চরচা ডেস্ক

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার তারিখ ঘোষণা করেছে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। আগামী ৪ জুলাই রাজধানী তেহরানে এই প্রক্রিয়া শুরু হবে। ৯ জুলাই উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় পবিত্র শহর মাশহাদে দাফন হবে খামেনির।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, আজ শনিবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে ইরানি সংবাদমাধ্যমগুলো।
গত ফেব্রুয়ারি মাসে ইরানজুড়ে চালানো ইসরায়েলি ও মার্কিন যৌথ বিমান হামলায় নিহত হন ৮৬ বছর বয়সী এই শীর্ষ নেতা। ১ মার্চ তার মৃত্যুর খবর রাষ্ট্রীয়ভাবে নিশ্চিত করা হলেও পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও নিরাপত্তা জটিলতার কারণে অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার সময় বারবার পিছিয়ে চার মাসেরও বেশি সময় পর এই চূড়ান্ত সূচি ঘোষণা করা হলো।
আলি খামেনির মৃত্যুর মাধ্যমে ইরানের ইতিহাসে দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা এক অধ্যায়ের অবসান ঘটে। ১৯৮৯ সালে দেশটির প্রথম সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খামেনির মৃত্যুর পর তিনি দীর্ঘ প্রায় ৩৭ বছর ধরে ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরানের প্রধান অভিভাবক ও নীতি-নির্ধারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
ইরানের সরকারি সূত্রগুলো জানিয়েছে, তেহরান, কোম এবং মাশহাদ—এই তিনটি প্রধান শহরে খামেনির মরদেহ নিয়ে শোক মিছিলের আয়োজন করা হবে। প্রয়াত নেতার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী প্রতিটি মিছিল অন্তত ২৪ ঘণ্টা স্থায়ী হতে পারে। রাষ্ট্রীয় এই অনুষ্ঠানগুলোতে প্রায় ২ কোটি মানুষের সমাগম হতে পারে বলে ধারণা করছে দেশটির প্রশাসন। এই উপলক্ষে দেশজুড়ে বিশেষ জাতীয় শোক দিবসও ঘোষণা করা হতে পারে।

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার তারিখ ঘোষণা করেছে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। আগামী ৪ জুলাই রাজধানী তেহরানে এই প্রক্রিয়া শুরু হবে। ৯ জুলাই উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় পবিত্র শহর মাশহাদে দাফন হবে খামেনির।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, আজ শনিবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে ইরানি সংবাদমাধ্যমগুলো।
গত ফেব্রুয়ারি মাসে ইরানজুড়ে চালানো ইসরায়েলি ও মার্কিন যৌথ বিমান হামলায় নিহত হন ৮৬ বছর বয়সী এই শীর্ষ নেতা। ১ মার্চ তার মৃত্যুর খবর রাষ্ট্রীয়ভাবে নিশ্চিত করা হলেও পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও নিরাপত্তা জটিলতার কারণে অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার সময় বারবার পিছিয়ে চার মাসেরও বেশি সময় পর এই চূড়ান্ত সূচি ঘোষণা করা হলো।
আলি খামেনির মৃত্যুর মাধ্যমে ইরানের ইতিহাসে দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা এক অধ্যায়ের অবসান ঘটে। ১৯৮৯ সালে দেশটির প্রথম সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খামেনির মৃত্যুর পর তিনি দীর্ঘ প্রায় ৩৭ বছর ধরে ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরানের প্রধান অভিভাবক ও নীতি-নির্ধারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
ইরানের সরকারি সূত্রগুলো জানিয়েছে, তেহরান, কোম এবং মাশহাদ—এই তিনটি প্রধান শহরে খামেনির মরদেহ নিয়ে শোক মিছিলের আয়োজন করা হবে। প্রয়াত নেতার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী প্রতিটি মিছিল অন্তত ২৪ ঘণ্টা স্থায়ী হতে পারে। রাষ্ট্রীয় এই অনুষ্ঠানগুলোতে প্রায় ২ কোটি মানুষের সমাগম হতে পারে বলে ধারণা করছে দেশটির প্রশাসন। এই উপলক্ষে দেশজুড়ে বিশেষ জাতীয় শোক দিবসও ঘোষণা করা হতে পারে।