চরচা ডেস্ক

পবিত্র কোমে শহরে পৌঁছেছে ইরানের নিহত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মরদেহ। আজ মঙ্গলবার তেহরানে টানা তৃতীয় দিনের মতো শেষ শ্রদ্ধা জানাতে রাস্তায় নেমেছে বিপুলসংখ্যক মানুষ।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের বরাতে দিয়ে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এই খবর জানিয়েছে। প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, হেলিকপ্টারে করে আলী খামেনির মরদেহ মঙ্গলবার রাজধানী তেহরানের কোমে আনা হয়। ৮ জুলাই মরদেহ ইরাকের কারবালা ও নজফ শহরে নেওয়া হবে। সেখানে শোকযাত্রা শেষে বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) উত্তর-পূর্বাঞ্চলের শহর মাশহাদে তাকে দাফন করা হবে।
এর আগে তেহরানে টানা তৃতীয় দিনের মতো শেষ শ্রদ্ধা জানাতে লাখো মানুষ রাস্তায় নেমে আসে। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের ভাষ্য অনুযায়ী, শোকযাত্রায় মানুষের উপস্থিতি ১৯৮৯ সালে আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির জানাজার সমাবেশের সঙ্গে তুলনীয়।
এদিকে, খামেনির মৃত্যুতে মানুষের শোক প্রকাশ নিয়েও বিস্ময় প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, তার ধারণা ছিল, ইরানের মানুষ খামেনিকে ঘৃণা করত।
গত ফেব্রুয়ারি মাসে ইরানজুড়ে চালানো ইসরায়েলি ও মার্কিন যৌথ বিমান হামলায় নিহত হন ৮৬ বছর বয়সী এই শীর্ষ নেতা। তীব্র যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘ চার মাস বিশেষ হিমাগারে সংরক্ষণের পর, গত বৃহস্পতিবার তার মরদেহ তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় আনা হয়।
আলি খামেনির মৃত্যুর মাধ্যমে ইরানের ইতিহাসে দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা এক অধ্যায়ের অবসান ঘটে। ১৯৮৯ সালে দেশটির প্রথম সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খামেনির মৃত্যুর পর তিনি দীর্ঘ প্রায় ৩৭ বছর ধরে ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরানের প্রধান অভিভাবক ও নীতি-নির্ধারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

পবিত্র কোমে শহরে পৌঁছেছে ইরানের নিহত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মরদেহ। আজ মঙ্গলবার তেহরানে টানা তৃতীয় দিনের মতো শেষ শ্রদ্ধা জানাতে রাস্তায় নেমেছে বিপুলসংখ্যক মানুষ।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের বরাতে দিয়ে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এই খবর জানিয়েছে। প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, হেলিকপ্টারে করে আলী খামেনির মরদেহ মঙ্গলবার রাজধানী তেহরানের কোমে আনা হয়। ৮ জুলাই মরদেহ ইরাকের কারবালা ও নজফ শহরে নেওয়া হবে। সেখানে শোকযাত্রা শেষে বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) উত্তর-পূর্বাঞ্চলের শহর মাশহাদে তাকে দাফন করা হবে।
এর আগে তেহরানে টানা তৃতীয় দিনের মতো শেষ শ্রদ্ধা জানাতে লাখো মানুষ রাস্তায় নেমে আসে। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের ভাষ্য অনুযায়ী, শোকযাত্রায় মানুষের উপস্থিতি ১৯৮৯ সালে আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির জানাজার সমাবেশের সঙ্গে তুলনীয়।
এদিকে, খামেনির মৃত্যুতে মানুষের শোক প্রকাশ নিয়েও বিস্ময় প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, তার ধারণা ছিল, ইরানের মানুষ খামেনিকে ঘৃণা করত।
গত ফেব্রুয়ারি মাসে ইরানজুড়ে চালানো ইসরায়েলি ও মার্কিন যৌথ বিমান হামলায় নিহত হন ৮৬ বছর বয়সী এই শীর্ষ নেতা। তীব্র যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘ চার মাস বিশেষ হিমাগারে সংরক্ষণের পর, গত বৃহস্পতিবার তার মরদেহ তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় আনা হয়।
আলি খামেনির মৃত্যুর মাধ্যমে ইরানের ইতিহাসে দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা এক অধ্যায়ের অবসান ঘটে। ১৯৮৯ সালে দেশটির প্রথম সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খামেনির মৃত্যুর পর তিনি দীর্ঘ প্রায় ৩৭ বছর ধরে ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরানের প্রধান অভিভাবক ও নীতি-নির্ধারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

আলি খামেনির মৃত্যুর মাধ্যমে ইরানের ইতিহাসে দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা এক অধ্যায়ের অবসান ঘটে। ১৯৮৯ সালে দেশটির প্রথম সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খামেনির মৃত্যুর পর তিনি দীর্ঘ প্রায় ৩৭ বছর ধরে ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরানের প্রধান অভিভাবক ও নীতি-নির্ধারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।