চরচা ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বন্দরগুলোতে নতুন করে অবরোধের ঘোষণা দেওয়ার পর আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ৯ শতাংশের বেশি বেড়েছে।
বার্তা সংস্থা সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়, স্থানীয় সময় সোমবার বৈশ্বিক তেলের ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৯ দশমিক ৫৯ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৮৩ দশমিক ৩০ ডলারে পৌঁছেছে। এটি ১২ জুনের পর সর্বোচ্চ মূল্য। একই সঙ্গে গত ছয় বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে এটি ব্রেন্টের একদিনে সর্বোচ্চ শতাংশভিত্তিক মূল্যবৃদ্ধি।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দামও প্রায় ৯ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৭৮ দশমিক ১৪ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এটি ১৫ জুনের পর সর্বোচ্চ মূল্য। ২০২৬ সালের এপ্রিলের শুরুর পর ডব্লিউটিআইয়ের একদিনে এটিই সবচেয়ে বড় মূল্যবৃদ্ধি।
ইরান যুদ্ধের সময় ব্যারেলপ্রতি ১১০ ডলারের বেশি যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছিল, বর্তমান দাম এখনো তার নিচেই রয়েছে। তবে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে কমে যাওয়ার পর আবারও তেলের বাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা দিয়েছে। ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তেলের দাম আবার বাড়তে শুরু করেছে।
ওয়েলস ফার্গো ইনভেস্টমেন্ট ইনস্টিটিউটের বৈশ্বিক বিনিয়োগ কৌশল বিভাগের প্রধান পল ক্রিস্টোফার বলেন, হরমুজ প্রণালির বর্তমান পরিস্থিতিতে পরিবর্তন না আসা পর্যন্ত তেলের দাম আরও বাড়ার প্রবণতা থাকবে বলে আমরা মনে করি। এর ফলে মূল্যস্ফীতি ও সুদের হার বৃদ্ধির প্রত্যাশা বাড়তে পারে এবং শেয়ারবাজারে অস্থিরতার ঘটনাও দেখা দিতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বন্দরগুলোতে নতুন করে অবরোধের ঘোষণা দেওয়ার পর আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ৯ শতাংশের বেশি বেড়েছে।
বার্তা সংস্থা সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়, স্থানীয় সময় সোমবার বৈশ্বিক তেলের ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৯ দশমিক ৫৯ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৮৩ দশমিক ৩০ ডলারে পৌঁছেছে। এটি ১২ জুনের পর সর্বোচ্চ মূল্য। একই সঙ্গে গত ছয় বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে এটি ব্রেন্টের একদিনে সর্বোচ্চ শতাংশভিত্তিক মূল্যবৃদ্ধি।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দামও প্রায় ৯ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৭৮ দশমিক ১৪ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এটি ১৫ জুনের পর সর্বোচ্চ মূল্য। ২০২৬ সালের এপ্রিলের শুরুর পর ডব্লিউটিআইয়ের একদিনে এটিই সবচেয়ে বড় মূল্যবৃদ্ধি।
ইরান যুদ্ধের সময় ব্যারেলপ্রতি ১১০ ডলারের বেশি যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছিল, বর্তমান দাম এখনো তার নিচেই রয়েছে। তবে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে কমে যাওয়ার পর আবারও তেলের বাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা দিয়েছে। ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তেলের দাম আবার বাড়তে শুরু করেছে।
ওয়েলস ফার্গো ইনভেস্টমেন্ট ইনস্টিটিউটের বৈশ্বিক বিনিয়োগ কৌশল বিভাগের প্রধান পল ক্রিস্টোফার বলেন, হরমুজ প্রণালির বর্তমান পরিস্থিতিতে পরিবর্তন না আসা পর্যন্ত তেলের দাম আরও বাড়ার প্রবণতা থাকবে বলে আমরা মনে করি। এর ফলে মূল্যস্ফীতি ও সুদের হার বৃদ্ধির প্রত্যাশা বাড়তে পারে এবং শেয়ারবাজারে অস্থিরতার ঘটনাও দেখা দিতে পারে।