চরচা ডেস্ক

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান জানিয়েছেন, আমেরিকার পক্ষ থেকে আসা আলোচনার প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে ‘অঞ্চলের বন্ধুপ্রতিম’ সরকারগুলোর অনুরোধের পর ইরান দেশটির সঙ্গে আলোচনায় বসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে পেজেশকিয়ান জানান, তিনি ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচিকে এই আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তবে তিনি শর্ত দিয়েছেন, আলোচনার পরিবেশ ‘হুমকি’ এবং ‘অযৌক্তিক প্রত্যাশা মুক্ত’ হতে হবে।
ইরানি প্রেসিডেন্টের এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এল, যখন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, ইরানের ওপর যেকোনো ধরনের হামলা আঞ্চলিক সংঘাতের জন্ম দেবে।
অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং সাম্প্রতিক আন্দোলনে বিক্ষোভকারীদের ওপর প্রাণঘাতী দমন-পীড়নের বিষয়ে দেশটিতে হস্তক্ষেপ করার হুমকি দিয়েছেন এবং কাছাকাছি অঞ্চলে সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করেছেন।
পেজেশকিয়ান আরও যোগ করে বলেন, “এই আলোচনা আমাদের জাতীয় স্বার্থের কাঠামোর মধ্যে পরিচালিত হবে।”
মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগামী শুক্রবার ইস্তাম্বুলে এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
সোমবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, “যদি আমরা কোনো সমাধানে পৌঁছাতে পারি" তবে সেটি খুব ‘চমৎকার’, তবে তিনি সতর্ক করে দেন, অন্যথায় "ভয়াবহ কিছু ঘটবে।”

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান জানিয়েছেন, আমেরিকার পক্ষ থেকে আসা আলোচনার প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে ‘অঞ্চলের বন্ধুপ্রতিম’ সরকারগুলোর অনুরোধের পর ইরান দেশটির সঙ্গে আলোচনায় বসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে পেজেশকিয়ান জানান, তিনি ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচিকে এই আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তবে তিনি শর্ত দিয়েছেন, আলোচনার পরিবেশ ‘হুমকি’ এবং ‘অযৌক্তিক প্রত্যাশা মুক্ত’ হতে হবে।
ইরানি প্রেসিডেন্টের এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এল, যখন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, ইরানের ওপর যেকোনো ধরনের হামলা আঞ্চলিক সংঘাতের জন্ম দেবে।
অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং সাম্প্রতিক আন্দোলনে বিক্ষোভকারীদের ওপর প্রাণঘাতী দমন-পীড়নের বিষয়ে দেশটিতে হস্তক্ষেপ করার হুমকি দিয়েছেন এবং কাছাকাছি অঞ্চলে সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করেছেন।
পেজেশকিয়ান আরও যোগ করে বলেন, “এই আলোচনা আমাদের জাতীয় স্বার্থের কাঠামোর মধ্যে পরিচালিত হবে।”
মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগামী শুক্রবার ইস্তাম্বুলে এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
সোমবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, “যদি আমরা কোনো সমাধানে পৌঁছাতে পারি" তবে সেটি খুব ‘চমৎকার’, তবে তিনি সতর্ক করে দেন, অন্যথায় "ভয়াবহ কিছু ঘটবে।”