চলমান সংঘাত বন্ধে ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তিতে কিছু পরিবর্তন আনতে চাইছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড। এরমধ্যে হরমুজ প্রণালি এবং উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম সরিয়ে নেওয়ার বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
বিবিসির যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদ সহযোগী সিবিএস নিউজ এ খবর জানিয়েছে। তবে ট্রাম্প যেসব পরিবর্তন চান, সে বিষয়ে হোয়াইট হাউস কোনো মন্তব্য করেনি বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ইস্যুতে ইরানের প্রধান আলোচক ও দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, ইরানি জনগণের অধিকার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো চুক্তি অনুমোদন করবে না তেহরান।
এর আগে শুক্রবার ট্রাম্প তার শীর্ষ উপদেষ্টাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। উদ্দেশ্য ছিল ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর একটি কাঠামো নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া। তবে বৈঠক শেষ হলেও পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে স্পষ্ট কিছু জানা যায়নি।
পরে সিবিএস জানায়, চুক্তির সর্বশেষ খসড়ায় ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি, হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেওয়াসহ ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরুর একটি কাঠামো রাখা হয়েছে।
আলোচনা আগালে ইরানের ওপর কিছু নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার বিষয়ও থাকতে পারে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। এতে ইরান বিদেশে আটকে থাকা কয়েকশ কোটি ডলারের সম্পদ ব্যবহারের সুযোগ পেতে পারে।
গতকাল শনিবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস ও অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, ট্রাম্প ইরানের কাছে একটি নতুন খসড়া কাঠামো পাঠিয়েছেন, যাতে আগের তুলনায় আরও কঠোর শর্ত অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
তবে নতুন প্রস্তাবে ঠিক কী ধরনের শর্ত রাখা হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
এরইমধ্যে রোববার চুক্তিতে নতুন করে পরিবর্তনের খবর সামনে আসাকে হোয়াইট হাউস ও তেহরানের কয়েক দিনের টানা আলোচনার সর্বশেষ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।