চরচা প্রতিবেদক

যার সঙ্গে সেরার লড়াই চলে আসছে বছরের পর বছর ধরে, সেই লিওনেল মেসি এবারের বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচেই করেছেন হ্যাটট্রিক আরেক তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পের নামের পাশে রয়েছে জোড়া গোল। অথচ ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপে গোল খরার মধ্যেই বন্দী রইলেন। কঙ্গোর বিপক্ষে পর্তুগালের ১-১ গোলে ড্রয়ের ম্যাচে আরও একবার বড় মঞ্চে বড্ড অচেনা ছিলেন সাবেক রিয়াল মাদ্রিদ ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ফরোয়ার্ড।
ছয় বিশ্বকাপ খেলা রোনালদো কাতার আসরে ছিলেন সবচেয়ে মলিন। এক পর্যায়ে তো জায়গা হারাতে হয় একাদশেও। সেবার পর্তুগালের শেষ চার ম্যাচে গোলের দেখা পাননি ৪১ বছর বয়সী রোনালদো। আন্তর্জাতিক ফুটবলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলস্কোরার (৯৭১) বিস্ময়করভাবে এরপর একটা গোলও করতে পারেননি ২০২৪ সালের ইউরোতেও।
ফলে বড় টুর্নামেন্টে (নেশন্স লিগ বাদে) টানা ১০ ম্যাচ ধরে গোলবঞ্চিত রোনালদো। অথচ জাতীয় দলের হয়ে নিজের শেষ ১৬ ম্যাচে ১০ গোল করেছিলেন তিনি, যা আভাস দিচ্ছিল বিশ্বকাপে দারুণ কিছুরই।
সেই কারণেই পর্তুগাল দল রোনালদোকে নিয়ে দ্বিতীয় চিন্তা আর করেনি। সোজা জায়গা করে দিয়েছে একাদশে। আর সেটাই শেষ পর্যন্ত রবের্তো মার্তিনেসের দলকে বিপদে ফেলে দিয়েছে। কারণ, রোনালদো গোল না করার পাশাপাশি যে উপহার দিয়েছেন ভীষণ ছন্দহীন ফুটবল। আক্রমণে কোনো অবদানই রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন।
৯০ মিনিটে খেলে রোনালদো গোলের জন্য শটই নিতে পেরেছেন মাত্র ৩টি। একটিও আবার ছিল না লক্ষ্যে। সতীর্থরাও যাও কিছু সুযোগ তৈরি করেছিলেন, হাস্যকর ভুলে সে সব নষ্ট করেছেন পাঁচবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী রোনালদো।
আক্রমণভাগে রোনালদোর উপস্থিতি পর্তুগালকে অনেকটাই ১০ জনের দলে পরিণত করে। অবশ্য অধিনায়ককে দলের অন্যরাও খুব একটা ভরসা করছেন বলেও দৃশ্যমান হয়নি। ২০২২ বিশ্বকাপের মত এবারও গোলের সামনে রোনালদোকে তুলনামূলক কম পাস দিতে দেখা গেছে তাদের।
সেটা তারা ইচ্ছাকৃতভাবে করেছেন, এমনটা বলা কঠিন। তবে রোনালদোকে ছাড়া নিজেদের প্রতিটি ম্যাচেই যেভাবে গোলবন্যায় প্রতিপক্ষকে ভাসিয়েছে পর্তুগাল, তাতে ‘পুঁচকে’ কঙ্গোর বিপক্ষে এমন পারফরম্যান্স অনেক প্রশ্নেরই জন্ম দিচ্ছে।
তবে কি দলের অন্য সদস্যরা রোনালদোকে দলে বা একাদশে দেখতে চাচ্ছেন না? নাকি সমস্যাটা তার নিজেরই? গ্রুপ পর্ব তথা বিশ্বকাপে পর্তুগাল যদি ভালো কিছু করতে চায়, তাহলে এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করতে হবে রোনালদোকেই।
আর যদি না পারেন, তাহলে ইতিহাসের অন্যতম সেরা ফুটবলারকে বিশ্বকাপের মঞ্চ থেকে বিদায় নিতে হবে খালি হাতে আর চোখের জলেই। বিশ্ব সেরার মঞ্চে রোনালদো কী নিজেকে ফিরে পাবেন?

