চরচা ডেস্ক

বলিভিয়ার রাজধানী লা পাজের কাছে অর্থবাহী একটি সামরিক কার্গো উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়েছে। স্থানীয় সময় শুক্রবার এ দুর্ঘটনা ঘটে।
এতে মহাসড়কের প্রায় এক ডজন যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং চারদিকে নোট ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়েছে। এই দুর্ঘটনায় অন্তত ১৫ জন নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন। বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
বলিভিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী মার্সেলো সালিনাস জানান, হারকিউলিস সি-১৩০ মডেলের উড়োজাহাজটি নতুন মুদ্রিত বলিভীয় মুদ্রা বহন করছিল। লা পাজ রাজধানীর পাশ্ববর্তী শহর এল আল্টোর একটি বিমানবন্দরে অবতরণের সময় এটি রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়ে পাশের একটি মাঠে গিয়ে থামে। ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা প্লেনটিতে লাগা আগুন নেভাতে সক্ষম হন।
ফায়ার সার্ভিস প্রধান পাভেল তোভার জানান, অন্তত ১৫ জন মারা গেছেন। তবে নিহতরা আরোহী নাকি মহাসড়কের গাড়ির যাত্রী ছিলেন, তা তিনি স্পষ্ট করেননি। অন্যদিকে, প্রতিরক্ষামন্ত্রী সালিনাস নিহতের নির্দিষ্ট সংখ্যা জানাননি। তিনি জানান, দুর্ঘটনার কারণ তদন্ত করা হচ্ছে।
বলিভীয় বিমান বাহিনীর জেনারেল সার্জিও লোরা জানান, শুক্রবার রাত পর্যন্ত উড়োজাহাজের ছয়জন ক্রু সদস্যের মধ্যে দুজনকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। তিনি আরও জানান, বিমানটি পূর্বঞ্চলীয় শহর সান্তা ক্রুজ থেকে মালামাল নিয়ে আসছিল।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে উড়োজাহাজের ধ্বংসাবশেষ, দুমড়েমুচড়ে যাওয়া গাড়ি এবং রাস্তায় মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা গেছে। তোভারের মতে, অন্তত ১৫টি যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
উড়োজাহজটি বলিভীয় বিমান বাহিনীর মালিকানাধীন ছিল এবং এটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নোট বহন করছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভিডিওতে দেখা গেছে, দুর্ঘটনাস্থলে ছড়িয়ে পড়া নোটগুলো সংগ্রহ করতে মানুষ ভিড় করছে, আর দাঙ্গা পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করছে।
তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ডেভিড এস্পিনোজা পরে জানান, এই নোটগুলোর কোনো আইনি বৈধতা নেই। কারণ সেগুলো কোনো সিরিয়াল নম্বর বসানো হয়নি। তিনি জানান, নোটগুলো লা পাজ-এ নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, তবে ঠিক কত পরিমাণ অর্থ সেখানে ছিল তা তিনি উল্লেখ করেননি।
কর্তৃপক্ষ সাময়িকভাবে ওই বিমানবন্দরের সব ফ্লাইট ওঠানামা স্থগিত করেছে।

বলিভিয়ার রাজধানী লা পাজের কাছে অর্থবাহী একটি সামরিক কার্গো উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়েছে। স্থানীয় সময় শুক্রবার এ দুর্ঘটনা ঘটে।
এতে মহাসড়কের প্রায় এক ডজন যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং চারদিকে নোট ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়েছে। এই দুর্ঘটনায় অন্তত ১৫ জন নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন। বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
বলিভিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী মার্সেলো সালিনাস জানান, হারকিউলিস সি-১৩০ মডেলের উড়োজাহাজটি নতুন মুদ্রিত বলিভীয় মুদ্রা বহন করছিল। লা পাজ রাজধানীর পাশ্ববর্তী শহর এল আল্টোর একটি বিমানবন্দরে অবতরণের সময় এটি রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়ে পাশের একটি মাঠে গিয়ে থামে। ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা প্লেনটিতে লাগা আগুন নেভাতে সক্ষম হন।
ফায়ার সার্ভিস প্রধান পাভেল তোভার জানান, অন্তত ১৫ জন মারা গেছেন। তবে নিহতরা আরোহী নাকি মহাসড়কের গাড়ির যাত্রী ছিলেন, তা তিনি স্পষ্ট করেননি। অন্যদিকে, প্রতিরক্ষামন্ত্রী সালিনাস নিহতের নির্দিষ্ট সংখ্যা জানাননি। তিনি জানান, দুর্ঘটনার কারণ তদন্ত করা হচ্ছে।
বলিভীয় বিমান বাহিনীর জেনারেল সার্জিও লোরা জানান, শুক্রবার রাত পর্যন্ত উড়োজাহাজের ছয়জন ক্রু সদস্যের মধ্যে দুজনকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। তিনি আরও জানান, বিমানটি পূর্বঞ্চলীয় শহর সান্তা ক্রুজ থেকে মালামাল নিয়ে আসছিল।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে উড়োজাহাজের ধ্বংসাবশেষ, দুমড়েমুচড়ে যাওয়া গাড়ি এবং রাস্তায় মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা গেছে। তোভারের মতে, অন্তত ১৫টি যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
উড়োজাহজটি বলিভীয় বিমান বাহিনীর মালিকানাধীন ছিল এবং এটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নোট বহন করছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভিডিওতে দেখা গেছে, দুর্ঘটনাস্থলে ছড়িয়ে পড়া নোটগুলো সংগ্রহ করতে মানুষ ভিড় করছে, আর দাঙ্গা পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করছে।
তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ডেভিড এস্পিনোজা পরে জানান, এই নোটগুলোর কোনো আইনি বৈধতা নেই। কারণ সেগুলো কোনো সিরিয়াল নম্বর বসানো হয়নি। তিনি জানান, নোটগুলো লা পাজ-এ নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, তবে ঠিক কত পরিমাণ অর্থ সেখানে ছিল তা তিনি উল্লেখ করেননি।
কর্তৃপক্ষ সাময়িকভাবে ওই বিমানবন্দরের সব ফ্লাইট ওঠানামা স্থগিত করেছে।