নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

বন্দরনগরী চট্টগ্রামে আজ বৃহস্পতিবার পঞ্চম দিনেও মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত আছে। তবে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কমে এসেছে। বৃহস্পতিবার বেলা ৩টা পর্যন্ত চট্টগ্রামে বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে ২১৪ দশমিক ৪ মিলিমিটার।
আজ সকাল থেকেই বন্দরনগরীর বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টির প্রকোপ কিছুটা কমে এলেও নিচু এলাকায় জলাবদ্ধতা রয়ে গেছে।
সকাল থেকে কিছু সময় থেমে থেমে ভারী থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হচ্ছে। বৃষ্টির কারণে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছূটি ঘোষণা করা হয়। তবে অফিসগামী মানুষদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়। বৃষ্টির কারণে আগের দুই দিনে নগরীর বিভিন্ন অঞ্চলে জলাবদ্ধতা বেশি থাকলেও বৃহস্পতিবার তা কিছুটা কমেছে।
নগরীর কাতালগঞ্জ, কাপাসগোলা, আগ্রাবাদ সিডিএ এলাকা, সিঅ্যান্ডবি এলাকা, চান্দগাঁও, হালিশহরের কিছু অংশ এবং চকবাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় হাঁটু পানি জমেছে। তবে কোনো কোনো এলাকায় হাঁটু পানির চেয়ে বেশি পানি দেখা গেছে। টানা বর্ষণের কারণে শুধু বন্দরনগরী নয় চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলাতে বন্যা দেখা দিয়েছে।
পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ জহিরুল ইসলাম চরচাকে জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত চট্টগ্রামে বৃষ্টিপাত হয়েছে ২৭১ দশমিক ৬ মিলিমিটার। বেলা ১২টায় তা কমে ২৩৬ দশমিক ৪ মিলিমিটার এবং বেলা ৩টায় এর পরিমাণ ছিল ২১৪ দশমিক ৪ মিলিমিটার।
এদিকে নগরীর বিভিন্ন জলাবদ্ধ এলাকা ঘুরে দেখেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। পাহাড় ও ভূমিধসের শঙ্কায় নগরীর বিভিন্ন ঝুঁকির্পূণ পাহাড় থেকে মানুষজনকে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার জন্য নিয়মিত মাইকিং করে যাচ্ছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন।
নগরীতে বিরূপ আবহওয়া ও দুর্যোগকালীন পরিস্থিতি এবং চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় বন্যা দেখা দেওয়ায় জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনসহ সকল ভূমি অফিসের কর্মকর্তা–কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার এক আদেশে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক (ডিসি) তাদের ছূটি বাতিল করেন।
এদিকে আজ স্থানীয় আবহাওয়া অফিসের এক সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর কারণে বৃহস্পতিবার, শুক্রবার ও শনিবার চট্টগ্রাম, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। গাণিতিক মডেলের পূর্বাভাস অনুযায়ী এসব জেলার কোথাও কোথাও ২০০ থেকে ৫০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হতে পারে। এসব জেলাসমূহের পাহাড়ি ও অন্য ঝুঁকির্পূণ এলাকায় ভূমিধস হতে পারে বলে সতর্কবার্তায় উল্লেখ করা হয়।

বন্দরনগরী চট্টগ্রামে আজ বৃহস্পতিবার পঞ্চম দিনেও মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত আছে। তবে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কমে এসেছে। বৃহস্পতিবার বেলা ৩টা পর্যন্ত চট্টগ্রামে বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে ২১৪ দশমিক ৪ মিলিমিটার।
আজ সকাল থেকেই বন্দরনগরীর বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টির প্রকোপ কিছুটা কমে এলেও নিচু এলাকায় জলাবদ্ধতা রয়ে গেছে।
সকাল থেকে কিছু সময় থেমে থেমে ভারী থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হচ্ছে। বৃষ্টির কারণে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছূটি ঘোষণা করা হয়। তবে অফিসগামী মানুষদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়। বৃষ্টির কারণে আগের দুই দিনে নগরীর বিভিন্ন অঞ্চলে জলাবদ্ধতা বেশি থাকলেও বৃহস্পতিবার তা কিছুটা কমেছে।
নগরীর কাতালগঞ্জ, কাপাসগোলা, আগ্রাবাদ সিডিএ এলাকা, সিঅ্যান্ডবি এলাকা, চান্দগাঁও, হালিশহরের কিছু অংশ এবং চকবাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় হাঁটু পানি জমেছে। তবে কোনো কোনো এলাকায় হাঁটু পানির চেয়ে বেশি পানি দেখা গেছে। টানা বর্ষণের কারণে শুধু বন্দরনগরী নয় চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলাতে বন্যা দেখা দিয়েছে।
পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ জহিরুল ইসলাম চরচাকে জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত চট্টগ্রামে বৃষ্টিপাত হয়েছে ২৭১ দশমিক ৬ মিলিমিটার। বেলা ১২টায় তা কমে ২৩৬ দশমিক ৪ মিলিমিটার এবং বেলা ৩টায় এর পরিমাণ ছিল ২১৪ দশমিক ৪ মিলিমিটার।
এদিকে নগরীর বিভিন্ন জলাবদ্ধ এলাকা ঘুরে দেখেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। পাহাড় ও ভূমিধসের শঙ্কায় নগরীর বিভিন্ন ঝুঁকির্পূণ পাহাড় থেকে মানুষজনকে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার জন্য নিয়মিত মাইকিং করে যাচ্ছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন।
নগরীতে বিরূপ আবহওয়া ও দুর্যোগকালীন পরিস্থিতি এবং চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় বন্যা দেখা দেওয়ায় জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনসহ সকল ভূমি অফিসের কর্মকর্তা–কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার এক আদেশে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক (ডিসি) তাদের ছূটি বাতিল করেন।
এদিকে আজ স্থানীয় আবহাওয়া অফিসের এক সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর কারণে বৃহস্পতিবার, শুক্রবার ও শনিবার চট্টগ্রাম, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। গাণিতিক মডেলের পূর্বাভাস অনুযায়ী এসব জেলার কোথাও কোথাও ২০০ থেকে ৫০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হতে পারে। এসব জেলাসমূহের পাহাড়ি ও অন্য ঝুঁকির্পূণ এলাকায় ভূমিধস হতে পারে বলে সতর্কবার্তায় উল্লেখ করা হয়।