যার সঙ্গে সেরার লড়াই চলে আসছে বছরের পর বছর ধরে, সেই লিওনেল মেসি এবারের বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচেই করেছেন হ্যাটট্রিক আরেক তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পের নামের পাশে রয়েছে জোড়া গোল। অথচ ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপে গোল খরার মধ্যেই বন্দী রইলেন। কঙ্গোর বিপক্ষে পর্তুগালের ১-১ গোলে ড্রয়ের ম্যাচে আরও একবার বড় মঞ্চে বড্ড অচেনা ছিলেন সাবেক রিয়াল মাদ্রিদ ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ফরোয়ার্ড।
ছয় বিশ্বকাপ খেলা রোনালদো কাতার আসরে ছিলেন সবচেয়ে মলিন। এক পর্যায়ে তো জায়গা হারাতে হয় একাদশেও। সেবার পর্তুগালের শেষ চার ম্যাচে গোলের দেখা পাননি ৪১ বছর বয়সী রোনালদো। আন্তর্জাতিক ফুটবলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলস্কোরার (৯৭১) বিস্ময়করভাবে এরপর একটা গোলও করতে পারেননি ২০২৪ সালের ইউরোতেও।
ফলে বড় টুর্নামেন্টে (নেশন্স লিগ বাদে) টানা ১০ ম্যাচ ধরে গোলবঞ্চিত রোনালদো। অথচ জাতীয় দলের হয়ে নিজের শেষ ১৬ ম্যাচে ১০ গোল করেছিলেন তিনি, যা আভাস দিচ্ছিল বিশ্বকাপে দারুণ কিছুরই।
সেই কারণেই পর্তুগাল দল রোনালদোকে নিয়ে দ্বিতীয় চিন্তা আর করেনি। সোজা জায়গা করে দিয়েছে একাদশে। আর সেটাই শেষ পর্যন্ত রবের্তো মার্তিনেসের দলকে বিপদে ফেলে দিয়েছে। কারণ, রোনালদো গোল না করার পাশাপাশি যে উপহার দিয়েছেন ভীষণ ছন্দহীন ফুটবল। আক্রমণে কোনো অবদানই রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন।
৯০ মিনিটে খেলে রোনালদো গোলের জন্য শটই নিতে পেরেছেন মাত্র ৩টি। একটিও আবার ছিল না লক্ষ্যে। সতীর্থরাও যাও কিছু সুযোগ তৈরি করেছিলেন, হাস্যকর ভুলে সে সব নষ্ট করেছেন পাঁচবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী রোনালদো।
আক্রমণভাগে রোনালদোর উপস্থিতি পর্তুগালকে অনেকটাই ১০ জনের দলে পরিণত করে। অবশ্য অধিনায়ককে দলের অন্যরাও খুব একটা ভরসা করছেন বলেও দৃশ্যমান হয়নি। ২০২২ বিশ্বকাপের মত এবারও গোলের সামনে রোনালদোকে তুলনামূলক কম পাস দিতে দেখা গেছে তাদের।
সেটা তারা ইচ্ছাকৃতভাবে করেছেন, এমনটা বলা কঠিন। তবে রোনালদোকে ছাড়া নিজেদের প্রতিটি ম্যাচেই যেভাবে গোলবন্যায় প্রতিপক্ষকে ভাসিয়েছে পর্তুগাল, তাতে ‘পুঁচকে’ কঙ্গোর বিপক্ষে এমন পারফরম্যান্স অনেক প্রশ্নেরই জন্ম দিচ্ছে।
তবে কি দলের অন্য সদস্যরা রোনালদোকে দলে বা একাদশে দেখতে চাচ্ছেন না? নাকি সমস্যাটা তার নিজেরই? গ্রুপ পর্ব তথা বিশ্বকাপে পর্তুগাল যদি ভালো কিছু করতে চায়, তাহলে এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করতে হবে রোনালদোকেই।
আর যদি না পারেন, তাহলে ইতিহাসের অন্যতম সেরা ফুটবলারকে বিশ্বকাপের মঞ্চ থেকে বিদায় নিতে হবে খালি হাতে আর চোখের জলেই। বিশ্ব সেরার মঞ্চে রোনালদো কী নিজেকে ফিরে পাবেন?

আসরের অন্যতম ফেভারিট হিসেবেই ধরা হচ্ছে ইংল্যান্ডকে। বলার অপেক্ষা রাখে না, এর পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ অধিনায়ক হ্যারি কেইন। বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে স্বপ্নের এক মৌসুম পার করে বিশ্বকাপেও দুর্দান্ত সূচনা করেছেন ইংলিশ তারকা। গতবারের সেমিফাইনালিস্ট ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা ম্যাচে জিতেছে ইংল্

যার সঙ্গে সেরার লড়াই চলে আসছে বছরের পর বছর ধরে, সেই লিওনেল মেসি এবারের বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচেই করেছেন হ্যাটট্রিক আরেক তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পের নামের পাশে রয়েছে জোড়া গোল। অথচ ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপে গোল খরার মধ্যেই বন্দী রইলেন। কঙ্গোর বিপক্ষে পর্তুগালের ১-১ গোলে ড্রয়ের ম্যাচে আরও এ