশে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ও বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিককে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
এই নির্বাহী আদেশে শুল্কের হার কত হবে বা কোন কোন দেশ এর আওতায় পড়বে–তা স্পষ্ট করা হয়নি। এসব সিদ্ধান্ত বাণিজ্যমন্ত্রীর ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
বার্তা সংস্থা এএফপি বলছে, এই চাপ এমন এক সময়ে এলো, যখন কিউবা কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকটে রয়েছে। প্রতিদিন ২০ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ বিভ্রাট, খাদ্য ও ওষুধের ঘাটতির মতো সমস্যা বিদ্যমান।
আমেরিকার প্রতিবেশী দেশ মেক্সিকো কিউবার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল সরবরাহকারী হয়ে উঠেছে। তবে গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের চাপের মুখে এই সরবরাহ কমতে পারে।
চলতি সপ্তাহের শুরুতে এক সংবাদ সম্মেলনে মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লদিয়া শেইনবাউম এ সব প্রতিবেদন নিশ্চিত বা অস্বীকার কোনোটিই করেননি। তবে তিনি বলেন, মেক্সিকো কিউবার প্রতি ‘সংহতি প্রদর্শন অব্যাহত রাখবে’।

কিউবার কাছে তেল বিক্রি করা দেশগুলোর ওপর শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তুরস্কভিত্তিক সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড এ খবর জানিয়েছে।
হোয়াইট হাউজ জানিয়েছে, কিউবার অপরাধমূলক নীতি ও কার্যকলাপের ওপর চাপ সৃষ্টি ও আমেরিকার জাতীয় নিরাপত্তা ও বাণিজ্য স্বার্থ রক্ষা করার জন্য শুল্ক আরোপের পদক্ষেপ নিতে এক নির্বাহী আদেশে সই করেছেন ট্রাম্প।
আদেশে বলা হয়েছে, যেসব দেশ সরাসরি বা পরোক্ষভাবে কিউবায় তেল বিক্রি করে, তাদের পণ্য আমদানিতে অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করা হবে। আদেশে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ও বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিককে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
এই নির্বাহী আদেশে শুল্কের হার কত হবে বা কোন কোন দেশ এর আওতায় পড়বে–তা স্পষ্ট করা হয়নি। এসব সিদ্ধান্ত বাণিজ্যমন্ত্রীর ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
বার্তা সংস্থা এএফপি বলছে, এই চাপ এমন এক সময়ে এলো, যখন কিউবা কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকটে রয়েছে। প্রতিদিন ২০ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ বিভ্রাট, খাদ্য ও ওষুধের ঘাটতির মতো সমস্যা বিদ্যমান।
আমেরিকার প্রতিবেশী দেশ মেক্সিকো কিউবার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল সরবরাহকারী হয়ে উঠেছে। তবে গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের চাপের মুখে এই সরবরাহ কমতে পারে।
চলতি সপ্তাহের শুরুতে এক সংবাদ সম্মেলনে মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লদিয়া শেইনবাউম এ সব প্রতিবেদন নিশ্চিত বা অস্বীকার কোনোটিই করেননি। তবে তিনি বলেন, মেক্সিকো কিউবার প্রতি ‘সংহতি প্রদর্শন অব্যাহত রাখবে’।