সিলেট প্রতিনিধি

সুনামগঞ্জের চার উপজেলার বিভিন্ন হাওরে ধান কাটার সময় পৃথক বজ্রপাতে পাঁচজন কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল শনিবার দুপুরের দিকে কালবৈশাখী ঝড়ের সময় বজ্রপাতে এসব প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।
মৃতরা হলেন– ধর্মপাশা উপজেলার হাবিবুর রহমান, রহমত উল্লা, জামালগঞ্জ উপজেলার নুর জামাল, তাহিরপুরের আবুল কালাম ও দিরাই উপজেলার লিটন মিয়া।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, বজ্রপাতে দিরাই উপজেলার রফিনগর ইউনিয়নের কালিয়াগোটার হাওরে ধান কাটার সময় কৃষক লিটন মিয়া ঘটনাস্থলেই মারা যান।
তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, বজ্রপাতে মৃত আবুল কালামের মরদেহ আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
এদিকে, জামালগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বন্দে আলী বলেন, পাগনার হাওরে ধান কাটতে গিয়ে নুর জামাল নামে এক কৃষক নিহত হয়েছেন। এছাড়াও আরও ১ জন আহত হয়েছেন বলেও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
একই সময়ে ধর্মপাশা উপজেলায় পৃথক দুটি ঘটনায় হাবিবুর রহমান ও রহমত উল্লাহ নিহত হন। হাবিবুর রহমান পাইকুরাটি ইউনিয়নের বড়ইহাটি গ্রামের বাসিন্দা এবং বাদশাগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। রহমত উল্লাহ জয়শ্রী ইউনিয়নের সরস্বতীপুর গ্রামের বাসিন্দা।
ধর্মপাশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সহিদ উল্ল্যা বলেন, হাওরে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এদিকে, কালবৈশাখীর ঝড়, বজ্রপাত ও শিলাবৃষ্টির তাণ্ডবে সুনামগঞ্জের বিভিন্ন উপজেলায় হাওরের বোরো ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সেইসঙ্গে ১৩ টি গরুও মারা গেছে বলে জানিয়েছেন দিরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সনজিব সরকার।

সুনামগঞ্জের চার উপজেলার বিভিন্ন হাওরে ধান কাটার সময় পৃথক বজ্রপাতে পাঁচজন কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল শনিবার দুপুরের দিকে কালবৈশাখী ঝড়ের সময় বজ্রপাতে এসব প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।
মৃতরা হলেন– ধর্মপাশা উপজেলার হাবিবুর রহমান, রহমত উল্লা, জামালগঞ্জ উপজেলার নুর জামাল, তাহিরপুরের আবুল কালাম ও দিরাই উপজেলার লিটন মিয়া।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, বজ্রপাতে দিরাই উপজেলার রফিনগর ইউনিয়নের কালিয়াগোটার হাওরে ধান কাটার সময় কৃষক লিটন মিয়া ঘটনাস্থলেই মারা যান।
তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, বজ্রপাতে মৃত আবুল কালামের মরদেহ আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
এদিকে, জামালগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বন্দে আলী বলেন, পাগনার হাওরে ধান কাটতে গিয়ে নুর জামাল নামে এক কৃষক নিহত হয়েছেন। এছাড়াও আরও ১ জন আহত হয়েছেন বলেও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
একই সময়ে ধর্মপাশা উপজেলায় পৃথক দুটি ঘটনায় হাবিবুর রহমান ও রহমত উল্লাহ নিহত হন। হাবিবুর রহমান পাইকুরাটি ইউনিয়নের বড়ইহাটি গ্রামের বাসিন্দা এবং বাদশাগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। রহমত উল্লাহ জয়শ্রী ইউনিয়নের সরস্বতীপুর গ্রামের বাসিন্দা।
ধর্মপাশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সহিদ উল্ল্যা বলেন, হাওরে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এদিকে, কালবৈশাখীর ঝড়, বজ্রপাত ও শিলাবৃষ্টির তাণ্ডবে সুনামগঞ্জের বিভিন্ন উপজেলায় হাওরের বোরো ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সেইসঙ্গে ১৩ টি গরুও মারা গেছে বলে জানিয়েছেন দিরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সনজিব সরকার।