আল জাজিরার প্রতিবেদন
চরচা ডেস্ক

হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রবাহিত অপরিশোধিত তেলের সিংহভাগই যায় এশিয়ার দেশগুলোতে, আর এই পথটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দেশগুলোর অর্থনীতি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, এই ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে বাংলাদেশ। দেশটি প্রয়োজনীয় জ্বালানির প্রায় ৯৫ শতাংশই আমদানি করে। বর্তমানে বাংলাদেশ তীব্র জ্বালানি সংকট মোকাবিলা করছে। পেট্রোল পাম্পগুলোর সামনে দীর্ঘ লাইন তৈরি হয়েছে ও জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সরকার কর্মঘণ্টা কমিয়ে এনেছে।
ইরানের ওপর মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রভাব সাধারণ মানুষের প্রাত্যহিক জীবনে যেভাবে পড়ছে, তা নিয়ে জনমনে ক্ষোভ বাড়ছে।
বাংলাদেশের কক্সবাজারের একটি পেট্রোল পাম্পে ৪৮ বছর বয়সী দূরপাল্লার বাসচালক আব্দুল গনি জানান, বাস রিফুয়েলিং করার জন্য তাকে প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়েছে। এর ফলে জনপ্রিয় এই পর্যটন শহর থেকে অন্যান্য জেলায় পূর্বনির্ধারিত যাত্রাগুলো বিলম্বিত হচ্ছে।
চালকরা আরও অভিযোগ করেছেন যে, প্রতিটি যানবাহনের জন্য বরাদ্দকৃত জ্বালানির পরিমাণ দূরপাল্লার যাত্রার জন্য একেবারেই পর্যাপ্ত নয়।
১৭ বছর বয়সী কলেজ শিক্ষার্থী মোহাম্মদ ইরফাত বলেন, ‘‘এই সংকটে আমরা খুব বিপদে আছি। এটি আমাদের দৈনন্দিন দুর্ভোগ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মাত্র ২ লিটার জ্বালানি যথেষ্ট নয়। আমি ইনানি (প্রায় ৪০ কিমি দূরে) থেকে এসেছি। আসা-যাওয়ার পথেই আমার সব তেল শেষ হয়ে যায়। যাতায়াতেই প্রায় এক থেকে দেড় লিটার জ্বালানি পুড়ে যায়।’’
এদিকে বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশে ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানি তেলের বিক্রয়মূল্য পুনর্নির্ধারণ করেছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অকটেনের দাম বেড়ে প্রতি লিটার ১৪০ টাকা এবং পেট্রোলের দাম ১৩৫ টাকা করা হয়েছে।
গতকাল শনিবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বার্তায় এই মূল্য সমন্বয়ের কথা জানানো হয়। পুনর্নির্ধারিত এই দাম আজ রোববার থেকে সারাদেশে কার্যকর হবে।
মন্ত্রণালয়ের বার্তায় জানানো হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখতে দেশের বাজারেও এই দাম সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, এখন থেকে প্রতি লিটার অকটেন ১৪০ টাকা এবং পেট্রোল ১৩৫ টাকা দরে বিক্রি হবে। একইসঙ্গে ডিজেলের দাম প্রতি লিটার ১১৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া কেরোসিনের দাম পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি লিটার ১৩০ টাকা।
জ্বালানি তেলের দাম পুনর্নির্ধারণের আগে ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি লিটার অকটেনের মূল্য ছিল ১২০ টাকা এবং পেট্রোলের মূল্য ছিল ১১৬ টাকা। এছাড়া কেরোসিনের দাম ছিল প্রতি লিটার ১১২ টাকা এবং ডিজেলের মূল্য ছিল লিটারপ্রতি ১০০ টাকা।

হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রবাহিত অপরিশোধিত তেলের সিংহভাগই যায় এশিয়ার দেশগুলোতে, আর এই পথটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দেশগুলোর অর্থনীতি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, এই ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে বাংলাদেশ। দেশটি প্রয়োজনীয় জ্বালানির প্রায় ৯৫ শতাংশই আমদানি করে। বর্তমানে বাংলাদেশ তীব্র জ্বালানি সংকট মোকাবিলা করছে। পেট্রোল পাম্পগুলোর সামনে দীর্ঘ লাইন তৈরি হয়েছে ও জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সরকার কর্মঘণ্টা কমিয়ে এনেছে।
ইরানের ওপর মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রভাব সাধারণ মানুষের প্রাত্যহিক জীবনে যেভাবে পড়ছে, তা নিয়ে জনমনে ক্ষোভ বাড়ছে।
বাংলাদেশের কক্সবাজারের একটি পেট্রোল পাম্পে ৪৮ বছর বয়সী দূরপাল্লার বাসচালক আব্দুল গনি জানান, বাস রিফুয়েলিং করার জন্য তাকে প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়েছে। এর ফলে জনপ্রিয় এই পর্যটন শহর থেকে অন্যান্য জেলায় পূর্বনির্ধারিত যাত্রাগুলো বিলম্বিত হচ্ছে।
চালকরা আরও অভিযোগ করেছেন যে, প্রতিটি যানবাহনের জন্য বরাদ্দকৃত জ্বালানির পরিমাণ দূরপাল্লার যাত্রার জন্য একেবারেই পর্যাপ্ত নয়।
১৭ বছর বয়সী কলেজ শিক্ষার্থী মোহাম্মদ ইরফাত বলেন, ‘‘এই সংকটে আমরা খুব বিপদে আছি। এটি আমাদের দৈনন্দিন দুর্ভোগ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মাত্র ২ লিটার জ্বালানি যথেষ্ট নয়। আমি ইনানি (প্রায় ৪০ কিমি দূরে) থেকে এসেছি। আসা-যাওয়ার পথেই আমার সব তেল শেষ হয়ে যায়। যাতায়াতেই প্রায় এক থেকে দেড় লিটার জ্বালানি পুড়ে যায়।’’
এদিকে বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশে ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানি তেলের বিক্রয়মূল্য পুনর্নির্ধারণ করেছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অকটেনের দাম বেড়ে প্রতি লিটার ১৪০ টাকা এবং পেট্রোলের দাম ১৩৫ টাকা করা হয়েছে।
গতকাল শনিবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বার্তায় এই মূল্য সমন্বয়ের কথা জানানো হয়। পুনর্নির্ধারিত এই দাম আজ রোববার থেকে সারাদেশে কার্যকর হবে।
মন্ত্রণালয়ের বার্তায় জানানো হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখতে দেশের বাজারেও এই দাম সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, এখন থেকে প্রতি লিটার অকটেন ১৪০ টাকা এবং পেট্রোল ১৩৫ টাকা দরে বিক্রি হবে। একইসঙ্গে ডিজেলের দাম প্রতি লিটার ১১৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া কেরোসিনের দাম পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি লিটার ১৩০ টাকা।
জ্বালানি তেলের দাম পুনর্নির্ধারণের আগে ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি লিটার অকটেনের মূল্য ছিল ১২০ টাকা এবং পেট্রোলের মূল্য ছিল ১১৬ টাকা। এছাড়া কেরোসিনের দাম ছিল প্রতি লিটার ১১২ টাকা এবং ডিজেলের মূল্য ছিল লিটারপ্রতি ১০০ টাকা।