চরচা প্রতিবেদক

বাংলাদেশ ব্যাংক রোববার ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-এর পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিয়েছে। চেয়ারম্যানসহ সব পরিচালকের নিয়োগ বাতিল করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক তার নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ জহির হোসেনকে পর্ষদের সব ক্ষমতা ও দায়িত্ব দিয়ে এই ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ সরাসরি নিজের হাতে নিয়ে নিয়েছে।
ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ এবং ৪৭(৩) ধারায় কেন্দ্রীয় ব্যাংককে দেওয়া বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আমানতকারীদের স্বার্থ ও জনস্বার্থ রক্ষার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
দেশের বৃহত্তম বেসরকারি ব্যাংক ইসলামী ব্যাংকে গত প্রায় দুই বছরে নেতৃত্বের ধারাবাহিক অস্থিরতা চলছিল। ২২ মাসে তিনবার চেয়ারম্যান বদল, বেশ কয়েকজন পরিচালকের পদত্যাগ এবং শীর্ষ ব্যবস্থাপনায় একের পর এক পরিবর্তন ব্যাংকটির প্রশাসনিক কাঠামোকে নাজুক করে তুলেছিল।
এর আগে ২০২২-২৪ সালে আলোচিত ব্যবসায়ী গোষ্ঠী এস আলম গ্রুপ ব্যাংকটির নিয়ন্ত্রণ নিলে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। ২০২৪ সালের আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সেই পর্ষদ বাতিল হলেও পরের পর্ষদগুলো নিয়েও জটিলতা কাটেনি।
ব্যাংক কোম্পানি আইনের ৪৫ ধারা বাংলাদেশ ব্যাংককে যেকোনো ব্যাংকের ব্যবস্থাপনায় সরাসরি হস্তক্ষেপের অধিকার দেয়, যদি সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের কার্যক্রম আমানতকারী বা জনস্বার্থের জন্য ক্ষতিকর হয়ে ওঠে। ৪৭(৩) ধারায় পর্ষদ ভেঙে দিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিজস্ব কর্মকর্তাকে সেই দায়িত্ব দেওয়ার বিধান রয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক সরাসরি নিয়ন্ত্রণ নেওয়ায় ব্যাংকের দৈনন্দিন কার্যক্রম—লেনদেন, আমানত উত্তোলন ও ঋণ পরিশোধ স্বাভাবিক থাকবে বলে ধরে নেওয়া হচ্ছে। তবে পরিচালনা পর্ষদ না থাকায় বড় ঋণ অনুমোদন বা নতুন বিনিয়োগ সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিযুক্ত কর্মকর্তাই চূড়ান্ত অনুমোদন দেবেন।
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের ৪ কোটিরও বেশি গ্রাহক এবং দেশের মোট ইসলামি ব্যাংকিং আমানতের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ এই ব্যাংকে রয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক রোববার ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-এর পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিয়েছে। চেয়ারম্যানসহ সব পরিচালকের নিয়োগ বাতিল করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক তার নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ জহির হোসেনকে পর্ষদের সব ক্ষমতা ও দায়িত্ব দিয়ে এই ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ সরাসরি নিজের হাতে নিয়ে নিয়েছে।
ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ এবং ৪৭(৩) ধারায় কেন্দ্রীয় ব্যাংককে দেওয়া বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আমানতকারীদের স্বার্থ ও জনস্বার্থ রক্ষার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
দেশের বৃহত্তম বেসরকারি ব্যাংক ইসলামী ব্যাংকে গত প্রায় দুই বছরে নেতৃত্বের ধারাবাহিক অস্থিরতা চলছিল। ২২ মাসে তিনবার চেয়ারম্যান বদল, বেশ কয়েকজন পরিচালকের পদত্যাগ এবং শীর্ষ ব্যবস্থাপনায় একের পর এক পরিবর্তন ব্যাংকটির প্রশাসনিক কাঠামোকে নাজুক করে তুলেছিল।
এর আগে ২০২২-২৪ সালে আলোচিত ব্যবসায়ী গোষ্ঠী এস আলম গ্রুপ ব্যাংকটির নিয়ন্ত্রণ নিলে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। ২০২৪ সালের আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সেই পর্ষদ বাতিল হলেও পরের পর্ষদগুলো নিয়েও জটিলতা কাটেনি।
ব্যাংক কোম্পানি আইনের ৪৫ ধারা বাংলাদেশ ব্যাংককে যেকোনো ব্যাংকের ব্যবস্থাপনায় সরাসরি হস্তক্ষেপের অধিকার দেয়, যদি সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের কার্যক্রম আমানতকারী বা জনস্বার্থের জন্য ক্ষতিকর হয়ে ওঠে। ৪৭(৩) ধারায় পর্ষদ ভেঙে দিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিজস্ব কর্মকর্তাকে সেই দায়িত্ব দেওয়ার বিধান রয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক সরাসরি নিয়ন্ত্রণ নেওয়ায় ব্যাংকের দৈনন্দিন কার্যক্রম—লেনদেন, আমানত উত্তোলন ও ঋণ পরিশোধ স্বাভাবিক থাকবে বলে ধরে নেওয়া হচ্ছে। তবে পরিচালনা পর্ষদ না থাকায় বড় ঋণ অনুমোদন বা নতুন বিনিয়োগ সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিযুক্ত কর্মকর্তাই চূড়ান্ত অনুমোদন দেবেন।
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের ৪ কোটিরও বেশি গ্রাহক এবং দেশের মোট ইসলামি ব্যাংকিং আমানতের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ এই ব্যাংকে রয়েছে।